Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:৪৬
বরিশালে মেম্বরের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার। সমাজমাধ্যম নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড়।
বরিশালে এবার খোদ জনপ্রতিনিধির বাসা থেকে ডিজেল এবং সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শনিবার মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুমন ঘরামি ওরফে সুমন মেম্বরের বাসা থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধার প্রশাসনকে যেমন অবাক করে দিয়েছে, তেমনই স্থানীয় নাগরিকসমাজকে সংক্ষুব্ধ করে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে লজ্জিত ও বিব্রত নেটিজেনরা সমাজমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন নেতিবাচক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায়।
মুলাদী উপজেলা প্রশাসন বলছে, চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সুমন ঘরামি এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখন সুমনের বাসা থেকে ২০০ লিটার ডিজেল ও এক টন সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার করা হলেও তার ভাই বাচ্চুর গোয়ালঘর থেকে আরো ৬০০ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়। জনপ্রতিনিধি সুমন এবং তার ভাই বাচ্চুর ডিজেল ও চাল মজুতের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত হয় ‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা’ (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরাগ সাহার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এবং এই ঘটনায় সুমন মেম্বরকে রেহাই দেওয়া হলেও তারই ভাই বাচ্চু আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ৮০০ লিটার ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়াসহ চাল মজুতে কোনো অনিয়ম আছে কী না তা খতিয়ে দেখতে চাইছে প্রশাসন। যদিও এই চাল ক্রয় সংক্রান্ত তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি, ফলে প্রশাসনের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
স্থানীয় ভোটারেরা বলছেন, মেম্বর সুমনসহ দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল মজুত করার উদ্দেশ ছিল বাজারে জ¦ালানির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত অর্থ আয়ের ধান্ধা। কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের সেই অনৈতিক আশা আর পূর্ণ হয়নি, বরং জনপ্রতিনিধির নোংরা রূপ প্রকাশ্যে এসেছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ জানিয়েছে, সুমন মেম্বর এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এই ঘটনায় মেম্বরকে কোনোরূপ শাস্তি না দিলেও বাচ্চুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। এবং বাসা থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধারের ঘটনায় মেম্বর সুমন বৈধ কাগজপত্র উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মজুত চালের উৎস্য কি তা খুঁজে দেখতে তৎপরতা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জনপ্রতিনিধি হয়ে সুমন মেম্বর ডিজেল এবং চাল মজুত করে জনবিরোধী কর্মকান্ড তৈরি করেছেন তা চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারও দাবি করেছেন। একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে সরকারি চাল থাকার কথা নয়, কি ভাবে এবং কোথা থেকে আসল তা প্রশাসনের তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিৎ, মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান।
সুমন মেম্বর এবং তার ভাইয়ের হেফাজত থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধারের ঘটনা মুলাদী উপজেলা প্রশাসনকেও ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা চালের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উদ্ধার করা ডিজেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।
জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘটনার ভিডিওচিত্র এবং ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সুমন মেম্বরের চৌদ্দগোষ্ঠীকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এবং ধান্ধাবাজ-টাউট-বদমাইশ জনপ্রতিনিধিদের চিহ্নিত করে পদ থেকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি বলে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।’
বরিশালে মেম্বরের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার। সমাজমাধ্যম নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড়।
বরিশালে এবার খোদ জনপ্রতিনিধির বাসা থেকে ডিজেল এবং সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শনিবার মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুমন ঘরামি ওরফে সুমন মেম্বরের বাসা থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধার প্রশাসনকে যেমন অবাক করে দিয়েছে, তেমনই স্থানীয় নাগরিকসমাজকে সংক্ষুব্ধ করে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে লজ্জিত ও বিব্রত নেটিজেনরা সমাজমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন নেতিবাচক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায়।
মুলাদী উপজেলা প্রশাসন বলছে, চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সুমন ঘরামি এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখন সুমনের বাসা থেকে ২০০ লিটার ডিজেল ও এক টন সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার করা হলেও তার ভাই বাচ্চুর গোয়ালঘর থেকে আরো ৬০০ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়। জনপ্রতিনিধি সুমন এবং তার ভাই বাচ্চুর ডিজেল ও চাল মজুতের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত হয় ‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা’ (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরাগ সাহার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এবং এই ঘটনায় সুমন মেম্বরকে রেহাই দেওয়া হলেও তারই ভাই বাচ্চু আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ৮০০ লিটার ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়াসহ চাল মজুতে কোনো অনিয়ম আছে কী না তা খতিয়ে দেখতে চাইছে প্রশাসন। যদিও এই চাল ক্রয় সংক্রান্ত তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি, ফলে প্রশাসনের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
স্থানীয় ভোটারেরা বলছেন, মেম্বর সুমনসহ দুই ভাইয়ের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল মজুত করার উদ্দেশ ছিল বাজারে জ¦ালানির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত অর্থ আয়ের ধান্ধা। কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের সেই অনৈতিক আশা আর পূর্ণ হয়নি, বরং জনপ্রতিনিধির নোংরা রূপ প্রকাশ্যে এসেছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ জানিয়েছে, সুমন মেম্বর এবং তার ভাই বাচ্চু আলমের হেফাজত থেকে উদ্ধার ডিজেল জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এই ঘটনায় মেম্বরকে কোনোরূপ শাস্তি না দিলেও বাচ্চুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। এবং বাসা থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধারের ঘটনায় মেম্বর সুমন বৈধ কাগজপত্র উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মজুত চালের উৎস্য কি তা খুঁজে দেখতে তৎপরতা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জনপ্রতিনিধি হয়ে সুমন মেম্বর ডিজেল এবং চাল মজুত করে জনবিরোধী কর্মকান্ড তৈরি করেছেন তা চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারও দাবি করেছেন। একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে সরকারি চাল থাকার কথা নয়, কি ভাবে এবং কোথা থেকে আসল তা প্রশাসনের তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিৎ, মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান।
সুমন মেম্বর এবং তার ভাইয়ের হেফাজত থেকে ডিজেল ও চাল উদ্ধারের ঘটনা মুলাদী উপজেলা প্রশাসনকেও ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা চালের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উদ্ধার করা ডিজেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।
জনপ্রতিনিধির এমন জনবিরোধী কর্মকান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘটনার ভিডিওচিত্র এবং ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সুমন মেম্বরের চৌদ্দগোষ্ঠীকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এবং ধান্ধাবাজ-টাউট-বদমাইশ জনপ্রতিনিধিদের চিহ্নিত করে পদ থেকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি বলে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।