
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৭
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৬
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৫
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদের গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব। শনিবার বিকেলে তাহসান কালের কণ্ঠকে বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য।
আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
জানা গেছে, গত জুলাই-এর শেষভাগ থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না।
বিয়ের হিসেবে দুজনের একসঙ্গে থাকার বছরও গড়াল না। কদিন আগে রোজা আহমেদ বিবাহবার্ষিকীর একটি কেক শেয়ার করেন। সেখানে তার পরিহিত পোশাক ও লুক বিস্মিত করে নেটিজেনদের। রোজার পোশাক নিয়েও তৈরি হয় আলোচনা। এসবের মাঝেই গুজব ছড়ায়।
একটি শ্রেণী মনে করছিলেন তাহসান ও রোজা ভিন্নপথে চলছেন। সে কথাকেই সত্য হিসেবে তাহসান দিলেন সিলমোহর।
মূলত তাহসান এ বিষয়ে পরিস্কার করতে চাইলেন এ বিষয়টি যে কেক-এর ছবি রোজা শেয়ার করেছেন আর তা নিয়ে বিবাহবার্ষিকী উল্লেখ করে দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো যে খবর প্রকাশ করেছেন তা সত্য নয় এবং অনুমান নির্ভর। কেননা তার ৬ মাস আগে থেকে রোজার সঙ্গে তিনি থাকছেন না।
তাহসান বলছেন, ‘আমরা একসঙ্গে থাকছি না, এর বেশি বলার জন্য এটা যথোপযুক্ত সময় নয় । তবে সঠিক টাইমে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলবো।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদের গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব। শনিবার বিকেলে তাহসান কালের কণ্ঠকে বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য।
আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
জানা গেছে, গত জুলাই-এর শেষভাগ থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না।
বিয়ের হিসেবে দুজনের একসঙ্গে থাকার বছরও গড়াল না। কদিন আগে রোজা আহমেদ বিবাহবার্ষিকীর একটি কেক শেয়ার করেন। সেখানে তার পরিহিত পোশাক ও লুক বিস্মিত করে নেটিজেনদের। রোজার পোশাক নিয়েও তৈরি হয় আলোচনা। এসবের মাঝেই গুজব ছড়ায়।
একটি শ্রেণী মনে করছিলেন তাহসান ও রোজা ভিন্নপথে চলছেন। সে কথাকেই সত্য হিসেবে তাহসান দিলেন সিলমোহর।
মূলত তাহসান এ বিষয়ে পরিস্কার করতে চাইলেন এ বিষয়টি যে কেক-এর ছবি রোজা শেয়ার করেছেন আর তা নিয়ে বিবাহবার্ষিকী উল্লেখ করে দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো যে খবর প্রকাশ করেছেন তা সত্য নয় এবং অনুমান নির্ভর। কেননা তার ৬ মাস আগে থেকে রোজার সঙ্গে তিনি থাকছেন না।
তাহসান বলছেন, ‘আমরা একসঙ্গে থাকছি না, এর বেশি বলার জন্য এটা যথোপযুক্ত সময় নয় । তবে সঠিক টাইমে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলবো।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.