ছবি: সংগৃহীত
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনীর সদস্যরা ১১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। অভিযানে সহায়তা করতে যাওয়া মৎস্য বিভাগের একটি স্পিডবোটও হামলার শিকার হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চরজানপুর এলাকার মেঘনা নদীর ৭ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় দিনে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় সুত্রে জানান গেছে , প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় মেঘনায় টহল দেওয়ার সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ ধরতে যাওয়া একদল জেলের মুখোমুখি হন অভিযানকারী সদস্যরা। একপর্যায়ে জেলেদের একটি দল টহল দলের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিজেদের সুরক্ষায় কোস্ট গার্ড সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। পরে ১১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান জানান, নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরার তৎপরতা তুলনামূলক কম থাকলেও পরদিন কিছু জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করেন। এদিকে নৌ পুলিশের পৃথক অভিযানে ১০ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আটটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে গত ৮ অক্টোবর থেকে সারা দেশে ২২ দিনের জন্য মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এ সময়ে নদ-নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হিজলায় নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৪
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের হবিনগর-ঝুনাহার গ্রামে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও ইলিশ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আড়িয়াল খাঁ ও কালাবদর নদী সংলগ্ন ওই এলাকায় ৩৫ থেকে ৪০ জন জেলে মাছ শিকার করছেন। পরে সেসব মাছ প্রকাশ্যে প্রতি কেজি ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে হবিনগর ঝুনাহার গ্রামের রসুল মেম্বারের দোকানসংলগ্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, নদীতে অভিযান চলমান থাকার মধ্যেও কিছুক্ষণ পরপর মাছ শিকারে নামছেন। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এভাবে মাছ ধরা ও বিক্রি চলতে থাকায় মা ইলিশ সংরক্ষণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ। এ সময়ে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াজুল ইসলাম সপন বলেন, ‘সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করা উচিত নয়। বিষয়টি দুঃখজনক। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের পাশাপাশি অন্য পেশার লোকজনও ট্রলার নিয়ে নদীতে নামেন। মা ইলিশ শিকারের লোভে তাঁরা এ কাজ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার জানামতে, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আপস না করে এ সময়ে কোনো জেলের নদীতে জাল ফেলার সুযোগ নেই। এমন অভিযোগও রয়েছে, জাল জব্দ করার পর তা আবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। মা ইলিশ শিকারের এই চক্র কবে বন্ধ হবে, সেটাই প্রশ্ন।’
হবিনগর এলাকার ২৮ নম্বর হবিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘জেলেরা এই সময়টির জন্য অপেক্ষা করেন। স্কুলে শিশুদের জিজ্ঞেস করি, তারা কী দিয়ে ভাত খেয়েছে। তখন কেউ কেউ বলে, ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত খেয়েছে।
বরিশাল সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করেছেন। এ ধরনের ঘটনার খবর পেলে তাঁকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। এ ছাড়া নদীতে টহল অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের হবিনগর-ঝুনাহার গ্রামে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও ইলিশ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আড়িয়াল খাঁ ও কালাবদর নদী সংলগ্ন ওই এলাকায় ৩৫ থেকে ৪০ জন জেলে মাছ শিকার করছেন। পরে সেসব মাছ প্রকাশ্যে প্রতি কেজি ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে হবিনগর ঝুনাহার গ্রামের রসুল মেম্বারের দোকানসংলগ্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, নদীতে অভিযান চলমান থাকার মধ্যেও কিছুক্ষণ পরপর মাছ শিকারে নামছেন। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এভাবে মাছ ধরা ও বিক্রি চলতে থাকায় মা ইলিশ সংরক্ষণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ। এ সময়ে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াজুল ইসলাম সপন বলেন, ‘সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করা উচিত নয়। বিষয়টি দুঃখজনক। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের পাশাপাশি অন্য পেশার লোকজনও ট্রলার নিয়ে নদীতে নামেন। মা ইলিশ শিকারের লোভে তাঁরা এ কাজ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার জানামতে, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আপস না করে এ সময়ে কোনো জেলের নদীতে জাল ফেলার সুযোগ নেই। এমন অভিযোগও রয়েছে, জাল জব্দ করার পর তা আবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। মা ইলিশ শিকারের এই চক্র কবে বন্ধ হবে, সেটাই প্রশ্ন।’
হবিনগর এলাকার ২৮ নম্বর হবিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘জেলেরা এই সময়টির জন্য অপেক্ষা করেন। স্কুলে শিশুদের জিজ্ঞেস করি, তারা কী দিয়ে ভাত খেয়েছে। তখন কেউ কেউ বলে, ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত খেয়েছে।
