
১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:০৯
তালতলী(বরগুনা)উপজেলা সংবাদদাতাঃ বরগুনার তালতলী উপজেলার কৃষি অফিসের সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে কৃষি পণ্য পরিবহনের জন্য ভ্যান গাড়ী বিতরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা প্রশ্নে জন্ম দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মোঃ ইলিয়াসের যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন রাতের আঁধারে বিতরণ করেছেন।
গত সোমবার (১১ আগষ্ট) রাত ১০ দিকে তালতলী থানা থেকে ১০০ ফুট দূরত্বে বসে গোপনে বিতরণ করা হয়। জানা যায়, এসএসসিপি কস্ট শেয়ারিং প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় পাঁচটি সিএফসি কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
প্রত্যেক কেন্দ্রে সরকারীভাবে এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। ওই বরাদ্দের সাথে কৃষকরা তাদের অর্থ সংযোজন করে কেন্দ্র নির্মাণ করবেন এমন শর্ত জুড়ে দেয়া আছে প্রকল্পের নীতিমালায়। কৃষকরা তাদের কৃষি পণ্য বিক্রির জন্য কেন্দ্রে মজুদ রাখবেন। ওই স্থান থেকে তারা বিক্রেতার কাছে সরবরাহ করবেন।
এ কাজে সহায়তার জন্য সরকার কৃষি উপকরণ টিলার মেশিন, ওয়েট মেশিন, ক্যারোট ও পরিবহন ভ্যান বরাদ্দ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু জাফর ইলিয়াস অর্থের বিনিময়ে ওই সিএফসি কেন্দ্র কৃষকদের মাঝে বরাদ্দ দিয়েছেন। ওই পাঁচটি সিএফসি কেন্দ্রের জন্য পটুয়াখালীতে পাঁচটি পণ্য পরিবহন ভ্যান গাড়ী নির্মাণ করা হয়।
এর মধ্যে তিনটি ভ্যান গাড়ী সোমবার পটুয়াখালী থেকে আনা হয়। ওই ভ্যানগুলো সোমবার রাত দশটার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের ভিতরে বিতরণ না করে দুই কিলোমিটার দূরে তালতলী থানা থেকে ১০০ ফুট দূরত্বে গিয়ে ইব্রাহিম, রাখাইন জোলেন ও আল আমিন নামের তিনজনের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এতে জনমনে নানা প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
প্রত্যক্ষদর্শী বেল্লাল হোসেন ও অপু মিয়া বলেন, এতে কোথাও ঘাবলা আছে। নইলে এতো রাতে কেন কৃষি অফিসের লোকজন তাদের অফিস ছেড়ে লোকালয়ে এসে ভ্যান গাড়ী বিতরণ করবেন। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখলে আসল রহস্য বেড়িয়ে আসবে।
কবিরাজপাড়া সিএফসির পরিচালক রাখাইন জোলেন বলেন, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমাম হোসেন ভ্যান গাড়ী নিতে আমাকে রাত দশটায় এখানে উপস্থিত থাকতে বলেছেন। তাই রাতে গাড়ী নিচ্ছি। তবে কেন তারা এতো রাতে ভ্যান গাড়ী দিয়েছেন তা আমি জানিনা।
তালতলী উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার রাতে ভ্যান গাড়ী কৃষকদের দিতে বলেছেন তাই দিয়েছি। উপজেলা কমপ্লেক্স ছেড়ে এতো দুরে কোন এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি তিনি।
তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর ইলিয়াস অর্থের বিনিময়ে কৃষকদের ভ্যান গাড়ী বিতরণের কথা অস্বীকার করে বলেন, এ ভ্যানগুলো পটুয়াখালী থেকে আসতে রাত হয়েছে, তাই রাতে বিতরন করেছি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে না জানিয়ে কেন ভ্যান গাড়ী বিতরন করেছেন এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালমা বলেন, ভ্যান গাড়ী বিতরনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে রাতে কেন ভ্যান গাড়ী বিতরন করেছেন তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালতলী(বরগুনা)উপজেলা সংবাদদাতাঃ বরগুনার তালতলী উপজেলার কৃষি অফিসের সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে কৃষি পণ্য পরিবহনের জন্য ভ্যান গাড়ী বিতরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা প্রশ্নে জন্ম দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মোঃ ইলিয়াসের যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন রাতের আঁধারে বিতরণ করেছেন।
