Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩০
বরিশালের বাকেরগঞ্জে সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির আড়ালে চলছে ভয়াবহ সুদের কারবার। তথাকথিত এসব মাল্টিপারপাস সমিতির ‘গলাকাটা’ সুদের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
সচ্ছলতার আশায় চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আসল ও সুদের ঘানি টানতে গিয়ে অনেক পরিবার এখন ভিটেমাটি হারানোর পথে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা সমবায় অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব অবৈধ সমিতি গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ এসব সমিতির দ্বারস্থ হলে তাদের ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে স্বাক্ষর করা খালি ব্যাংক চেক ও সাদা স্ট্যাম্প জমা দিতে হয়।
পরবর্তীতে ঋণের টাকা পরিশোধে সামান্য দেরি হলেই ওই চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে গ্রাহককে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের স্থাবর সম্পত্তি লিখে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সমিতিরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠান মাসে হাজারে ১০০ টাকা (শতকরা ১০ টাকা হারে) পর্যন্ত সুদ আদায় করছে।
লেনদেনের স্বচ্ছতার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রেজিস্টার ব্যবহার না করে ছোট ছোট ‘টালি খাতায়’ সাঙ্কেতিক ভাষায় সুদের হিসাব রাখা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে চরম আর্থিক ও মানসিক যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন।
উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অলিগলিতে গড়ে ওঠা এসব সমিতির পাস বইয়ে ‘মানবসেবা’ ও ‘উন্নয়নের’ স্লোগান লেখা থাকলেও নেপথ্যে রয়েছে কেবলই সুদের ব্যবসা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ সমিতিরই সমবায় অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেই। নিবন্ধন থাকলেও তারা সমবায় আইন তোয়াক্কা না করে ব্যাংকিং স্টাইলে চড়া সুদে লেনদেন করছে।
উপজেলা সমবায় অফিস ও প্রশাসনের যথাযথ নজরদারি না থাকায় এই অশুভ চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, এই অবৈধ সুদি ব্যবসা বন্ধ না হলে গ্রামীণ জনপদে অপরাধ ও আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "অভাবের সময় টাকা নিয়ে এখন আমরা চোখে সর্ষে ফুল দেখছি। সুদের টাকা দিতে গিয়ে খাওয়ার টাকাও থাকছে না। প্রশাসনের উচিত এখনই এসব সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।"
বরিশালের বাকেরগঞ্জে সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির আড়ালে চলছে ভয়াবহ সুদের কারবার। তথাকথিত এসব মাল্টিপারপাস সমিতির ‘গলাকাটা’ সুদের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
সচ্ছলতার আশায় চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আসল ও সুদের ঘানি টানতে গিয়ে অনেক পরিবার এখন ভিটেমাটি হারানোর পথে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা সমবায় অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব অবৈধ সমিতি গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ এসব সমিতির দ্বারস্থ হলে তাদের ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে স্বাক্ষর করা খালি ব্যাংক চেক ও সাদা স্ট্যাম্প জমা দিতে হয়।
পরবর্তীতে ঋণের টাকা পরিশোধে সামান্য দেরি হলেই ওই চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে গ্রাহককে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের স্থাবর সম্পত্তি লিখে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সমিতিরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠান মাসে হাজারে ১০০ টাকা (শতকরা ১০ টাকা হারে) পর্যন্ত সুদ আদায় করছে।
লেনদেনের স্বচ্ছতার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রেজিস্টার ব্যবহার না করে ছোট ছোট ‘টালি খাতায়’ সাঙ্কেতিক ভাষায় সুদের হিসাব রাখা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে চরম আর্থিক ও মানসিক যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন।
উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অলিগলিতে গড়ে ওঠা এসব সমিতির পাস বইয়ে ‘মানবসেবা’ ও ‘উন্নয়নের’ স্লোগান লেখা থাকলেও নেপথ্যে রয়েছে কেবলই সুদের ব্যবসা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ সমিতিরই সমবায় অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেই। নিবন্ধন থাকলেও তারা সমবায় আইন তোয়াক্কা না করে ব্যাংকিং স্টাইলে চড়া সুদে লেনদেন করছে।
উপজেলা সমবায় অফিস ও প্রশাসনের যথাযথ নজরদারি না থাকায় এই অশুভ চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, এই অবৈধ সুদি ব্যবসা বন্ধ না হলে গ্রামীণ জনপদে অপরাধ ও আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "অভাবের সময় টাকা নিয়ে এখন আমরা চোখে সর্ষে ফুল দেখছি। সুদের টাকা দিতে গিয়ে খাওয়ার টাকাও থাকছে না। প্রশাসনের উচিত এখনই এসব সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।"

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪

২২ জুন, ২০২৬ ১১:৩৭
বরিশাল মহানগর যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম খোকন ওরফে মামা খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। রোববার রাতে তাকে শহরের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী খোকন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাত নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।
এই যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত নাথ।
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’
স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’
স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’
বরিশাল মহানগর যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম খোকন ওরফে মামা খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। রোববার রাতে তাকে শহরের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী খোকন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাত নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।
এই যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত নাথ।