
০৮ জুন, ২০২৫ ১৬:৫২
মাত্র কয়েকদিন আগেও তাদের ‘বন্ধুত্ব’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অথচ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর সেই দুই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের বিরোধ এখন তুঙ্গে। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকা দূরত্বের গুঞ্জন মুহূর্তেই ‘বাকযুদ্ধ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সবার সামনে।
এরইমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইলন মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ। রোববার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গার্ডিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়েছে কি-না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শনিবার এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তাই মনে করছি।
সেইসঙ্গে মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে চান কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে ‘না না, কখনো না’ বলে দেন।
এছাড়া ২০২৬ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলন মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাটদের অর্থায়ন করেন, তার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, যদি ইলন তা করে, তাহলে তাকে অত্যন্ত করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
অবশ্য কী ধরনের পরিণতি ভোগ করতে পারেন মাস্ক- সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইলন মাস্ককে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।
বিশ্বের ক্ষমতাধর দুই ব্যক্তির মধ্যে বিরোধের বিষয়টি সামনে আসতে শুরু করে গত সপ্তাহে। গত মঙ্গলবার মার্কিন সরকারের কর ও ব্যয় নীতির সমালোচনা করে এটাকে ‘জঘন্য’ অভিহিত করেন মাস্ক।
বুধবার এ নিয়ে গুঞ্জন বাড়ে এবং বৃহস্পতিবার বিকালে এটি ওভাল অফিসে চরম উত্তেজনার বিষয়ে পরিণত হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডারিক মার্জ সেদিনের অতিথি হিসেবে ওভাল অফিসে অস্বস্তিকর নীরবতায় বসে ছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ ছিল প্রত্যাখ্যাত প্রেমিকের মতো!
তার প্রশাসন প্রণীত আইন নিয়ে মাস্কের সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মাস্কের শত শত মিলিয়ন ডলারের সমর্থন না থাকলে তিনি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যেতেন- এ ধারণারও বিরোধিতা করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প এটাও বলেছেন, মাস্ক এখন তার সুর পরিবর্তন করছেন। কারণ, তার গাড়ি কোম্পানি টেসলা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের পেছনে করছাড় বন্ধের বিষয়ে রিপাবলিকানদের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এরপর মাস্ক তার মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্স-এ দ্রুত লিখেছেন, হোয়াটএভার। মানে- যাই হোক না কেন, গাড়ির ভর্তুকি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।
তিনি জাতীয় ঋণ সঙ্কুচিত করতে চান, যেটিকে তিনি জাতির জন্য একটি অস্তিত্বগত হুমকি বলে মনে করছেন।
সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার সাহায্য ছাড়া গত বছরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হয়তো জয় পেতো না।
তিনি ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এত অকৃতজ্ঞতা’। এরপর একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন এই বিলিয়নেয়ার এবং বিবাদ তীব্রভাবে চলতে থাকে। শেষমেশ ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ।
মাত্র কয়েকদিন আগেও তাদের ‘বন্ধুত্ব’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অথচ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর সেই দুই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের বিরোধ এখন তুঙ্গে। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকা দূরত্বের গুঞ্জন মুহূর্তেই ‘বাকযুদ্ধ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সবার সামনে।
এরইমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইলন মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ। রোববার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গার্ডিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়েছে কি-না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শনিবার এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তাই মনে করছি।
সেইসঙ্গে মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে চান কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে ‘না না, কখনো না’ বলে দেন।
এছাড়া ২০২৬ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলন মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাটদের অর্থায়ন করেন, তার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, যদি ইলন তা করে, তাহলে তাকে অত্যন্ত করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
অবশ্য কী ধরনের পরিণতি ভোগ করতে পারেন মাস্ক- সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইলন মাস্ককে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।
বিশ্বের ক্ষমতাধর দুই ব্যক্তির মধ্যে বিরোধের বিষয়টি সামনে আসতে শুরু করে গত সপ্তাহে। গত মঙ্গলবার মার্কিন সরকারের কর ও ব্যয় নীতির সমালোচনা করে এটাকে ‘জঘন্য’ অভিহিত করেন মাস্ক।
বুধবার এ নিয়ে গুঞ্জন বাড়ে এবং বৃহস্পতিবার বিকালে এটি ওভাল অফিসে চরম উত্তেজনার বিষয়ে পরিণত হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডারিক মার্জ সেদিনের অতিথি হিসেবে ওভাল অফিসে অস্বস্তিকর নীরবতায় বসে ছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ ছিল প্রত্যাখ্যাত প্রেমিকের মতো!
তার প্রশাসন প্রণীত আইন নিয়ে মাস্কের সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মাস্কের শত শত মিলিয়ন ডলারের সমর্থন না থাকলে তিনি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যেতেন- এ ধারণারও বিরোধিতা করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প এটাও বলেছেন, মাস্ক এখন তার সুর পরিবর্তন করছেন। কারণ, তার গাড়ি কোম্পানি টেসলা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের পেছনে করছাড় বন্ধের বিষয়ে রিপাবলিকানদের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এরপর মাস্ক তার মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্স-এ দ্রুত লিখেছেন, হোয়াটএভার। মানে- যাই হোক না কেন, গাড়ির ভর্তুকি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।
তিনি জাতীয় ঋণ সঙ্কুচিত করতে চান, যেটিকে তিনি জাতির জন্য একটি অস্তিত্বগত হুমকি বলে মনে করছেন।
সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার সাহায্য ছাড়া গত বছরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হয়তো জয় পেতো না।
তিনি ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এত অকৃতজ্ঞতা’। এরপর একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন এই বিলিয়নেয়ার এবং বিবাদ তীব্রভাবে চলতে থাকে। শেষমেশ ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫১
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩০
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.