Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩১
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’