
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৭
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ইকরার আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে।
পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল।
১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী-ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।
ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ইকরার আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে।
পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল।
১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী-ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৭
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