Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৫১
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ছাত্রসংসদ নির্বাচন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশ করেছে। খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ টি এবং প্রত্যেকটি হল সংসদে ১৫টি করে পদ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ববিতে হল রয়েছে চারটি। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, হল সংসদে ১৫টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে হল প্রভোস্ট পদাধিকার বলে সভাপতি হবেন।
খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে দ্বিতীয় বা তার অধিক স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, সান্ধ্যকালীন, নির্বাহী, বিশেষ মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি, ডিপ্লোমা বা ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
এদিকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের খবরে বর্তমানে ববিতে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অসংখ্য শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এসব ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভোট বাগাতে কৌশলে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। এরমধ্যে পাঠচক্র, ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটগ্রহণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ দাবি আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যদিয়ে নিজ দলের পরিচিতি বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
জমজমাট হয়ে উঠছে ববির ক্যাফেটেরিয়াসহ চায়ের দোকান থেকে পড়ার টেবিল। ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক আইডিসহ ববি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে চলছে আলোচনা।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের প্যানেল দেওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ববির ছাত্রদল নেতা মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ছাত্রদল সব সময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে চলেছি।আমাদের কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়াসহ নিজেরা আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিত মুখ দিয়েই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার সাথে সংগতি রেখে বিগত দিনে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যারা সক্রিয় ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যারা শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে যারা লড়াই করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।এমন একদল কমিটেড মানুষ নিয়ে আমরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, আমরা প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে যাবো।আমাদের প্যানেলে সংগঠন বা সংগঠনের বাহিরের যারা শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদেরকেও যুক্ত করব। শুধু নিজেদের সংগঠনের নয়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীরাও আমাদের প্যানেলে থেকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আমিনুল ইসলামের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোকাব্বেল শেখ বলেন, ইনক্লুসিভ প্যানেল হবে।যেখানে সবাই থাকবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ছাত্রসংসদ নির্বাচন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশ করেছে। খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ টি এবং প্রত্যেকটি হল সংসদে ১৫টি করে পদ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ববিতে হল রয়েছে চারটি। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, হল সংসদে ১৫টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে হল প্রভোস্ট পদাধিকার বলে সভাপতি হবেন।
খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে দ্বিতীয় বা তার অধিক স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, সান্ধ্যকালীন, নির্বাহী, বিশেষ মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি, ডিপ্লোমা বা ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
এদিকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের খবরে বর্তমানে ববিতে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অসংখ্য শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এসব ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভোট বাগাতে কৌশলে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। এরমধ্যে পাঠচক্র, ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটগ্রহণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ দাবি আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যদিয়ে নিজ দলের পরিচিতি বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
জমজমাট হয়ে উঠছে ববির ক্যাফেটেরিয়াসহ চায়ের দোকান থেকে পড়ার টেবিল। ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক আইডিসহ ববি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে চলছে আলোচনা।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের প্যানেল দেওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ববির ছাত্রদল নেতা মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ছাত্রদল সব সময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে চলেছি।আমাদের কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়াসহ নিজেরা আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিত মুখ দিয়েই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার সাথে সংগতি রেখে বিগত দিনে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যারা সক্রিয় ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যারা শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে যারা লড়াই করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।এমন একদল কমিটেড মানুষ নিয়ে আমরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, আমরা প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে যাবো।আমাদের প্যানেলে সংগঠন বা সংগঠনের বাহিরের যারা শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদেরকেও যুক্ত করব। শুধু নিজেদের সংগঠনের নয়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীরাও আমাদের প্যানেলে থেকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আমিনুল ইসলামের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোকাব্বেল শেখ বলেন, ইনক্লুসিভ প্যানেল হবে।যেখানে সবাই থাকবে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।