
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:০৮
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবি ও পুলিশের বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় ভোলার মনপুরা উপজেলায়ও কর্মবিরতিতে রয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে উপজেলার এমপিওভুক্ত ১৬ টি স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি কলেজ ও ৬টি মাদ্রাসার শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান থেকে বিরতিতে থাকবেন বলে জানান শিক্ষকরা।
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থা। সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠগ্রহনের জন্য আসলেও ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যেতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। কবে নাগাদ পাঠদান শুরু হবে সে বিষয়েও কিছু জানেন না শিক্ষার্থীরা।
সাকুচিয়া বদিউজ্জামান দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শান্তা, মালিহা, জান্নাত, জেমিমা জানান, আমরা ক্লাস করার জন্য প্রতিদিনের মতো মাদ্রাসায় আসি। এসে জানতে পারি আমাদের শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। তাই ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ মাহমুদুল হাসান জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সবসময় অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। শিক্ষকদের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির ন্যায্য দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন আমাদের বহু শিক্ষক। তারই প্রেক্ষিতে দেশের সকল শিক্ষকদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে পুলিশি হয়রানীর প্রতিবাদ জানিয়ে আমাদের এই কর্মবিরতি পালন।
এব্যাপারে কর্মবিরতিতে থাকা মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকনেতা মাওলানা আমীমুল ইহসান জসিম জানান, দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ন্যায্য দাবী ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে।
এবং সেই দাবী আদায়ের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে আমরা কর্মবিরতি ঘোষনা করেছি। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবি ও পুলিশের বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় ভোলার মনপুরা উপজেলায়ও কর্মবিরতিতে রয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে উপজেলার এমপিওভুক্ত ১৬ টি স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি কলেজ ও ৬টি মাদ্রাসার শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান থেকে বিরতিতে থাকবেন বলে জানান শিক্ষকরা।
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থা। সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠগ্রহনের জন্য আসলেও ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যেতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। কবে নাগাদ পাঠদান শুরু হবে সে বিষয়েও কিছু জানেন না শিক্ষার্থীরা।
সাকুচিয়া বদিউজ্জামান দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শান্তা, মালিহা, জান্নাত, জেমিমা জানান, আমরা ক্লাস করার জন্য প্রতিদিনের মতো মাদ্রাসায় আসি। এসে জানতে পারি আমাদের শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। তাই ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ মাহমুদুল হাসান জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সবসময় অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। শিক্ষকদের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির ন্যায্য দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন আমাদের বহু শিক্ষক। তারই প্রেক্ষিতে দেশের সকল শিক্ষকদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে পুলিশি হয়রানীর প্রতিবাদ জানিয়ে আমাদের এই কর্মবিরতি পালন।
এব্যাপারে কর্মবিরতিতে থাকা মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকনেতা মাওলানা আমীমুল ইহসান জসিম জানান, দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ন্যায্য দাবী ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে।
এবং সেই দাবী আদায়ের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে আমরা কর্মবিরতি ঘোষনা করেছি। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:০১
ভোলার লালমোহন উপজেলার হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীসহ ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট ৬ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের প্রকাশিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আলম মীম রংপুর মেডিকেল কলেজে এবং সুমাইয়া আশরাফ শুশমিতা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান।
জানা গেছে, খাদিজা আলম মীম ২০২৪ সালে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক (গণিত) মো. মাকসুদুর রহমানের মেয়ে। সুমাইয়া আশরাফ শুশমিতা একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি লালমোহন বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফ ছিদ্দিকের মেয়ে।
এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের দুই শিক্ষার্থীর গৌরবময় এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাদের এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
অপরদিকে, লালমোহনের বাহিরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে আরও চার শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হক লিটুর মেয়ে মাইশা হক আদৃতা খুলনা সরকারি মেডিকেল কলেজে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্ণালী সড়কের বাসিন্দা ঠিকাদার কামরুল ইসলাম রাসেলের মেয়ে কামরুন নাহার সুজানা জামালপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়া, ডাওরী এলাকার বাসিন্দা ও ভোলা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীরের মেয়ে সায়মা কবির আনিকা এবং ধলীনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার সাইদুর রহমান আজাদের মেয়ে ইশরাত জাহান সাবরিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভ করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীসহ ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট ৬ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের প্রকাশিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আলম মীম রংপুর মেডিকেল কলেজে এবং সুমাইয়া আশরাফ শুশমিতা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান।
জানা গেছে, খাদিজা আলম মীম ২০২৪ সালে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক (গণিত) মো. মাকসুদুর রহমানের মেয়ে। সুমাইয়া আশরাফ শুশমিতা একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি লালমোহন বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফ ছিদ্দিকের মেয়ে।
এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের দুই শিক্ষার্থীর গৌরবময় এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাদের এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
অপরদিকে, লালমোহনের বাহিরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে আরও চার শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হক লিটুর মেয়ে মাইশা হক আদৃতা খুলনা সরকারি মেডিকেল কলেজে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্ণালী সড়কের বাসিন্দা ঠিকাদার কামরুল ইসলাম রাসেলের মেয়ে কামরুন নাহার সুজানা জামালপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়া, ডাওরী এলাকার বাসিন্দা ও ভোলা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীরের মেয়ে সায়মা কবির আনিকা এবং ধলীনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার সাইদুর রহমান আজাদের মেয়ে ইশরাত জাহান সাবরিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভ করেন।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৬
ভোলার তজুমদ্দিনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালী এবং অপরিল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে নিকটবর্তী এলাকার কয়েকশ পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। এ নিয়ে ভোক্তভোগী প্রায় আড়াইশ পরিবার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি বেড়িবাঁধে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ৭৪ কোটি ১৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫৭.৩১ টাকা ব্যায়ে উপকূলীয় বাঁধ পুর্নবাসন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জীবনমান প্রকল্পের আওতায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন। কাজটি শেষ হবে ২০২৬ সালের জুন মাসে। সেই অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। মাটি কাটার কাজ শুরু করার ফলে দুই শতাধিক বসতঘর, ফসলি জমি ও সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ পালা কেটে নষ্ট করলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিকে ক্ষতি পূরণ না দিয়ে ক্ষমতার জোড়ে বেড়িবাঁধের কাজ বাস্তবায়ণ করার চেষ্টা চালায়। পরে ভোক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে গত শুক্রবার সকালে বেড়িবাঁধের মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্থরা বেড়িবাঁধটি বর্তমান অবন্থান থেকে ৫-১০ ফুট পূর্বদিকে অথবা তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবী করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন ইতিপূর্বে যে সব বাড়িঘর ভেঙ্গে মাটি কাটার কাজ করেছে সেসব ঘরমালিক গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলি বর্তমানে কনকনে শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে। ক্ষতির সম্মুখীন পরিবারগুলোর ভূমিহীন ও গরীব হওয়ায় খোলা আকাশই তাদের একমাত্র ভরসা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষজনকে কোন সহযোগীতা করতে পারবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ শাহিন বলেন, ঠিকাদারের লোকজন আমাদেরকে ১৫ হাজার টাকা করে দেয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু আমরা তা গ্রহণ করিনি। হয়ত আমাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আর না হয় পূর্বদিকে অনেক জায়গা আছে সেদিকে সরিয়ে দিলে আমার শেষ সম্বল ঘর ভিটাটুকু রক্ষা হবে। আর তাতেই আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থকেতে পারবো। অন্যদিকে হাজিকান্দি এলাকায় নদী থেকে ১০ থেকে ১৫ মিটার দূরত্বে নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। চৌমুহনী এলাকায় আরো কমদূরত্বে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। শুধু আমাদের এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের লোকজন দালালকান্দি ও মাওলানা কান্দির গরীব মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে।
