Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৫
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:১৪
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।

০৯ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।