বরিশাল সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করেছেন। এ ধরনের ঘটনার খবর পেলে তাঁকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। এ ছাড়া নদীতে টহল অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১২
রাজনৈতিক প্রভাব, পুলিশের সংশ্লিষ্টতা আর দলবল নিয়ে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ- বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে জমি নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিজের ও স্ত্রীর নামে কেনা ১০ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টায় বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন নাসির হাওলাদার। এ ঘটনায় মেহেন্দিগঞ্জ থানার এএসআই গোলাম কিবরিয়ার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সামনে এসেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে নিজের জমি ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন নাসির হাওলাদার। তিনি বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের উমেদার এবং নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী আহমেদ মোল্লা সড়ক এলাকার বাসিন্দা।
নাসিরের দাবি, ২০১৫ সালে নিজের ও স্ত্রীর নামে ১০ শতাংশ জমি কেনেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রয়েছে তাঁদের। সম্প্রতি সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য বরিশাল সিটি করপোরেশন থেকে নকশা অনুমোদন নেন এবং জমির খাজনাও পরিশোধ করেন। কিন্তু জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলেই বাধার মুখে পড়েন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে নাসির অভিযোগ করেন, গত ৬ অক্টোবর সকালে এএসআই গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জমিতে গিয়ে গেট, হোল্ডিংসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে গোলাম কিবরিয়া সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে চুক্তিনামা করে তাঁকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেন বলে দাবি করেন নাসির। সেই দলিলের ভিত্তিতে ফিরোজ আহমেদ জমি দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।
নাসিরের অভিযোগ, দলবল নিয়ে জমিতে তৎপরতা চালানোর ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও তাৎক্ষণিক প্রতিকার পাননি। এর আগেও জমিতে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। থানায় অভিযোগ দিয়েও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পাওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান নাসির।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে এএসআই গোলাম কিবরিয়াকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এখন একটি সালিশিতে ব্যস্ত আছি। পরে সরাসরি সাক্ষাতে কথা হবে।”
ফিরোজ আহমেদ বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। তিনি মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারের শ্বশুর।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয় দলটি।
এখন জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ ঘিরে ফিরোজ আহমেদ ও পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী। জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন নাসির হাওলাদার।
রাজনৈতিক প্রভাব, পুলিশের সংশ্লিষ্টতা আর দলবল নিয়ে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ- বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে জমি নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিজের ও স্ত্রীর নামে কেনা ১০ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টায় বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন নাসির হাওলাদার। এ ঘটনায় মেহেন্দিগঞ্জ থানার এএসআই গোলাম কিবরিয়ার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সামনে এসেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে নিজের জমি ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন নাসির হাওলাদার। তিনি বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের উমেদার এবং নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী আহমেদ মোল্লা সড়ক এলাকার বাসিন্দা।
নাসিরের দাবি, ২০১৫ সালে নিজের ও স্ত্রীর নামে ১০ শতাংশ জমি কেনেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রয়েছে তাঁদের। সম্প্রতি সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য বরিশাল সিটি করপোরেশন থেকে নকশা অনুমোদন নেন এবং জমির খাজনাও পরিশোধ করেন। কিন্তু জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলেই বাধার মুখে পড়েন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে নাসির অভিযোগ করেন, গত ৬ অক্টোবর সকালে এএসআই গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জমিতে গিয়ে গেট, হোল্ডিংসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে গোলাম কিবরিয়া সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে চুক্তিনামা করে তাঁকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেন বলে দাবি করেন নাসির। সেই দলিলের ভিত্তিতে ফিরোজ আহমেদ জমি দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।
নাসিরের অভিযোগ, দলবল নিয়ে জমিতে তৎপরতা চালানোর ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও তাৎক্ষণিক প্রতিকার পাননি। এর আগেও জমিতে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। থানায় অভিযোগ দিয়েও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পাওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান নাসির।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে এএসআই গোলাম কিবরিয়াকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এখন একটি সালিশিতে ব্যস্ত আছি। পরে সরাসরি সাক্ষাতে কথা হবে।”
