
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৬
পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা স্বচ্ছ জলধারা, দূরে মেঘে ঢাকা সবুজ পাহাড়ের সারি আর নদীর বুকে ছড়িয়ে থাকা দুধসাদা পাথর। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের এমন মায়াবী মেলবন্ধনেই গড়ে উঠেছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর।
ঈদুল আজহার ছুটিতে সেই সাদাপাথর এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। নগর জীবনের ক্লান্তি ভুলে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছু নির্মল সময় কাটাতে ব্যস্ত তারা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাদাপাথরের স্বচ্ছ পানিতে জলকেলিতে মেতেছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ নৌকায় চড়ে উপভোগ করছেন পাহাড়ঘেরা নদীর সৌন্দর্য, কেউবা স্মৃতিময় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করছেন। আবার অনেককে দেখা যায় ঘোড়ার পিঠে চড়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে। চারদিকে যেন উৎসবের আমেজ। পর্যটকের ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে স্থানীয় অর্থনীতিতেও। ফটোগ্রাফার, নৌকার মাঝি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সবার মুখেই এখন হাসি।
পর্যটন ঘাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ হাজার পর্যটক সাদাপাথরে আসছেন। পর্যটন ঘাট থেকে মূল স্পটে যেতে প্রতি নৌকায় সর্বোচ্চ আটজন যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। যাওয়া-আসার জন্য জনপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।
বরিশাল থেকে ঘুরতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী ইমন আহমদ বলেন, সাদাপাথরের সৌন্দর্যের কথা অনেক শুনেছি। তবে বাস্তবে এসে দেখলাম, এটি কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি সুন্দর। এখানে এসে মন ভরে গেছে।
নরসিংদী থেকে আসা পর্যটক ফাহিম মাহমুদ বলেন, পাহাড়ি ঝরনার শীতল পানিতে নেমে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে প্রকৃতির মাঝেই নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছি।
চট্টগ্রাম থেকে ঘুরতে আসা তানজিলা আক্তার কালবেলাকে বলেন, পরিবার নিয়ে সাদাপাথরে এসেছি। প্রকৃতির এত সুন্দর পরিবেশে সময় কাটিয়ে খুব ভালো লাগছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সন্তোষজনক মনে হয়েছে।
পর্যটকের ভিড়ে চাঙা হয়ে উঠেছে স্থানীয় অর্থনীতিও। কোম্পানীগঞ্জ ফটোগ্রাফার সোসাইটির সদস্য ইকবাল হোসেন বলেন, 'আগের তুলনায় পর্যটক অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ছবি তুলছেন। ফলে আমাদের কাজও বেড়েছে।'
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা সাবিহা রহমান কালবেলাকে বলেন, নদীর স্বচ্ছ পানি আর চারপাশের পাহাড়ের দৃশ্য মনকে অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। এখানে এসে ঈদের আনন্দ যেন আরও বেড়ে গেছে।
নৌকার মাঝি মজিবুর রহমান বলেন, ভালো আবহাওয়া আর ঈদের ছুটির কারণে এবার পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেশি। প্রতিদিন শত শত মানুষকে নৌকায় করে মূল স্পটে নিয়ে যাচ্ছি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী নুর মিয়া জানান, ঈদের তৃতীয় দিন থেকে বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
নৌকার মাঝি সেবুল আহমদ বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিনে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল। তবে পরবর্তী দিনগুলোতে পর্যটকের চাপ অনেক বেড়েছে। এতে আমাদের আয়ও বেড়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, পাহাড়-নদী আর শ্বেত-শুভ্র পাথরের অনন্য সমন্বয়ে সাদাপাথর এখন ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পর্যটন সুবিধা আরও উন্নত করা গেলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে সাদাপাথরের আবেদন ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
সাদাপাথর ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ বকুল সাহা বলেন, পর্যটনকেন্দ্রে পৃথক পৃথক টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। যেকোনো দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুত টিম রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবির সঙ্গেও সমন্বয় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টিসহ বিভিন্ন প্রতারণা সম্পর্কে পর্যটকদের মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) সুজন চন্দ্র কর্মকার বলেন, সাদাপাথর এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এখনও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাজনিত ব্যাপারে সার্বক্ষণিক মাইকিং, পরিদর্শন, পর্যবেক্ষন করছেন পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা। বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতায় প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও।
পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা স্বচ্ছ জলধারা, দূরে মেঘে ঢাকা সবুজ পাহাড়ের সারি আর নদীর বুকে ছড়িয়ে থাকা দুধসাদা পাথর। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের এমন মায়াবী মেলবন্ধনেই গড়ে উঠেছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর।
ঈদুল আজহার ছুটিতে সেই সাদাপাথর এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। নগর জীবনের ক্লান্তি ভুলে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছু নির্মল সময় কাটাতে ব্যস্ত তারা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাদাপাথরের স্বচ্ছ পানিতে জলকেলিতে মেতেছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ নৌকায় চড়ে উপভোগ করছেন পাহাড়ঘেরা নদীর সৌন্দর্য, কেউবা স্মৃতিময় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করছেন। আবার অনেককে দেখা যায় ঘোড়ার পিঠে চড়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে। চারদিকে যেন উৎসবের আমেজ। পর্যটকের ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে স্থানীয় অর্থনীতিতেও। ফটোগ্রাফার, নৌকার মাঝি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সবার মুখেই এখন হাসি।
