
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:২৬
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।