Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের রোপণ করা দুটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ঢেপসাবুনিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের লাগানো গাছ দুটি কেটে নেন বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও আ. মান্নান হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার ছগির। পরে শ্রমিক দিয়ে গাছগুলো নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসী বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করা হয় বলে জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ. সোবাহান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. মজিদের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকশ মেহগনি গাছ রোপণ করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার ছগির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই কেটে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাছগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন সেন্টুর জিম্মায় রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের রোপণ করা দুটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ঢেপসাবুনিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের লাগানো গাছ দুটি কেটে নেন বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও আ. মান্নান হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার ছগির। পরে শ্রমিক দিয়ে গাছগুলো নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসী বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করা হয় বলে জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ. সোবাহান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. মজিদের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকশ মেহগনি গাছ রোপণ করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার ছগির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই কেটে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাছগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন সেন্টুর জিম্মায় রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৪
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৫
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১১