
০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০২
সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে চলে গেলেন গাড়িতে চেপে
বরিশালের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে সেবা বঞ্চনা, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল করেছেন ছিন্নমূল নারীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ চলাকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক চলছিল। খবর পেয়ে খায়রুল আলম সুমন বৈঠকস্থল ছেড়ে সরকারি ডাকবাংলোয় চলে যান বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার জন্য আবেদন করেও তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম সুমন ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শাহানুর বেগম বলেন, বহুবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েও আমরা কোনো সহায়তা পাইনি। উল্টো আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। আরেক বিক্ষোভকারী পিয়ারা বেগম বলেন, ‘আমরা এমন একজন মানবিক জেলা প্রশাসক চাই, যিনি সুইপার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা— সবার কথা শুনবেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু সাবেক ডিসি সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কথা শুনতেন না। এমনকি গণশুনানির সময়ও আমাদের তার কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।’
জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খায়রুল আলম সুমন ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকারীন সরকারের শাসনামলে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযোগ পান। দায়িত্ব পালনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত ভোটকক্ষ ও দুর্গম কেন্দ্র দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খোদ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেকার অসন্তোস তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ পেলে শুরু হয় তোলপাড়। কিন্তু ডিসি খায়রুল আলম ক্ষ্যান্ত হননি। তথ্য ফাঁসের সন্দেহে অন্তত ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করেন তিনি।
এমন প্রেক্ষাপটে গত বুধবার সরকার তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে ঝাড়ু হাতে জড়ো হতে থাকেন ছিন্নমূল মানুষেরা। একপর্যায়ে তারা একত্রিত হয়ে ডিসি খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন। এতে ডিসি অফিসের পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক পাজারো গাড়িতে চেপে ডাকবাংলোর উদ্দেশে রওনা হয়। তখন ছিন্নমূলত মানুষের প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে ডিসি কোনো উত্তর না দিয়ে গাড়িযোগে চলে যান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে চলে গেলেন গাড়িতে চেপে
বরিশালের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে সেবা বঞ্চনা, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল করেছেন ছিন্নমূল নারীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ চলাকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক চলছিল। খবর পেয়ে খায়রুল আলম সুমন বৈঠকস্থল ছেড়ে সরকারি ডাকবাংলোয় চলে যান বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার জন্য আবেদন করেও তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম সুমন ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শাহানুর বেগম বলেন, বহুবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েও আমরা কোনো সহায়তা পাইনি। উল্টো আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। আরেক বিক্ষোভকারী পিয়ারা বেগম বলেন, ‘আমরা এমন একজন মানবিক জেলা প্রশাসক চাই, যিনি সুইপার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা— সবার কথা শুনবেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু সাবেক ডিসি সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কথা শুনতেন না। এমনকি গণশুনানির সময়ও আমাদের তার কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।’
জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খায়রুল আলম সুমন ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকারীন সরকারের শাসনামলে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযোগ পান। দায়িত্ব পালনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত ভোটকক্ষ ও দুর্গম কেন্দ্র দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খোদ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেকার অসন্তোস তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ পেলে শুরু হয় তোলপাড়। কিন্তু ডিসি খায়রুল আলম ক্ষ্যান্ত হননি। তথ্য ফাঁসের সন্দেহে অন্তত ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করেন তিনি।
এমন প্রেক্ষাপটে গত বুধবার সরকার তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে ঝাড়ু হাতে জড়ো হতে থাকেন ছিন্নমূল মানুষেরা। একপর্যায়ে তারা একত্রিত হয়ে ডিসি খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন। এতে ডিসি অফিসের পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক পাজারো গাড়িতে চেপে ডাকবাংলোর উদ্দেশে রওনা হয়। তখন ছিন্নমূলত মানুষের প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে ডিসি কোনো উত্তর না দিয়ে গাড়িযোগে চলে যান।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৩৫

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
