শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’