
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৮
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ২ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া বরগুনার ১৭ জন জেলের সন্ধান মিলেছে। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে জানা গেছে, তারা বর্তমানে ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ খবরে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে ফিরেছে আশার আলো।
২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে ‘এফবি এলাহী ভরসা’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৭ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। ১৭ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়। এরপর দীর্ঘ দুই বছর তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জেলা ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ওয়ান) মো. কামরুজ্জামান জানান, সম্প্রতি এসবিতে পাঠানো এক তথ্যে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ বরগুনার ১৭ জন জেলে ভারতের গুজরাটের একটি কারাগারে বন্দি আছেন।
ওই তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ঢাকায় এসবিতে পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিখোঁজ ১৭ জেলের মধ্যে ১৬ জনের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। নলটোনা ইউনিয়নের গাজী মাহমুদ গ্রামের সাতজন হলেন : আবদুর রব মিয়া, মনির হোসেন, খলিলুর রহমান, লিটন হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, মো. কালুমিয়া এবং সিদ্দিক মৃধা।
ঢলুয়া ইউনিয়নের মরখালী গ্রামের নয়জন হলেন : আবদুল খালেক বয়াতি, আউয়াল বিশ্বাস, আল আমিন, নান্টুখান, মো. ইউনুস, মো. সোবাহান খান, মো. মাহতাব, মো. কামাল ও মো. ফারুক। অপর একজন পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
গুজরাট কারাগারে বন্দি জেলে ইউনুস সরদারের মা তারাবানু (৭০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শুনছি আমার পোলাডা ভারতের কারাগারে আটক আছে। দুই বছর ধরে নিখোঁজ ছিল। এই খবর শোনার পর শূন্য বুকটা ভরে উঠছে। কখন পোলাডা বাড়ি ফিরবে, কখন ওর মুখটা ছুঁয়ে দেখব, এই অপেক্ষায় আছি। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর ওর বাবা মারা গেছে। আমরা অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে দিন কাটাই।
আরেক জেলে আল আমিনের স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, দুই বছর তিন মাস পর জানতে পারলাম আমার স্বামী জীবিত, কিন্তু ভারতের কারাগারে বন্দি। পুলিশ আমাদের নাম-ঠিকানা নিয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত তারা দেশে ফিরতে পারবেন এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকি।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ ওই ট্রলারের সব জেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা গুজরাট কারাগারে আছেন। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, সরকার দ্রুত উদ্যোগ নেবে।
নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুজ্জামান মাহফুজ জানান, তার ইউনিয়নের সাতজন জেলে ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন। সম্প্রতি তাদের খোঁজ পাওয়ায় পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
দীর্ঘ দুই বছর পর প্রিয়জনদের জীবিত থাকার খবরে নিখোঁজ পরিবারগুলোর চোখে-মুখে এখন একটাই প্রত্যাশা দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে দ্রুত যেন তাদের স্বজনরা দেশে ফিরতে পারেন।’
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ২ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া বরগুনার ১৭ জন জেলের সন্ধান মিলেছে। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে জানা গেছে, তারা বর্তমানে ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ খবরে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে ফিরেছে আশার আলো।
২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে ‘এফবি এলাহী ভরসা’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৭ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। ১৭ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়। এরপর দীর্ঘ দুই বছর তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জেলা ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ওয়ান) মো. কামরুজ্জামান জানান, সম্প্রতি এসবিতে পাঠানো এক তথ্যে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ বরগুনার ১৭ জন জেলে ভারতের গুজরাটের একটি কারাগারে বন্দি আছেন।
ওই তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ঢাকায় এসবিতে পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিখোঁজ ১৭ জেলের মধ্যে ১৬ জনের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। নলটোনা ইউনিয়নের গাজী মাহমুদ গ্রামের সাতজন হলেন : আবদুর রব মিয়া, মনির হোসেন, খলিলুর রহমান, লিটন হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, মো. কালুমিয়া এবং সিদ্দিক মৃধা।
ঢলুয়া ইউনিয়নের মরখালী গ্রামের নয়জন হলেন : আবদুল খালেক বয়াতি, আউয়াল বিশ্বাস, আল আমিন, নান্টুখান, মো. ইউনুস, মো. সোবাহান খান, মো. মাহতাব, মো. কামাল ও মো. ফারুক। অপর একজন পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
গুজরাট কারাগারে বন্দি জেলে ইউনুস সরদারের মা তারাবানু (৭০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শুনছি আমার পোলাডা ভারতের কারাগারে আটক আছে। দুই বছর ধরে নিখোঁজ ছিল। এই খবর শোনার পর শূন্য বুকটা ভরে উঠছে। কখন পোলাডা বাড়ি ফিরবে, কখন ওর মুখটা ছুঁয়ে দেখব, এই অপেক্ষায় আছি। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর ওর বাবা মারা গেছে। আমরা অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে দিন কাটাই।
আরেক জেলে আল আমিনের স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, দুই বছর তিন মাস পর জানতে পারলাম আমার স্বামী জীবিত, কিন্তু ভারতের কারাগারে বন্দি। পুলিশ আমাদের নাম-ঠিকানা নিয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত তারা দেশে ফিরতে পারবেন এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকি।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ ওই ট্রলারের সব জেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা গুজরাট কারাগারে আছেন। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, সরকার দ্রুত উদ্যোগ নেবে।
নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুজ্জামান মাহফুজ জানান, তার ইউনিয়নের সাতজন জেলে ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন। সম্প্রতি তাদের খোঁজ পাওয়ায় পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
দীর্ঘ দুই বছর পর প্রিয়জনদের জীবিত থাকার খবরে নিখোঁজ পরিবারগুলোর চোখে-মুখে এখন একটাই প্রত্যাশা দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে দ্রুত যেন তাদের স্বজনরা দেশে ফিরতে পারেন।’

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ১৪:২৮
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৪০
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.