
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০১
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৪
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থি। বাংলাদেশ সরকার এ ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত এবং ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।
সংঘাত কোনো স্থায়ী সমাধান বয়ে আনে না মন্তব্য করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্যের মাধ্যমেই বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪৫
সৌদি আরবের আরামকো (২২২২.এসই) ড্রোন হামলার পর তাদের রাস তানুরা শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে। আজ সোমবার এক শিল্প সূত্র এই খবর জানিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এই অঞ্চলে হামলা শুরু করার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাস তানুরা কমপ্লেক্স উপসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম শোধনাগারগুলোর একটি।
এর দৈনিক ক্ষমতা প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল। এটি সৌদি অপরিশোধিত তেলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি টার্মিনাল হিসেবে কাজ করে। সূত্র জানিয়েছে, শোধনাগারটি সতর্কতামূলকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ড্রোন হামলা উপসাগরের অন্যান্য এলাকায়ও প্রভাব ফেলেছে, যার মধ্যে রয়েছে আবুধাবি, দুবাই, দোহা, মানামা এবং দুকম। এই হামলা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের প্রধান শিপিং হাবগুলোকে প্রভাবিত করেছে।সৌদি আরবের শক্তিশালী জ্বালানি স্থাপনাগুলো এর আগেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
বিশেষ করে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে, আবকাইক এবং খুরাইস প্ল্যান্ট-এ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে রাজ্যের অপরিশোধিত তেলের অর্ধেকেরও বেশি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং বিশ্ব বাজারে বড় প্রভাব পড়ে।
সূত্র : রয়টার্স
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থি। বাংলাদেশ সরকার এ ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত এবং ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।
সংঘাত কোনো স্থায়ী সমাধান বয়ে আনে না মন্তব্য করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্যের মাধ্যমেই বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।
সৌদি আরবের আরামকো (২২২২.এসই) ড্রোন হামলার পর তাদের রাস তানুরা শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে। আজ সোমবার এক শিল্প সূত্র এই খবর জানিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এই অঞ্চলে হামলা শুরু করার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাস তানুরা কমপ্লেক্স উপসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম শোধনাগারগুলোর একটি।
এর দৈনিক ক্ষমতা প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল। এটি সৌদি অপরিশোধিত তেলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি টার্মিনাল হিসেবে কাজ করে। সূত্র জানিয়েছে, শোধনাগারটি সতর্কতামূলকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ড্রোন হামলা উপসাগরের অন্যান্য এলাকায়ও প্রভাব ফেলেছে, যার মধ্যে রয়েছে আবুধাবি, দুবাই, দোহা, মানামা এবং দুকম। এই হামলা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের প্রধান শিপিং হাবগুলোকে প্রভাবিত করেছে।সৌদি আরবের শক্তিশালী জ্বালানি স্থাপনাগুলো এর আগেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
বিশেষ করে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে, আবকাইক এবং খুরাইস প্ল্যান্ট-এ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে রাজ্যের অপরিশোধিত তেলের অর্ধেকেরও বেশি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং বিশ্ব বাজারে বড় প্রভাব পড়ে।
সূত্র : রয়টার্স
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