Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:৩৯
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’