
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৩
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করেছে সরকার।কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাতে লন্ডনে পৌঁছে এ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, একটা সুখবর আছে, হাই কমিশনার লন্ডনে এতদিন 'ডিভাইসিস বিহেভিয়ারে-কনডাক্টে কমিউনিটিকে ডিভাইড' করে রাখছে। যে আওয়ামী করণ করছে এই হাই কমিশনকে, আওয়ামী করণের ধান্ধা নিয়া চলছে, কমিউনিটির ধান্ধা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাই কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট। সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশি মিশন প্রধানের দায়িত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো বিএনপি।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫-এর জানুয়ারিতে আবিদা ইসলামকে লন্ডনে পাঠায়।
১৫ ব্যাচের পেশাদার কূটনীতিক আবিদা তার আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে আবিদা ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করেছে সরকার।কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাতে লন্ডনে পৌঁছে এ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, একটা সুখবর আছে, হাই কমিশনার লন্ডনে এতদিন 'ডিভাইসিস বিহেভিয়ারে-কনডাক্টে কমিউনিটিকে ডিভাইড' করে রাখছে। যে আওয়ামী করণ করছে এই হাই কমিশনকে, আওয়ামী করণের ধান্ধা নিয়া চলছে, কমিউনিটির ধান্ধা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাই কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট। সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশি মিশন প্রধানের দায়িত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো বিএনপি।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫-এর জানুয়ারিতে আবিদা ইসলামকে লন্ডনে পাঠায়।
১৫ ব্যাচের পেশাদার কূটনীতিক আবিদা তার আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে আবিদা ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় মাছের প্রজনন ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে মৎস্য বিভাগ ইতোমধ্যে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে।
ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলেরা তাদের জাল ও ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে আসছেন। অনেকে ট্রলার মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েন। রিয়াজ ও রাকিব নামের জেলেরা জানান, আমরা সরকারি আইন মেনে সাগরে যাচ্ছি না, কিন্তু এই সময়টাতে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি খাদ্য সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। মো. ফারুক ও হাসান মাঝি নামে কয়েকজন জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই আমাদের সরকারি খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ) প্রদান এবং এই সময়টাতে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
এদিকে, অনেক জেলে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের জেলেরা আইন মানলেও ভারতীয় জেলেরা প্রায়ই অবৈধভাবে জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরে।
হারুন ও তুহিন নামের জেলেরা বলেন, আমরা চাই কঠোর তদারকির মাধ্যমে ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। এতে নিষেধাজ্ঞার পর আমরা সাগরে ভালো মাছ পাব।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিটি নিবন্ধিত জেলেকে পর্যায়ক্রমে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। সাগরের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের এই অভিযান সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন ও টাস্কফোর্স কমিটির মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় মাছের প্রজনন ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে মৎস্য বিভাগ ইতোমধ্যে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে।
ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলেরা তাদের জাল ও ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে আসছেন। অনেকে ট্রলার মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েন। রিয়াজ ও রাকিব নামের জেলেরা জানান, আমরা সরকারি আইন মেনে সাগরে যাচ্ছি না, কিন্তু এই সময়টাতে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি খাদ্য সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। মো. ফারুক ও হাসান মাঝি নামে কয়েকজন জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই আমাদের সরকারি খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ) প্রদান এবং এই সময়টাতে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
এদিকে, অনেক জেলে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের জেলেরা আইন মানলেও ভারতীয় জেলেরা প্রায়ই অবৈধভাবে জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরে।
হারুন ও তুহিন নামের জেলেরা বলেন, আমরা চাই কঠোর তদারকির মাধ্যমে ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। এতে নিষেধাজ্ঞার পর আমরা সাগরে ভালো মাছ পাব।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিটি নিবন্ধিত জেলেকে পর্যায়ক্রমে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। সাগরের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের এই অভিযান সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন ও টাস্কফোর্স কমিটির মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ছেলে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রায় হয়েছে। কিন্তু এই রায় কার্যকর হলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।
একই কথা বলেন বাবা মকবুল হোসেন। রায় নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্টি রয়েছে তাদের মধ্যে । শুধু দুজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও অন্য আসামিদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারত বলে মনে করেন আবু সাঈদের বাবা-মা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু রায়হান বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে যারা যারা জড়িত সকলের ফাঁসি কার্যকর চাই। তাহলে ভাই হত্যার বিচার হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডরা হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন।
এ ছাড়া রায়ে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর রায় ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ হত্যার ভিডিও সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
বরিশাল টাইমস
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ছেলে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রায় হয়েছে। কিন্তু এই রায় কার্যকর হলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।
একই কথা বলেন বাবা মকবুল হোসেন। রায় নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্টি রয়েছে তাদের মধ্যে । শুধু দুজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও অন্য আসামিদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারত বলে মনে করেন আবু সাঈদের বাবা-মা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু রায়হান বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে যারা যারা জড়িত সকলের ফাঁসি কার্যকর চাই। তাহলে ভাই হত্যার বিচার হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডরা হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন।
এ ছাড়া রায়ে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর রায় ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ হত্যার ভিডিও সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.