ফিরোজ আহমেদ বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। তিনি মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারের শ্বশুর।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয় দলটি।
এখন জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ ঘিরে ফিরোজ আহমেদ ও পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী। জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন নাসির হাওলাদার।

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩২
মহালয়ার মধ্য দিয়ে আগামীকাল শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এ উৎসবকে ঘিরে বরিশাল জেলা ও মহানগরজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা নির্মাণ, রং-তুলির কাজ, মণ্ডপ সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পী ও পূজার আয়োজকেরা।
এ বছর বরিশাল জেলা ও মহানগর মিলিয়ে মোট ৬৩৭টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫৯০টি এবং মহানগর এলাকায় ৪৭টি মণ্ডপ রয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর ফলপট্টি কালিমাতা ঠাকুরানীর মন্দির, সদর রোডের শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির ও শ্রীশ্রী শংকর মঠ মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন, দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জার কাজেও ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকেরা।
উৎসবকে ঘিরে মণ্ডপগুলো আকর্ষণীয় করে তুলতে চলছে নানা আয়োজন। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দিন-রাত কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে, প্রতিমা তৈরির উপকরণসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন প্রতিমাশিল্পীরা। খরচ বাড়লেও পূজা কমিটির বাজেট সেই তুলনায় না বাড়ায় আগের চেয়ে কম প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন কেউ কেউ।
নগরীর শ্রীশ্রী শংকর মঠ মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন ফরিদপুরের প্রতিমাশিল্পী কার্তিক চন্দ্র পাল। এ বছর তিনি মোট ১২টি প্রতিমা তৈরি করছেন। এর মধ্যে বরিশাল নগরীতে পাঁচটি এবং বাবুগঞ্জের মাধবপাশায় একটি প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন তিনি।
কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিমা তৈরির কাজ কম করছি। সব মিলিয়ে ১২টি প্রতিমা তৈরি করছি। গত বছরের তুলনায় এবার সবকিছুর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় পূজা কমিটির বাজেট বাড়েনি। তারপরও বহুকাল ধরে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত আছি। লাভ-লোকসান যাই হোক, কাজ করে যাচ্ছি।
শাস্ত্রমতে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। প্রচলিত ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঘোড়ায় আগমন সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করা হয়। অন্যদিকে, নৌকায় গমন শস্যবৃদ্ধি ও মনোকামনা পূরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হলেও অতিবৃষ্টি বা বন্যার আশঙ্কার কথাও বলা হয়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামীকাল ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন ও অকালবোধন, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও পূজা, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, মহানগরীতে এ বছর ৪৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার একটি মণ্ডপ বেড়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
অপর দিকে পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের প্রস্তুতিও চলছে। বিভিন্ন মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ চরচাকে বলেন , যেখানে যেখানে প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে সেখানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুরোহিত দের নিয়ে আমরা টিম করেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবার বিভাগে প্রায় ১৬২৮ টি পূজামন্ডপ আছে (কম বেশি হতে পারে) প্রতিটি পূজামন্ডবে যাতে দর্শনার্থীরা আসাযাওয়া করতে পারে এবং একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশে যাতে সবাই সুন্দর ভাবে পূজা উদযাপন করতে পারে সেজন্য আমাদের বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি যেদিন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে সেদিন কোস্ট গার্ডকে বলে রেখেছি সকল ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলার বাল্কহেড যেন বন্ধ রাখা হয়। যাতে করে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। সেই প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সকল ম্যাজিস্ট্রেড দের ছুটিও বাতিল করেছি। সবাই সকলের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবে বলে আশা করছি। আমি মনে করি এবার অত্যন্ত অনন্দ ঘন পরিবেশ বরিশালে পূজা উদযাপন হবে।
মহালয়ার মধ্য দিয়ে আগামীকাল শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এ উৎসবকে ঘিরে বরিশাল জেলা ও মহানগরজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা নির্মাণ, রং-তুলির কাজ, মণ্ডপ সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পী ও পূজার আয়োজকেরা।
এ বছর বরিশাল জেলা ও মহানগর মিলিয়ে মোট ৬৩৭টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫৯০টি এবং মহানগর এলাকায় ৪৭টি মণ্ডপ রয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর ফলপট্টি কালিমাতা ঠাকুরানীর মন্দির, সদর রোডের শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির ও শ্রীশ্রী শংকর মঠ মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন, দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জার কাজেও ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকেরা।
উৎসবকে ঘিরে মণ্ডপগুলো আকর্ষণীয় করে তুলতে চলছে নানা আয়োজন। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দিন-রাত কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে, প্রতিমা তৈরির উপকরণসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন প্রতিমাশিল্পীরা। খরচ বাড়লেও পূজা কমিটির বাজেট সেই তুলনায় না বাড়ায় আগের চেয়ে কম প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন কেউ কেউ।
নগরীর শ্রীশ্রী শংকর মঠ মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন ফরিদপুরের প্রতিমাশিল্পী কার্তিক চন্দ্র পাল। এ বছর তিনি মোট ১২টি প্রতিমা তৈরি করছেন। এর মধ্যে বরিশাল নগরীতে পাঁচটি এবং বাবুগঞ্জের মাধবপাশায় একটি প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন তিনি।
কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিমা তৈরির কাজ কম করছি। সব মিলিয়ে ১২টি প্রতিমা তৈরি করছি। গত বছরের তুলনায় এবার সবকিছুর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় পূজা কমিটির বাজেট বাড়েনি। তারপরও বহুকাল ধরে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত আছি। লাভ-লোকসান যাই হোক, কাজ করে যাচ্ছি।
শাস্ত্রমতে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। প্রচলিত ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঘোড়ায় আগমন সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করা হয়। অন্যদিকে, নৌকায় গমন শস্যবৃদ্ধি ও মনোকামনা পূরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হলেও অতিবৃষ্টি বা বন্যার আশঙ্কার কথাও বলা হয়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামীকাল ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন ও অকালবোধন, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও পূজা, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, মহানগরীতে এ বছর ৪৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার একটি মণ্ডপ বেড়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
অপর দিকে পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের প্রস্তুতিও চলছে। বিভিন্ন মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ চরচাকে বলেন , যেখানে যেখানে প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে সেখানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুরোহিত দের নিয়ে আমরা টিম করেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবার বিভাগে প্রায় ১৬২৮ টি পূজামন্ডপ আছে (কম বেশি হতে পারে) প্রতিটি পূজামন্ডবে যাতে দর্শনার্থীরা আসাযাওয়া করতে পারে এবং একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশে যাতে সবাই সুন্দর ভাবে পূজা উদযাপন করতে পারে সেজন্য আমাদের বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি যেদিন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে সেদিন কোস্ট গার্ডকে বলে রেখেছি সকল ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলার বাল্কহেড যেন বন্ধ রাখা হয়। যাতে করে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। সেই প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সকল ম্যাজিস্ট্রেড দের ছুটিও বাতিল করেছি। সবাই সকলের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবে বলে আশা করছি। আমি মনে করি এবার অত্যন্ত অনন্দ ঘন পরিবেশ বরিশালে পূজা উদযাপন হবে।

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৯
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনীর সদস্যরা ১১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। অভিযানে সহায়তা করতে যাওয়া মৎস্য বিভাগের একটি স্পিডবোটও হামলার শিকার হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চরজানপুর এলাকার মেঘনা নদীর ৭ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় দিনে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় সুত্রে জানান গেছে , প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় মেঘনায় টহল দেওয়ার সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ ধরতে যাওয়া একদল জেলের মুখোমুখি হন অভিযানকারী সদস্যরা। একপর্যায়ে জেলেদের একটি দল টহল দলের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিজেদের সুরক্ষায় কোস্ট গার্ড সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। পরে ১১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান জানান, নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরার তৎপরতা তুলনামূলক কম থাকলেও পরদিন কিছু জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করেন। এদিকে নৌ পুলিশের পৃথক অভিযানে ১০ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আটটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে গত ৮ অক্টোবর থেকে সারা দেশে ২২ দিনের জন্য মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এ সময়ে নদ-নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হিজলায় নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৪
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০৯
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১২
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৫৫