
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪১
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২১
নিজেদের নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) হালনাগাদ করা সরকারি ভ্রমণ সতর্ক বার্তায় বলা হয়, আপনি যদি ইরানে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করুন।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ চলছে, যা কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির।
অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানে টানা ১০ দিনের বিক্ষোভে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। এদিকে, অর্থনৈতিক সংকট কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন ছিলেন বিক্ষোভকারী ও দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তারা কেবল জানিয়েছে, তিনজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিবিসি পার্সিয়ান এখন পর্যন্ত নিহত ২০ জনের পরিচয় ও মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, চলমান অস্থিরতায় ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন ও ২ হাজার ৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানের আধা-সরকারি গণমাধ্যম জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের মালেকশাহি এলাকায় তথাকথিত ‘দাঙ্গাকারীদের’ গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন অভিযান চলছে।
নিজেদের নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) হালনাগাদ করা সরকারি ভ্রমণ সতর্ক বার্তায় বলা হয়, আপনি যদি ইরানে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করুন।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ চলছে, যা কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির।
অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানে টানা ১০ দিনের বিক্ষোভে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। এদিকে, অর্থনৈতিক সংকট কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন ছিলেন বিক্ষোভকারী ও দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তারা কেবল জানিয়েছে, তিনজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিবিসি পার্সিয়ান এখন পর্যন্ত নিহত ২০ জনের পরিচয় ও মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, চলমান অস্থিরতায় ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন ও ২ হাজার ৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানের আধা-সরকারি গণমাধ্যম জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের মালেকশাহি এলাকায় তথাকথিত ‘দাঙ্গাকারীদের’ গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন অভিযান চলছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.