পর্যটন ঘাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ হাজার পর্যটক সাদাপাথরে আসছেন। পর্যটন ঘাট থেকে মূল স্পটে যেতে প্রতি নৌকায় সর্বোচ্চ আটজন যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। যাওয়া-আসার জন্য জনপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।
বরিশাল থেকে ঘুরতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী ইমন আহমদ বলেন, সাদাপাথরের সৌন্দর্যের কথা অনেক শুনেছি। তবে বাস্তবে এসে দেখলাম, এটি কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি সুন্দর। এখানে এসে মন ভরে গেছে।
নরসিংদী থেকে আসা পর্যটক ফাহিম মাহমুদ বলেন, পাহাড়ি ঝরনার শীতল পানিতে নেমে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে প্রকৃতির মাঝেই নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছি।
চট্টগ্রাম থেকে ঘুরতে আসা তানজিলা আক্তার কালবেলাকে বলেন, পরিবার নিয়ে সাদাপাথরে এসেছি। প্রকৃতির এত সুন্দর পরিবেশে সময় কাটিয়ে খুব ভালো লাগছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সন্তোষজনক মনে হয়েছে।
পর্যটকের ভিড়ে চাঙা হয়ে উঠেছে স্থানীয় অর্থনীতিও। কোম্পানীগঞ্জ ফটোগ্রাফার সোসাইটির সদস্য ইকবাল হোসেন বলেন, 'আগের তুলনায় পর্যটক অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ছবি তুলছেন। ফলে আমাদের কাজও বেড়েছে।'
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা সাবিহা রহমান কালবেলাকে বলেন, নদীর স্বচ্ছ পানি আর চারপাশের পাহাড়ের দৃশ্য মনকে অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। এখানে এসে ঈদের আনন্দ যেন আরও বেড়ে গেছে।
নৌকার মাঝি মজিবুর রহমান বলেন, ভালো আবহাওয়া আর ঈদের ছুটির কারণে এবার পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেশি। প্রতিদিন শত শত মানুষকে নৌকায় করে মূল স্পটে নিয়ে যাচ্ছি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী নুর মিয়া জানান, ঈদের তৃতীয় দিন থেকে বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
নৌকার মাঝি সেবুল আহমদ বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিনে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল। তবে পরবর্তী দিনগুলোতে পর্যটকের চাপ অনেক বেড়েছে। এতে আমাদের আয়ও বেড়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, পাহাড়-নদী আর শ্বেত-শুভ্র পাথরের অনন্য সমন্বয়ে সাদাপাথর এখন ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পর্যটন সুবিধা আরও উন্নত করা গেলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে সাদাপাথরের আবেদন ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
সাদাপাথর ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ বকুল সাহা বলেন, পর্যটনকেন্দ্রে পৃথক পৃথক টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। যেকোনো দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুত টিম রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবির সঙ্গেও সমন্বয় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টিসহ বিভিন্ন প্রতারণা সম্পর্কে পর্যটকদের মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) সুজন চন্দ্র কর্মকার বলেন, সাদাপাথর এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এখনও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাজনিত ব্যাপারে সার্বক্ষণিক মাইকিং, পরিদর্শন, পর্যবেক্ষন করছেন পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা। বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতায় প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও।

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ১৮:০১
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৪
নোয়াখালী সদরে বড় ধরনের মিছিল দিয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতি দেখে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে ওই মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। এতে হাজারের বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। এসময় পুলিশ সদস্যরা গা-ঢাকা দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, ‘আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি।
আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়ববো না।’
কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি।’
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের দল সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আমরা মিছিলের শুরুতে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পরে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়েন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালী সদরে বড় ধরনের মিছিল দিয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতি দেখে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে ওই মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। এতে হাজারের বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। এসময় পুলিশ সদস্যরা গা-ঢাকা দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, ‘আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি।
আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়ববো না।’
কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি।’
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের দল সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আমরা মিছিলের শুরুতে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পরে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়েন।’