
০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৬
চলমান ইরান যুদ্ধের উত্তাপ বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাজ্যজুড়ে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে মাত্র দুই দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে এক ধরণের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ন্যাশনাল গ্যাসের প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাজ্যের গ্যাসের মজুদ ছিল ১৮,০০০ গিগাওয়াট আওয়ার (জিডাব্লিউএইচ), যা বর্তমানে কমে ৬,৭০০ গিগাওয়াট আওয়ারে নেমে এসেছে। এই পরিমাণ গ্যাস দেশটির মাত্র দেড় দিনের চাহিদার সমান। তবে একই পরিমাণ গ্যাস তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবে সংরক্ষিত আছে। তুলনায় ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের অস্থিরতা সামাল দেওয়ার জন্য অনেক বেশি প্রস্তুত; তাদের কাছে কয়েক সপ্তাহের গ্যাস মজুদ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই দুর্বল পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দেশটির কোনো উপায় নেই জেনেই ব্যবসায়ীরা ইউরোপীয় প্রতিযোগীদের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। ফলে বর্তমানে যুক্তরাজ্য ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে পাইকারি গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ হলো হরমুজ প্রণালীর প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল পরিবহন করা হয়। এছাড়া কিছু অঞ্চলে উৎপাদন বন্ধ থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানি বোমাবর্ষণের শিকার হওয়ার পর, কাতার এই সপ্তাহের শুরুতে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র 'রাস লাফান'-এ উৎপাদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।এ বিষয়ে কমোডিটি ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'আর্গাস মিডিয়া'-এর গ্যাস প্রাইসিং বিভাগের প্রধান নাতাশা ফিল্ডিং বলেন, ‘ইউরোপের প্রায় যেকোনো জায়গার তুলনায় যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় ব্রিটেনের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত গ্যাসের মজুদ না থাকায় এবং নতুন সরবরাহের অনিশ্চয়তায় আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি।
বরিশাল টাইমস
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ছবি : সংগৃহীত
চলমান ইরান যুদ্ধের উত্তাপ বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাজ্যজুড়ে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে মাত্র দুই দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে এক ধরণের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ন্যাশনাল গ্যাসের প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাজ্যের গ্যাসের মজুদ ছিল ১৮,০০০ গিগাওয়াট আওয়ার (জিডাব্লিউএইচ), যা বর্তমানে কমে ৬,৭০০ গিগাওয়াট আওয়ারে নেমে এসেছে। এই পরিমাণ গ্যাস দেশটির মাত্র দেড় দিনের চাহিদার সমান। তবে একই পরিমাণ গ্যাস তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবে সংরক্ষিত আছে। তুলনায় ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের অস্থিরতা সামাল দেওয়ার জন্য অনেক বেশি প্রস্তুত; তাদের কাছে কয়েক সপ্তাহের গ্যাস মজুদ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই দুর্বল পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দেশটির কোনো উপায় নেই জেনেই ব্যবসায়ীরা ইউরোপীয় প্রতিযোগীদের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। ফলে বর্তমানে যুক্তরাজ্য ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে পাইকারি গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ হলো হরমুজ প্রণালীর প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যে পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল পরিবহন করা হয়। এছাড়া কিছু অঞ্চলে উৎপাদন বন্ধ থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ইরানি বোমাবর্ষণের শিকার হওয়ার পর, কাতার এই সপ্তাহের শুরুতে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র 'রাস লাফান'-এ উৎপাদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।এ বিষয়ে কমোডিটি ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'আর্গাস মিডিয়া'-এর গ্যাস প্রাইসিং বিভাগের প্রধান নাতাশা ফিল্ডিং বলেন, ‘ইউরোপের প্রায় যেকোনো জায়গার তুলনায় যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় ব্রিটেনের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত গ্যাসের মজুদ না থাকায় এবং নতুন সরবরাহের অনিশ্চয়তায় আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩০
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনো ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫২
ব্রাজিলের একটি মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও লেডি বাইকার কার্লা থাইনারা। ২৫ বছর বয়সী এই তরুণীর মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটে যায় আরও এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি।
মেয়ের নিথর দেহ দেখে শোক সইতে না পেরে ঘটনাস্থলেই আত্মহত্যা করেছেন তার বাবা জোসে কার্লোস আন্দ্রে নোগুইরা। পেশায় একজন রিজার্ভ সামরিক পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সন্তানের অকালমৃত্যু মেনে নেওয়ার শক্তি হারান তিনি।
গত মঙ্গলবার সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় একটি গাড়ির সঙ্গে কার্লার সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে পেছন থেকে আসা অন্য একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন তার বাবা। কিন্তু মেয়ের নিথর দেহ দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে নিজের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্লা থাইনারা বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে বাইক চালানো, ভ্রমণ এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো তিনি তার ৬০ হাজারের বেশি অনুসারীর সঙ্গে শেয়ার করতেন।
ব্যক্তিজীবনে এক কন্যাসন্তানের জননী এই তরুণীর এমন আকস্মিক বিদায়ে এবং তার বাবার শোকার্ত পরিণতিতে পুরো এলাকায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ব্রাজিলের একটি মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও লেডি বাইকার কার্লা থাইনারা। ২৫ বছর বয়সী এই তরুণীর মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটে যায় আরও এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি।
মেয়ের নিথর দেহ দেখে শোক সইতে না পেরে ঘটনাস্থলেই আত্মহত্যা করেছেন তার বাবা জোসে কার্লোস আন্দ্রে নোগুইরা। পেশায় একজন রিজার্ভ সামরিক পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সন্তানের অকালমৃত্যু মেনে নেওয়ার শক্তি হারান তিনি।
গত মঙ্গলবার সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় একটি গাড়ির সঙ্গে কার্লার সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে পেছন থেকে আসা অন্য একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন তার বাবা। কিন্তু মেয়ের নিথর দেহ দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে নিজের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্লা থাইনারা বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে বাইক চালানো, ভ্রমণ এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো তিনি তার ৬০ হাজারের বেশি অনুসারীর সঙ্গে শেয়ার করতেন।
ব্যক্তিজীবনে এক কন্যাসন্তানের জননী এই তরুণীর এমন আকস্মিক বিদায়ে এবং তার বাবার শোকার্ত পরিণতিতে পুরো এলাকায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৯
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নিয়োগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘সন্তুষ্ট নন’। ট্রাম্পের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণার পর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। ট্রাম্প তাকে বলেছেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই।’
এ বিষয়ে কিলমিড আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি। অন্যদিকে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।গতকাল রবিবার (৮ মার্চ) মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস তাকে এ পদে নির্বাচন করেছে। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নিয়োগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘সন্তুষ্ট নন’। ট্রাম্পের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণার পর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। ট্রাম্প তাকে বলেছেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই।’
এ বিষয়ে কিলমিড আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি। অন্যদিকে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।গতকাল রবিবার (৮ মার্চ) মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস তাকে এ পদে নির্বাচন করেছে। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩১