পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০১