
১৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৮
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
ঝালকাঠির ঐতিহাসিক বারচালা ও বড় বাজারসহ ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস সম্পত্তি রক্ষায় ৫১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে টাউন হলের জাতীয়তাবাদী ফোরাম কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক যুবদল সভাপতি ওবায়দুল হক নান্না।
সভায় ঐতিহাসিক বারচালা রক্ষার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহাবুব আলম খান, অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার ও উন্নয়ন কর্মী মো. শাহ আলম খলিফা।
গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রফেসর এস এম শাহজাহানকে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহাবুব আলম খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. শাহ আলম খলিফা, মো. আল আমিন বাকলাই ও কামরুল হাসান খান।
এছাড়া সদস্য সচিব করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদারকে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আইয়ুব খান, জিয়াউল হক শহীদ, আব্দুল কাদের খান, আকবর খলিফা ও মনিরুজ্জামান সোহাগ। এছাড়া অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজাকে আইন উপদেষ্টা করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি অবৈধভাবে অন্য নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে পুনরায় খাস খতিয়ানে ফিরিয়ে আনা, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বারচালা ভেঙে বহুতল মার্কেট নির্মাণের নকশা বাতিলের দাবি জানানো এবং সরকারি খাস জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।
ঝালকাঠির ঐতিহাসিক বারচালা ও বড় বাজারসহ ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস সম্পত্তি রক্ষায় ৫১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে টাউন হলের জাতীয়তাবাদী ফোরাম কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক যুবদল সভাপতি ওবায়দুল হক নান্না।
সভায় ঐতিহাসিক বারচালা রক্ষার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহাবুব আলম খান, অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার ও উন্নয়ন কর্মী মো. শাহ আলম খলিফা।
গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রফেসর এস এম শাহজাহানকে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহাবুব আলম খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. শাহ আলম খলিফা, মো. আল আমিন বাকলাই ও কামরুল হাসান খান।
এছাড়া সদস্য সচিব করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদারকে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আইয়ুব খান, জিয়াউল হক শহীদ, আব্দুল কাদের খান, আকবর খলিফা ও মনিরুজ্জামান সোহাগ। এছাড়া অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজাকে আইন উপদেষ্টা করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি অবৈধভাবে অন্য নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে পুনরায় খাস খতিয়ানে ফিরিয়ে আনা, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বারচালা ভেঙে বহুতল মার্কেট নির্মাণের নকশা বাতিলের দাবি জানানো এবং সরকারি খাস জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১