সিলেটের গোয়াইনঘাটে সড়কের মধ্যে তিনটি গাছ রেখেই সিসি ঢালাই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সড়কের মধ্য থেকে গাছগুলো কেটে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের হাদারপার থেকে দমদমিয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভাগের বাস্তবায়নে ভোলাগঞ্জ আরএইচডি দয়ারবাজার ভাটরাই হাদারপার জিসি সড়কে দমদমিয়া লামার বাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র। এতে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সিলেটে আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্পের কাজ হিসেবে ভোলাগঞ্জ (আরএইচডি) দয়ারবাজার ভাটরাই হাদারপার জিসি সড়কে হাদারপার টু দমদমীয়া পর্যন্ত ৭টি কালভার্ট নির্মাণ ও সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক প্রশস্ত করা ও আরসিসি ঢালাই কাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর। এটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ২৮ জুনের মধ্যে।
এ কাজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮১ টাকা। চুক্তি মূল্য সড়কের কাজ পায় এসএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড এমএস কামরুল অ্যান্ড ব্রাদার্স (এন) নামে ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
তবে কাজটির বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন রবিউল হাসান নামে একজন ঠিকাদার। কাজের এক পর্যায়ে এসে দমদমিয়া লামার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৬ ফুট সড়কের ৫-৬ ফুট মাঝখানে বড় বড় তিনটি রেন্টি কড়ই গাছ রেখেই সিসি ঢালাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আলা উদ্দিন জানান, সড়কের মাঝখানে গাছ রেখে ঢালাই—এমন কাজ কখনো দেখিনি। এই গাছগুলো রেখেই ঢালাই দেওয়ায় নতুন করে দুর্ভোগ পোহাতে হবে হাজার হাজার পথচারীর। এসব গাছের কারণে সড়কটি সরু হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই গাছগুলো কেটে সড়কের গুণগত মান ঠিক রেখে আরসিসি ঢালাই দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, সড়কের মধ্যে তিনটি গাছ রেখেই ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সড়কের পাশে ২০ থেকে ২৫টি গাছের শিকড় কেটে ও গাছের অর্ধেক অংশ রেখে আরসিসি ঢালাই কাজ করা হয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়া বা ঘূর্ণিঝড় এলে সেসব গাছ ভেঙে দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। জনস্বার্থে সড়ক থেকে দ্রুত এই গাছ কেটে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে ঠিকাদার রবিউল হাসান বলেন, কাজের শুরুতেই এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। আমিও চেষ্টা করেছি গাছগুলো কাটার জন্য। রাস্তার স্বার্থে জনগণের স্বার্থে এ তিনটি গাছ কাটা প্রয়োজন। ইউএনও আছে, পরিবেশের ব্যাপার আছে, উনারা যদি দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নিয়ে গাছগুলা কাটিয়ে দেয় তাহলে কাজটা সঠিক ও সুন্দরভাবে করা যাবে।
তিনি বলেন, আজ যে সিসি ঢালাই হয়েছে মূলত মিস্ত্রিদের ভুল বোঝাবুঝিতে ঢালাইটা হয়েছে। তবে ঢালাইটা সরাইয়া ফেলা হয়েছে যাতে পরে গাছ কাটলে কোনো সমস্যা না হয়। সড়কের মধ্যে গাছ থাকায় সড়কের কাজে বিঘ্ন হচ্ছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) হাসিব আহামেদ বলেন, কাজের শুরু থেকেই গাছ ইউএনও স্যারকে বলতেছি সরেজমিন একদিন চলেন গাছ কাটতে হবে। মিটিংয়ে আলোচনা করেছি এবং গাছ কাটার সিদ্ধান্তও হয়েছে। কিন্তু গাছ কাটতে হলে ফরেস্টের স্টিমেট লাগবে। কিন্তু এগুলো কোন প্রজাতির গাছ, মূল্য কত এটা নির্ধারণ করবে বন অধিদপ্তর। বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার ও বিট অফিসার কেউ মিটিংয়ে আসে না।
তিনি আরও বলেন, ফরেস্ট অফিস তো আমার কথা শুনবে না। ইউএনও স্যারকে বলেছি তিনি চিঠিও দেননি। এমনকি পদক্ষেপ নেননি। তা ছাড়া ওই জায়গার আগে এবং পরে আরসিসি ঢালাই হয়েছে। শুধু এই জায়গাটায় সিসি করা হয়েছে, আরসিসি এখন হবে না। এখনো এ অবস্থায় গাছ কাটা যাবে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। অনেকেই অবগত করেছেন। এলজিইডি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১৪
রাজশাহীতে একটি ফ্ল্যাটের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নারীসহ আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর নাদের হাজির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক মাহবুব আলম একসময় চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন। বর্তমানে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত এবং সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত রয়েছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে নাদের হাজির মোড়ের একটি ফ্ল্যাটের দরজায় দীর্ঘ সময় ধরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে দরজা খুলে মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে আনেন। পরে তাদের চন্দ্রিমা থানায় নেওয়া হয়।
