ভোলার লালমোহন উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে প্রতি বছরের ন্যায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে ‘লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪৫টি জিপিএ-৫ সহ প্রতি বছরের মতো পুরো জেলার মধ্যে শতভাগ পাসের সাফল্য ধরে রেখেছেন।
এ ছাড়া এ ফলাফলে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৮ জন শিক্ষার্থী এ গ্রেড ও ২ জন শিক্ষার্থী এ- পেয়েছেন। এ বিষয়ে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের এখানে রয়েছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা বিষয়ভিত্তিক মেধাবী এক ঝাঁক শিক্ষক।
তাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করানো হয়। পড়ালেখার পাশাপাশি আমরা শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও বদ্ধপরিকর। আশা করছি আমাদের এসব শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা অর্জন শেষে আগামী দিনে নিজেদের দেশের কল্যাণে ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত রাখবে। অপরদিকে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার এই ফলাফলে লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন এবং ফেল করেছেন ৬৪ জন শিক্ষার্থী। লালমোহন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০ জন, ফেল করেছেন ৬২ জন শিক্ষার্থী। কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ৪৬ জন।
ফুলবাগিচা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৩১ জন। গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৩৭ জন। গজারিয়া গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ২১ জন।
এছাড়া দ্বীপ শিখা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ৪২ জন। দেবিরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন এবং ফেল করছেন ৩৬ জন। আশ্রাফনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ১৫ জন শিক্ষার্থী।
হাজিরহাট টিএ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৩৬ জন। জনতা বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ২৬ জন। অন্যদিকে, লর্ডহার্ডিঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৫০ জন। ধলীগৌরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৯২ জন।
ডাওরী হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৭৩ জন। করিমগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ১১ জন। চতলা মোহাম্মদীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৫১ জন। রায়চাঁদ উদয় চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৫৬ জন।
এদিকে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ লালমোহন উপজেলার সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ। তিনি জানান, আমরা এই পরীক্ষাটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি। তবে এই পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের অনুরোধ করবো আরো ভালো করে পড়ালেখা করে আগামী বছরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১০ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে প্রতি বছরের ন্যায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে ‘লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪৫টি জিপিএ-৫ সহ প্রতি বছরের মতো পুরো জেলার মধ্যে শতভাগ পাসের সাফল্য ধরে রেখেছেন।
এ ছাড়া এ ফলাফলে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৮ জন শিক্ষার্থী এ গ্রেড ও ২ জন শিক্ষার্থী এ- পেয়েছেন। এ বিষয়ে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের এখানে রয়েছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা বিষয়ভিত্তিক মেধাবী এক ঝাঁক শিক্ষক।
তাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করানো হয়। পড়ালেখার পাশাপাশি আমরা শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও বদ্ধপরিকর। আশা করছি আমাদের এসব শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা অর্জন শেষে আগামী দিনে নিজেদের দেশের কল্যাণে ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত রাখবে। অপরদিকে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার এই ফলাফলে লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন এবং ফেল করেছেন ৬৪ জন শিক্ষার্থী। লালমোহন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০ জন, ফেল করেছেন ৬২ জন শিক্ষার্থী। কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ৪৬ জন।
ফুলবাগিচা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৩১ জন। গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৩৭ জন। গজারিয়া গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ২১ জন।
এছাড়া দ্বীপ শিখা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন এবং ফেল করেছেন ৪২ জন। দেবিরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন এবং ফেল করছেন ৩৬ জন। আশ্রাফনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ১৫ জন শিক্ষার্থী।
হাজিরহাট টিএ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৩৬ জন। জনতা বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ২৬ জন। অন্যদিকে, লর্ডহার্ডিঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৫০ জন। ধলীগৌরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৯২ জন।
ডাওরী হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৭৩ জন। করিমগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ১১ জন। চতলা মোহাম্মদীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ৫১ জন। রায়চাঁদ উদয় চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন এবং ফেল করেছেন ৫৬ জন।
এদিকে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ লালমোহন উপজেলার সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ। তিনি জানান, আমরা এই পরীক্ষাটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি। তবে এই পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের অনুরোধ করবো আরো ভালো করে পড়ালেখা করে আগামী বছরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১