
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:৪৬
বরিশালে মেম্বরের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার। সমাজমাধ্যম নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড়।
বরিশালে এবার খোদ জনপ্রতিনিধির বাসা থেকে ডিজেল এবং সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শনিবার মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুমন ঘরামি ওরফে সুমন মেম্বরের বাসা থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধার প্রশাসনকে যেমন অবাক করে দিয়েছে, তেমনই স্থানীয় নাগরিকসমাজকে সংক্ষুব্ধ করে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে লজ্জিত ও বিব্রত নেটিজেনরা সমাজমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন নেতিবাচক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায়।
মুলাদী উপজেলা প্রশাসন বলছে, চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সুমন ঘরামি এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখন সুমনের বাসা থেকে ২০০ লিটার ডিজেল ও এক টন সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার করা হলেও তার ভাই বাচ্চুর গোয়ালঘর থেকে আরো ৬০০ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়। জনপ্রতিনিধি সুমন এবং তার ভাই বাচ্চুর ডিজেল ও চাল মজুতের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত হয় ‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা’ (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরাগ সাহার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এবং এই ঘটনায় সুমন মেম্বরকে রেহাই দেওয়া হলেও তারই ভাই বাচ্চু আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ৮০০ লিটার ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়াসহ চাল মজুতে কোনো অনিয়ম আছে কী না তা খতিয়ে দেখতে চাইছে প্রশাসন। যদিও এই চাল ক্রয় সংক্রান্ত তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি, ফলে প্রশাসনের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
স্থানীয় ভোটারেরা বলছেন, মেম্বর সুমনসহ দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল মজুত করার উদ্দেশ ছিল বাজারে জ¦ালানির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত অর্থ আয়ের ধান্ধা। কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের সেই অনৈতিক আশা আর পূর্ণ হয়নি, বরং জনপ্রতিনিধির নোংরা রূপ প্রকাশ্যে এসেছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ জানিয়েছে, সুমন মেম্বর এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এই ঘটনায় মেম্বরকে কোনোরূপ শাস্তি না দিলেও বাচ্চুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। এবং বাসা থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধারের ঘটনায় মেম্বর সুমন বৈধ কাগজপত্র উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মজুত চালের উৎস্য কি তা খুঁজে দেখতে তৎপরতা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জনপ্রতিনিধি হয়ে সুমন মেম্বর ডিজেল এবং চাল মজুত করে জনবিরোধী কর্মকান্ড তৈরি করেছেন তা চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারও দাবি করেছেন। একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে সরকারি চাল থাকার কথা নয়, কি ভাবে এবং কোথা থেকে আসল তা প্রশাসনের তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিৎ, মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান।
সুমন মেম্বর এবং তার ভাইয়ের হেফাজত থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধারের ঘটনা মুলাদী উপজেলা প্রশাসনকেও ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা চালের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উদ্ধার করা ডিজেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।
জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘটনার ভিডিওচিত্র এবং ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সুমন মেম্বরের চৌদ্দগোষ্ঠীকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এবং ধান্ধাবাজ-টাউট-বদমাইশ জনপ্রতিনিধিদের চিহ্নিত করে পদ থেকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি বলে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।’
বরিশালে মেম্বরের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার। সমাজমাধ্যম নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড়।
বরিশালে এবার খোদ জনপ্রতিনিধির বাসা থেকে ডিজেল এবং সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শনিবার মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুমন ঘরামি ওরফে সুমন মেম্বরের বাসা থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধার প্রশাসনকে যেমন অবাক করে দিয়েছে, তেমনই স্থানীয় নাগরিকসমাজকে সংক্ষুব্ধ করে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে লজ্জিত ও বিব্রত নেটিজেনরা সমাজমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন নেতিবাচক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায়।
মুলাদী উপজেলা প্রশাসন বলছে, চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সুমন ঘরামি এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখন সুমনের বাসা থেকে ২০০ লিটার ডিজেল ও এক টন সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার করা হলেও তার ভাই বাচ্চুর গোয়ালঘর থেকে আরো ৬০০ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়। জনপ্রতিনিধি সুমন এবং তার ভাই বাচ্চুর ডিজেল ও চাল মজুতের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত হয় ‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা’ (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরাগ সাহার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এবং এই ঘটনায় সুমন মেম্বরকে রেহাই দেওয়া হলেও তারই ভাই বাচ্চু আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ৮০০ লিটার ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়াসহ চাল মজুতে কোনো অনিয়ম আছে কী না তা খতিয়ে দেখতে চাইছে প্রশাসন। যদিও এই চাল ক্রয় সংক্রান্ত তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি, ফলে প্রশাসনের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
স্থানীয় ভোটারেরা বলছেন, মেম্বর সুমনসহ দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল মজুত করার উদ্দেশ ছিল বাজারে জ¦ালানির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত অর্থ আয়ের ধান্ধা। কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের সেই অনৈতিক আশা আর পূর্ণ হয়নি, বরং জনপ্রতিনিধির নোংরা রূপ প্রকাশ্যে এসেছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ জানিয়েছে, সুমন মেম্বর এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এই ঘটনায় মেম্বরকে কোনোরূপ শাস্তি না দিলেও বাচ্চুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। এবং বাসা থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধারের ঘটনায় মেম্বর সুমন বৈধ কাগজপত্র উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মজুত চালের উৎস্য কি তা খুঁজে দেখতে তৎপরতা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জনপ্রতিনিধি হয়ে সুমন মেম্বর ডিজেল এবং চাল মজুত করে জনবিরোধী কর্মকান্ড তৈরি করেছেন তা চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারও দাবি করেছেন। একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে সরকারি চাল থাকার কথা নয়, কি ভাবে এবং কোথা থেকে আসল তা প্রশাসনের তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিৎ, মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান।
সুমন মেম্বর এবং তার ভাইয়ের হেফাজত থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধারের ঘটনা মুলাদী উপজেলা প্রশাসনকেও ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা চালের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উদ্ধার করা ডিজেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।
জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘটনার ভিডিওচিত্র এবং ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সুমন মেম্বরের চৌদ্দগোষ্ঠীকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এবং ধান্ধাবাজ-টাউট-বদমাইশ জনপ্রতিনিধিদের চিহ্নিত করে পদ থেকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি বলে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।’
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.