১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২৩
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৯
প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।
শুক্রবার( ১৪ আগস্ট) রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মনির হাওলাদার (হাসান)। তিনি নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের মৃত জৈনদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে,২০১৫ সালের একটি জিআর-১৪ (ঝালঃ) মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের সময় প্রায় দুই বছর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, জেল থেকে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।
শুক্রবার( ১৪ আগস্ট) রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মনির হাওলাদার (হাসান)। তিনি নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের মৃত জৈনদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে,২০১৫ সালের একটি জিআর-১৪ (ঝালঃ) মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের সময় প্রায় দুই বছর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, জেল থেকে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১২ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৪১
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার(১১ আগস্ট)ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।
বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার(১১ আগস্ট)ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।
বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।