Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৪
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে মাসুম বেপারী নামের এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দত্তপাড়া গ্রামের সায়েম কাজীর নেতৃত্বে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে চিহৃিত সন্ত্রাসীরা যুবলীগ কর্মী মাসুম বেপারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় আহত করা হয়। গুরুতর আহত মাসুম বেপারী ওই গ্রামের মকবুল বেপারীর ছেলে।
আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৫
বরিশালের গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবাসহ বিক্রেতা হাফিজ সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে। রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের জনৈক সুশান্ত রায়ের সেলুনের দোকানের সামনের ফাঁকা জায়গা থেকে হাফিজ সরদারকে আটক করে তার দেহ তল্লাশী চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হাফিজ পিঙ্গলাকাঠী গ্রামের হানিফ সরদারের ছেলে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানার এসআই মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার বাদি হয়ে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আসামি হাফিজ সরদারের বিরুদ্ধে থানায় মাদকের আরো চারটি মামলা রয়েছে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৭
কুমিল্লায় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার পর বাস স্ট্যান্ডের আকাশে কালো ধোঁয়া দেখে ঘটনাস্থলে এসে তিনটি বাস জ্বলতে দেখেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসিন্দারা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের আগে কয়েকজন মাদকসেবীকে বাস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন তারা। মাদক সেবনের পর বাসে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। বাসগুলো পরিত্যক্ত ছিল বলে ধারণা।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ও কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক বলতে পারেননি তিনি। এই তিনটি বাসের ভেতরের অংশ পুরোপুরি জ্বলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে মাসুম বেপারী নামের এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দত্তপাড়া গ্রামের সায়েম কাজীর নেতৃত্বে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে চিহৃিত সন্ত্রাসীরা যুবলীগ কর্মী মাসুম বেপারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় আহত করা হয়। গুরুতর আহত মাসুম বেপারী ওই গ্রামের মকবুল বেপারীর ছেলে।
আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
বরিশালের গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবাসহ বিক্রেতা হাফিজ সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে। রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের জনৈক সুশান্ত রায়ের সেলুনের দোকানের সামনের ফাঁকা জায়গা থেকে হাফিজ সরদারকে আটক করে তার দেহ তল্লাশী চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হাফিজ পিঙ্গলাকাঠী গ্রামের হানিফ সরদারের ছেলে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানার এসআই মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার বাদি হয়ে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আসামি হাফিজ সরদারের বিরুদ্ধে থানায় মাদকের আরো চারটি মামলা রয়েছে।
কুমিল্লায় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার পর বাস স্ট্যান্ডের আকাশে কালো ধোঁয়া দেখে ঘটনাস্থলে এসে তিনটি বাস জ্বলতে দেখেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসিন্দারা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের আগে কয়েকজন মাদকসেবীকে বাস থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন তারা। মাদক সেবনের পর বাসে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। বাসগুলো পরিত্যক্ত ছিল বলে ধারণা।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ও কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক বলতে পারেননি তিনি। এই তিনটি বাসের ভেতরের অংশ পুরোপুরি জ্বলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৭
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৪