জানতে চাইলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের প্রকল্পের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, আমি চরফ্যাশনের মিটিংয়ে আছি। তজুমদ্দিনে আসলে সরাসরি কথা বলবো বলে কল কেটে দেন।
তজুমদ্দিন-লালমোহনের এসএসডিও আহসান আহমেদ বলেন, জমির মালিকদের সাথে কথা বলে সমজোতার মাধ্যমে বন্ধ কাজ শুরু করা হবে। বেড়িবাঁধের জমি অধিগ্রহণ করতে সরকারীভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় ঘর ও জমির মালিকদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া সুযোগ নেই। তবুও ঘর মালিকরা কোথাও অস্থায়ীভাবে থাকলে বেড়িবাঁধ সম্পন্ন হলে আবার বেড়িবাঁধে থাকতে পারবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বেড়িবাঁধের এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।
ভোলার তজুমদ্দিনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালী এবং অপরিল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে নিকটবর্তী এলাকার কয়েকশ পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। এ নিয়ে ভোক্তভোগী প্রায় আড়াইশ পরিবার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি বেড়িবাঁধে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ৭৪ কোটি ১৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫৭.৩১ টাকা ব্যায়ে উপকূলীয় বাঁধ পুর্নবাসন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জীবনমান প্রকল্পের আওতায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন। কাজটি শেষ হবে ২০২৬ সালের জুন মাসে। সেই অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। মাটি কাটার কাজ শুরু করার ফলে দুই শতাধিক বসতঘর, ফসলি জমি ও সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ পালা কেটে নষ্ট করলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিকে ক্ষতি পূরণ না দিয়ে ক্ষমতার জোড়ে বেড়িবাঁধের কাজ বাস্তবায়ণ করার চেষ্টা চালায়। পরে ভোক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে গত শুক্রবার সকালে বেড়িবাঁধের মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্থরা বেড়িবাঁধটি বর্তমান অবন্থান থেকে ৫-১০ ফুট পূর্বদিকে অথবা তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবী করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন ইতিপূর্বে যে সব বাড়িঘর ভেঙ্গে মাটি কাটার কাজ করেছে সেসব ঘরমালিক গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলি বর্তমানে কনকনে শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে। ক্ষতির সম্মুখীন পরিবারগুলোর ভূমিহীন ও গরীব হওয়ায় খোলা আকাশই তাদের একমাত্র ভরসা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষজনকে কোন সহযোগীতা করতে পারবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ শাহিন বলেন, ঠিকাদারের লোকজন আমাদেরকে ১৫ হাজার টাকা করে দেয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু আমরা তা গ্রহণ করিনি। হয়ত আমাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আর না হয় পূর্বদিকে অনেক জায়গা আছে সেদিকে সরিয়ে দিলে আমার শেষ সম্বল ঘর ভিটাটুকু রক্ষা হবে। আর তাতেই আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থকেতে পারবো। অন্যদিকে হাজিকান্দি এলাকায় নদী থেকে ১০ থেকে ১৫ মিটার দূরত্বে নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। চৌমুহনী এলাকায় আরো কমদূরত্বে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। শুধু আমাদের এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের লোকজন দালালকান্দি ও মাওলানা কান্দির গরীব মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে।
জানতে চাইলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের প্রকল্পের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, আমি চরফ্যাশনের মিটিংয়ে আছি। তজুমদ্দিনে আসলে সরাসরি কথা বলবো বলে কল কেটে দেন।
তজুমদ্দিন-লালমোহনের এসএসডিও আহসান আহমেদ বলেন, জমির মালিকদের সাথে কথা বলে সমজোতার মাধ্যমে বন্ধ কাজ শুরু করা হবে। বেড়িবাঁধের জমি অধিগ্রহণ করতে সরকারীভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় ঘর ও জমির মালিকদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া সুযোগ নেই। তবুও ঘর মালিকরা কোথাও অস্থায়ীভাবে থাকলে বেড়িবাঁধ সম্পন্ন হলে আবার বেড়িবাঁধে থাকতে পারবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বেড়িবাঁধের এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.