এদিকে ঘটনাস্থলে থাকা আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’ দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, মাহবুব যে জেলায় যান, সেখানেই বিয়ে করেন এবং একাধিক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে।
আন্নির দাবি, এর আগেও রাজশিয়ার পদ্মা আবাসিক এলাকায় মাহবুবের নিজস্ব ফ্ল্যাটে ওই নারীকে তার সঙ্গে পেয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে আবারও মাহবুবকে ওই নারীর সঙ্গে নাদের হাজির মোড়ের ফ্ল্যাটে থাকার খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান।
মাহবুব আলম অবশ্য ওই নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করেছেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি। একই সঙ্গে আন্নিকে চারদিন আগে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পুলিশের কাছে তালাকের একটি কাগজ জমা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
তবে আন্নির দাবি, তিনি কোনো তালাকের কাগজ পাননি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি থাকাকালে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মাহবুব আলমকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে নওগাঁ জেলা পুলিশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।
সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, মাহবুব আলম কোনো ছুটি বা অনুমতি ছাড়াই রাজশিয়ায় গেছেন। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, মাহবুব আলম ও ওই নারীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহীতে একটি ফ্ল্যাটের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নারীসহ আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর নাদের হাজির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক মাহবুব আলম একসময় চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন। বর্তমানে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত এবং সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত রয়েছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে নাদের হাজির মোড়ের একটি ফ্ল্যাটের দরজায় দীর্ঘ সময় ধরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে দরজা খুলে মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে আনেন। পরে তাদের চন্দ্রিমা থানায় নেওয়া হয়।
এদিকে ঘটনাস্থলে থাকা আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’ দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, মাহবুব যে জেলায় যান, সেখানেই বিয়ে করেন এবং একাধিক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে।
আন্নির দাবি, এর আগেও রাজশিয়ার পদ্মা আবাসিক এলাকায় মাহবুবের নিজস্ব ফ্ল্যাটে ওই নারীকে তার সঙ্গে পেয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে আবারও মাহবুবকে ওই নারীর সঙ্গে নাদের হাজির মোড়ের ফ্ল্যাটে থাকার খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান।
মাহবুব আলম অবশ্য ওই নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করেছেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি। একই সঙ্গে আন্নিকে চারদিন আগে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পুলিশের কাছে তালাকের একটি কাগজ জমা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
তবে আন্নির দাবি, তিনি কোনো তালাকের কাগজ পাননি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি থাকাকালে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মাহবুব আলমকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে নওগাঁ জেলা পুলিশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।
সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, মাহবুব আলম কোনো ছুটি বা অনুমতি ছাড়াই রাজশিয়ায় গেছেন। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, মাহবুব আলম ও ওই নারীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। মারা গেছেন আরও আটজন, যা এ বছর একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ নিয়ে এবার মোট ১৫৭ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭৩৩ জন। এ নিয়ে এবার মোট ভর্তি হলেন ৫৩ হাজার ৫৭০ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৩৭৫ জন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ছয়জন নারী ও দুজন পুরুষ। তাদের মধ্যে দুজনের বয়স ছয় থেকে ১০ বছরের মধ্যে, একজনের বয়স ১৬ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং বাকিরা প্রাপ্তবয়স্ক।
মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৫৭ জনের মধ্যে নারী ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ।
মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান।
