
২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৩৪
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত জাহাজমারা সমুদ্র সৈকত এক অনন্য সম্ভাবনার নাম। মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা এলাকাজুরে বিস্তৃত এই সৈকত প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য ঘেরা হলেও এখনও রয়ে গেছে প্রায় অনাবিষ্কৃত।
জাহাজমারা নামটির পেছনে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। প্রায় একশত বছর আগে এ এলাকার উপকূলে একটি বিদেশী জাহাজ ডুবে যায়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আজকের জাহাজমারা নামকরণ। ইতিহাস ও প্রকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব মেলবন্ধন গড়া সৈকতটি স্থানীয়দের মাঝে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেও পর্যটনের দিক দিয়ে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি এখনো।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা, জনমানবহীন শান্ত সৈকতটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় পর্যটকদের মাঝে আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এই সৈকতের বালুচরে দাড়িয়ে সূর্যস্ত দেখার মুহূর্তটা যেন হৃদয় ছুয়ে যায়। লাল কাকড়ায় আচ্ছাদিত পুরো সৈকতটি অনেকটা কল্পনার লাল কাকড়ার রাজ্য মনে হয়, যেখানে প্রকৃতি নিজ হাতে সাজিয়েছে তার অনুপম সৌন্দর্য। সাগরের ঢেউ, বেলাভূমির এক স্বর্গীয় অনুভূতির স্থান। লালচে রঙ যখন ঢেউয়ের সঙ্গে মিশে যায়, তখন প্রকৃতি উপহার দেয় এক অভাবনীয় দৃশ্য।
মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, জাহাজমারা সমুদ্র সৈকত অপার সৌন্দর্যে ঘেরা হলেও নেই পর্যাপ্ত যাতায়াত ব্যবস্থা, মানসম্মত আবাসন সুবিধা বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের দোকান। এছাড়া নেই পর্যটকদের তথ্য সহায়তা কেন্দ্র বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা। ফলে অনেকেই উৎসাহ নিয়ে আসলেও হতাশ হয়ে ফিরে যান। আমি একজন শিক্ষক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব, যেন পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে জাহাজমারাকে একটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে হিসেবে গড়ে তোলা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটকদের জন্য যদি হোটেল, রেস্তোরা, তথ্যকেন্দ্র ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়, তাহলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। শুধু সৌন্দর্য নয় - এটি হতে পারে অর্থনীতির নতুন খোরাক। রাঙ্গাবালীর মতো প্রত্যন্ত এলাকার এমন একটি সম্ভাবনাময় জায়গাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পর্যটন পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে জাহাজমারাকে উন্নয়ন করলে এটি কক্সবাজার বা কুয়াকাটার বিকল্প পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
হোটেল, রেস্ট হাউজ, ওয়াচ টাওয়ার, নিরাপত্তা চৌকি এবং শিশু বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে পর্যটকদের আনাগোনা আরও বাড়বে, যা একদিকে স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সরকারি পর্যটন সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতের দক্ষিণ উপকূলের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে। সঠিক পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাময় স্থানে সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান, বাড়তে পারে স্থানীয় আয় এবং দেশের পর্যটন শিল্পে যুক্ত হতে পারে এক নতুন মাত্রা।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত জাহাজমারা সমুদ্র সৈকত এক অনন্য সম্ভাবনার নাম। মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা এলাকাজুরে বিস্তৃত এই সৈকত প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য ঘেরা হলেও এখনও রয়ে গেছে প্রায় অনাবিষ্কৃত।
জাহাজমারা নামটির পেছনে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। প্রায় একশত বছর আগে এ এলাকার উপকূলে একটি বিদেশী জাহাজ ডুবে যায়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আজকের জাহাজমারা নামকরণ। ইতিহাস ও প্রকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব মেলবন্ধন গড়া সৈকতটি স্থানীয়দের মাঝে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেও পর্যটনের দিক দিয়ে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি এখনো।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা, জনমানবহীন শান্ত সৈকতটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় পর্যটকদের মাঝে আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এই সৈকতের বালুচরে দাড়িয়ে সূর্যস্ত দেখার মুহূর্তটা যেন হৃদয় ছুয়ে যায়। লাল কাকড়ায় আচ্ছাদিত পুরো সৈকতটি অনেকটা কল্পনার লাল কাকড়ার রাজ্য মনে হয়, যেখানে প্রকৃতি নিজ হাতে সাজিয়েছে তার অনুপম সৌন্দর্য। সাগরের ঢেউ, বেলাভূমির এক স্বর্গীয় অনুভূতির স্থান। লালচে রঙ যখন ঢেউয়ের সঙ্গে মিশে যায়, তখন প্রকৃতি উপহার দেয় এক অভাবনীয় দৃশ্য।
মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, জাহাজমারা সমুদ্র সৈকত অপার সৌন্দর্যে ঘেরা হলেও নেই পর্যাপ্ত যাতায়াত ব্যবস্থা, মানসম্মত আবাসন সুবিধা বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের দোকান। এছাড়া নেই পর্যটকদের তথ্য সহায়তা কেন্দ্র বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা। ফলে অনেকেই উৎসাহ নিয়ে আসলেও হতাশ হয়ে ফিরে যান। আমি একজন শিক্ষক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব, যেন পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে জাহাজমারাকে একটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে হিসেবে গড়ে তোলা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটকদের জন্য যদি হোটেল, রেস্তোরা, তথ্যকেন্দ্র ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়, তাহলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। শুধু সৌন্দর্য নয় - এটি হতে পারে অর্থনীতির নতুন খোরাক। রাঙ্গাবালীর মতো প্রত্যন্ত এলাকার এমন একটি সম্ভাবনাময় জায়গাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পর্যটন পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে জাহাজমারাকে উন্নয়ন করলে এটি কক্সবাজার বা কুয়াকাটার বিকল্প পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
হোটেল, রেস্ট হাউজ, ওয়াচ টাওয়ার, নিরাপত্তা চৌকি এবং শিশু বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে পর্যটকদের আনাগোনা আরও বাড়বে, যা একদিকে স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সরকারি পর্যটন সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতের দক্ষিণ উপকূলের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে। সঠিক পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাময় স্থানে সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান, বাড়তে পারে স্থানীয় আয় এবং দেশের পর্যটন শিল্পে যুক্ত হতে পারে এক নতুন মাত্রা।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.