গত সোমবার (১১ আগষ্ট) রাত ১০ দিকে তালতলী থানা থেকে ১০০ ফুট দূরত্বে বসে গোপনে বিতরণ করা হয়। জানা যায়, এসএসসিপি কস্ট শেয়ারিং প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় পাঁচটি সিএফসি কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
প্রত্যেক কেন্দ্রে সরকারীভাবে এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। ওই বরাদ্দের সাথে কৃষকরা তাদের অর্থ সংযোজন করে কেন্দ্র নির্মাণ করবেন এমন শর্ত জুড়ে দেয়া আছে প্রকল্পের নীতিমালায়। কৃষকরা তাদের কৃষি পণ্য বিক্রির জন্য কেন্দ্রে মজুদ রাখবেন। ওই স্থান থেকে তারা বিক্রেতার কাছে সরবরাহ করবেন।
এ কাজে সহায়তার জন্য সরকার কৃষি উপকরণ টিলার মেশিন, ওয়েট মেশিন, ক্যারোট ও পরিবহন ভ্যান বরাদ্দ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু জাফর ইলিয়াস অর্থের বিনিময়ে ওই সিএফসি কেন্দ্র কৃষকদের মাঝে বরাদ্দ দিয়েছেন। ওই পাঁচটি সিএফসি কেন্দ্রের জন্য পটুয়াখালীতে পাঁচটি পণ্য পরিবহন ভ্যান গাড়ী নির্মাণ করা হয়।
এর মধ্যে তিনটি ভ্যান গাড়ী সোমবার পটুয়াখালী থেকে আনা হয়। ওই ভ্যানগুলো সোমবার রাত দশটার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের ভিতরে বিতরণ না করে দুই কিলোমিটার দূরে তালতলী থানা থেকে ১০০ ফুট দূরত্বে গিয়ে ইব্রাহিম, রাখাইন জোলেন ও আল আমিন নামের তিনজনের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এতে জনমনে নানা প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
প্রত্যক্ষদর্শী বেল্লাল হোসেন ও অপু মিয়া বলেন, এতে কোথাও ঘাবলা আছে। নইলে এতো রাতে কেন কৃষি অফিসের লোকজন তাদের অফিস ছেড়ে লোকালয়ে এসে ভ্যান গাড়ী বিতরণ করবেন। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখলে আসল রহস্য বেড়িয়ে আসবে।
কবিরাজপাড়া সিএফসির পরিচালক রাখাইন জোলেন বলেন, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমাম হোসেন ভ্যান গাড়ী নিতে আমাকে রাত দশটায় এখানে উপস্থিত থাকতে বলেছেন। তাই রাতে গাড়ী নিচ্ছি। তবে কেন তারা এতো রাতে ভ্যান গাড়ী দিয়েছেন তা আমি জানিনা।
তালতলী উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমাম হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার রাতে ভ্যান গাড়ী কৃষকদের দিতে বলেছেন তাই দিয়েছি। উপজেলা কমপ্লেক্স ছেড়ে এতো দুরে কোন এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি তিনি।
তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর ইলিয়াস অর্থের বিনিময়ে কৃষকদের ভ্যান গাড়ী বিতরণের কথা অস্বীকার করে বলেন, এ ভ্যানগুলো পটুয়াখালী থেকে আসতে রাত হয়েছে, তাই রাতে বিতরন করেছি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে না জানিয়ে কেন ভ্যান গাড়ী বিতরন করেছেন এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালমা বলেন, ভ্যান গাড়ী বিতরনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে রাতে কেন ভ্যান গাড়ী বিতরন করেছেন তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.