সেই তুলনায় চলতি মাসে অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৬০ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন মারা যান ৮ সেপ্টেম্বর।
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৫১, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৯ ও সিটি করপোরেশনের বাইরে নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ২৭, ময়মনসিংহে ১৬, বরিশালে ১২, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব মতে, গত আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে সোমবারের আগ পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৭১ জন ভর্তি হয়েছিলেন ৮ সেপ্টেম্বর।
এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ ও জুনে দুই হাজার ৯০৭ জন হাসপাতালে আসেন।
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। মারা গেছেন আরও আটজন, যা এ বছর একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ নিয়ে এবার মোট ১৫৭ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭৩৩ জন। এ নিয়ে এবার মোট ভর্তি হলেন ৫৩ হাজার ৫৭০ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৩৭৫ জন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ছয়জন নারী ও দুজন পুরুষ। তাদের মধ্যে দুজনের বয়স ছয় থেকে ১০ বছরের মধ্যে, একজনের বয়স ১৬ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং বাকিরা প্রাপ্তবয়স্ক।
মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৫৭ জনের মধ্যে নারী ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ।
মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান।
সেই তুলনায় চলতি মাসে অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৬০ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন মারা যান ৮ সেপ্টেম্বর।
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৫১, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৯ ও সিটি করপোরেশনের বাইরে নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ২৭, ময়মনসিংহে ১৬, বরিশালে ১২, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব মতে, গত আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে সোমবারের আগ পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৭১ জন ভর্তি হয়েছিলেন ৮ সেপ্টেম্বর।
এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ ও জুনে দুই হাজার ৯০৭ জন হাসপাতালে আসেন।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৬
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় চায়ের দোকানের ৪৫ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও পুরুষসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ফের হাতাহাতি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের জয়ন্তীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জয়ন্তীপুর এলাকার চা বিক্রেতা শামিম হোসেনের দোকানে মুদি ব্যবসায়ী মোস্তফার ৪৫ টাকা বাকি ছিল। সন্ধ্যার দিকে ওই টাকা পরিশোধের জন্য মোস্তফার কাছে জানতে চান শামিম। এ সময় পাওনা টাকা দেওয়া-নেওয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়।
কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজন ও লোকজন সেখানে এসে জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যেও বিরোধ সৃষ্টি হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে দ্রুত বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে চিকিৎসা নিতে এসে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে দুই পক্ষের লোকজন ফের বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সেখানে মারামারির ঘটনাও ঘটে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিলে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।
বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইফফাত মেহেজাবীন অনন্যা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন আহতদের নিয়ে হাসপাতালে আসতে থাকেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় চায়ের দোকানের ৪৫ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও পুরুষসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ফের হাতাহাতি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের জয়ন্তীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জয়ন্তীপুর এলাকার চা বিক্রেতা শামিম হোসেনের দোকানে মুদি ব্যবসায়ী মোস্তফার ৪৫ টাকা বাকি ছিল। সন্ধ্যার দিকে ওই টাকা পরিশোধের জন্য মোস্তফার কাছে জানতে চান শামিম। এ সময় পাওনা টাকা দেওয়া-নেওয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়।
কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজন ও লোকজন সেখানে এসে জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যেও বিরোধ সৃষ্টি হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে দ্রুত বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে চিকিৎসা নিতে এসে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে দুই পক্ষের লোকজন ফের বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সেখানে মারামারির ঘটনাও ঘটে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিলে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।
বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইফফাত মেহেজাবীন অনন্যা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন আহতদের নিয়ে হাসপাতালে আসতে থাকেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

২৫ আগস্ট, ২০২৫ ১১:৫৪
সিলেটের গোয়াইনঘাটে সড়কের মধ্যে তিনটি গাছ রেখেই সিসি ঢালাই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সড়কের মধ্য থেকে গাছগুলো কেটে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের হাদারপার থেকে দমদমিয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভাগের বাস্তবায়নে ভোলাগঞ্জ আরএইচডি দয়ারবাজার ভাটরাই হাদারপার জিসি সড়কে দমদমিয়া লামার বাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র। এতে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সিলেটে আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্পের কাজ হিসেবে ভোলাগঞ্জ (আরএইচডি) দয়ারবাজার ভাটরাই হাদারপার জিসি সড়কে হাদারপার টু দমদমীয়া পর্যন্ত ৭টি কালভার্ট নির্মাণ ও সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক প্রশস্ত করা ও আরসিসি ঢালাই কাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর। এটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ২৮ জুনের মধ্যে।
এ কাজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮১ টাকা। চুক্তি মূল্য সড়কের কাজ পায় এসএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড এমএস কামরুল অ্যান্ড ব্রাদার্স (এন) নামে ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
তবে কাজটির বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন রবিউল হাসান নামে একজন ঠিকাদার। কাজের এক পর্যায়ে এসে দমদমিয়া লামার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৬ ফুট সড়কের ৫-৬ ফুট মাঝখানে বড় বড় তিনটি রেন্টি কড়ই গাছ রেখেই সিসি ঢালাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আলা উদ্দিন জানান, সড়কের মাঝখানে গাছ রেখে ঢালাই—এমন কাজ কখনো দেখিনি। এই গাছগুলো রেখেই ঢালাই দেওয়ায় নতুন করে দুর্ভোগ পোহাতে হবে হাজার হাজার পথচারীর। এসব গাছের কারণে সড়কটি সরু হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই গাছগুলো কেটে সড়কের গুণগত মান ঠিক রেখে আরসিসি ঢালাই দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, সড়কের মধ্যে তিনটি গাছ রেখেই ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সড়কের পাশে ২০ থেকে ২৫টি গাছের শিকড় কেটে ও গাছের অর্ধেক অংশ রেখে আরসিসি ঢালাই কাজ করা হয়েছে। এতে বৈরী আবহাওয়া বা ঘূর্ণিঝড় এলে সেসব গাছ ভেঙে দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। জনস্বার্থে সড়ক থেকে দ্রুত এই গাছ কেটে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে ঠিকাদার রবিউল হাসান বলেন, কাজের শুরুতেই এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। আমিও চেষ্টা করেছি গাছগুলো কাটার জন্য। রাস্তার স্বার্থে জনগণের স্বার্থে এ তিনটি গাছ কাটা প্রয়োজন। ইউএনও আছে, পরিবেশের ব্যাপার আছে, উনারা যদি দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নিয়ে গাছগুলা কাটিয়ে দেয় তাহলে কাজটা সঠিক ও সুন্দরভাবে করা যাবে।
তিনি বলেন, আজ যে সিসি ঢালাই হয়েছে মূলত মিস্ত্রিদের ভুল বোঝাবুঝিতে ঢালাইটা হয়েছে। তবে ঢালাইটা সরাইয়া ফেলা হয়েছে যাতে পরে গাছ কাটলে কোনো সমস্যা না হয়। সড়কের মধ্যে গাছ থাকায় সড়কের কাজে বিঘ্ন হচ্ছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) হাসিব আহামেদ বলেন, কাজের শুরু থেকেই গাছ ইউএনও স্যারকে বলতেছি সরেজমিন একদিন চলেন গাছ কাটতে হবে। মিটিংয়ে আলোচনা করেছি এবং গাছ কাটার সিদ্ধান্তও হয়েছে। কিন্তু গাছ কাটতে হলে ফরেস্টের স্টিমেট লাগবে। কিন্তু এগুলো কোন প্রজাতির গাছ, মূল্য কত এটা নির্ধারণ করবে বন অধিদপ্তর। বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার ও বিট অফিসার কেউ মিটিংয়ে আসে না।
তিনি আরও বলেন, ফরেস্ট অফিস তো আমার কথা শুনবে না। ইউএনও স্যারকে বলেছি তিনি চিঠিও দেননি। এমনকি পদক্ষেপ নেননি। তা ছাড়া ওই জায়গার আগে এবং পরে আরসিসি ঢালাই হয়েছে। শুধু এই জায়গাটায় সিসি করা হয়েছে, আরসিসি এখন হবে না। এখনো এ অবস্থায় গাছ কাটা যাবে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। অনেকেই অবগত করেছেন। এলজিইডি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