
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩০
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.