
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।

২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:৫০
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