Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩০
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।