বরিশাল শহরে ৫০ বছর বয়সি জনৈক বৃদ্ধা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নগরের আমিরকুটির এলাকার ফাতেমা মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া সালেহা বেগম শনিবার দুপুরে ফ্ল্যাট বাসার দরজা আটকে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং সিআইডির টিম আলামত সংগ্রহ করেছে।
সালেহা বেগমের ছেলে আইনজীবী লতিফ সিকদার জানান, রোববার সকালে তিনি আদালতে যান এবং তার স্ত্রী বাচ্চা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। স্কুল ছুটির পরে সন্তান নিয়ে বাসায় ফিরে দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে লক করা আছে। এবং অনেক ডাকাডাকির পরেও শ্বাশুড়ি কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। পরে সে (স্ত্রী) আমাকে ফোন দিয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে দেখি আমার মা ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন।
ছেলে লতিফের দাবি তার মা শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, কিছুদিন পূর্বে তার পেটে অস্ত্রপচার হয়। কিন্তু তার শারীরিকভাবে উন্নতি হয়নি, অসহ্য যন্ত্রণার কারণে নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না। এর আগেও ২/৩ বার তিনি আত্মহত্যা গিয়েছিলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছেন। আজ বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, দাবি লতিফের।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনজীবী ছেলে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দাবি করেছেন। তারপরেও পুলিশ এবং সিআইডি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল শহরে ৫০ বছর বয়সি জনৈক বৃদ্ধা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নগরের আমিরকুটির এলাকার ফাতেমা মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া সালেহা বেগম শনিবার দুপুরে ফ্ল্যাট বাসার দরজা আটকে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং সিআইডির টিম আলামত সংগ্রহ করেছে।
সালেহা বেগমের ছেলে আইনজীবী লতিফ সিকদার জানান, রোববার সকালে তিনি আদালতে যান এবং তার স্ত্রী বাচ্চা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। স্কুল ছুটির পরে সন্তান নিয়ে বাসায় ফিরে দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে লক করা আছে। এবং অনেক ডাকাডাকির পরেও শ্বাশুড়ি কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। পরে সে (স্ত্রী) আমাকে ফোন দিয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে দেখি আমার মা ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন।
ছেলে লতিফের দাবি তার মা শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, কিছুদিন পূর্বে তার পেটে অস্ত্রপচার হয়। কিন্তু তার শারীরিকভাবে উন্নতি হয়নি, অসহ্য যন্ত্রণার কারণে নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না। এর আগেও ২/৩ বার তিনি আত্মহত্যা গিয়েছিলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছেন। আজ বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, দাবি লতিফের।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনজীবী ছেলে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দাবি করেছেন। তারপরেও পুলিশ এবং সিআইডি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৩৫
রাজধানী ঢাকায় সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় একটি নতুন ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১০ আরোহীর মধ্যে ৮ জন প্রাণে রক্ষা পেলেও ২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কড্ডাবাজার থেকে তৈরি সম্পূর্ণ নতুন ট্রলারটি কুমিল্লার মুরাদনগর নেওয়া হচ্ছিল। সদরঘাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটির প্রপেলার কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে যায়। এতে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে ট্রলারটি নদীর মধ্যে স্থির হয়ে পড়ে। এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।
এদিকে ট্রলারডুবির খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিসহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ট্রলারে থাকা ১০ জনের মধ্যে ৮ জন সাঁতরে বা অন্যভাবে তীরে উঠেছেন। নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, নিখোঁজ দুজনের সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া ট্রলারটিও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
রাজধানী ঢাকায় সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় একটি নতুন ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১০ আরোহীর মধ্যে ৮ জন প্রাণে রক্ষা পেলেও ২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কড্ডাবাজার থেকে তৈরি সম্পূর্ণ নতুন ট্রলারটি কুমিল্লার মুরাদনগর নেওয়া হচ্ছিল। সদরঘাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটির প্রপেলার কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে যায়। এতে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে ট্রলারটি নদীর মধ্যে স্থির হয়ে পড়ে। এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।
এদিকে ট্রলারডুবির খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিসহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ট্রলারে থাকা ১০ জনের মধ্যে ৮ জন সাঁতরে বা অন্যভাবে তীরে উঠেছেন। নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, নিখোঁজ দুজনের সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া ট্রলারটিও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’