
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:৩৯
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.