ছবি: বরিশাল টাইমস
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অনুসন্ধান ব্লাড ডোনার ক্লাব। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশাল-এ বেদে পল্লীতে ৩৪টি অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।
রমজানের পবিত্রতা ও সংযমের মাসে যখন ধনী-গরিব সবাই মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল, ঠিক তখন সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত গড়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা। চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বেদে পরিবারগুলো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এই বেদে পল্লীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ বসবাস করলেও তারা দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সংশ্লিষ্টরা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলের উচিত সারাদেশের বেদে সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো, বিশেষ করে রমজানের মতো পবিত্র মাসে।
তরুণদের এমন উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষও। ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা এই ছোট উদ্যোগ একদিন বড় আন্দোলনে রূপ নেবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
সংগঠনের সদস্যরা জানান, এটি কেবল শুরু। তারা আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করতে চান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সহায়তার হাত পৌঁছে দিতে চান। তাদের আহ্বান আসুন, আমরা সবাই মানবতার পাশে দাঁড়াই। কারণ মানুষ মানুষের জন্য।
মানবিকতা আর ভালোবাসার এই বার্তাই ছড়িয়ে পড়ুক সারাদেশেএই প্রত্যাশা সবার।
বরিশাল টাইমস

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
বরিশাল-মাদারীপুর সীমান্তে বাসের সিট নিয়ে বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রায় ২০টি দোকান। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বরিশাল যাওয়ার জন্য ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা এমারত ঘরামী। অসুস্থতার কারণে তিনি বাসের সামনের সিট চাইলে কাউন্টারের সুপারভাইজার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে এমারতের সঙ্গে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওই কাউন্টারে যান এমারত। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
সংঘর্ষে ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল-মাদারীপুর সীমান্তে বাসের সিট নিয়ে বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রায় ২০টি দোকান। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বরিশাল যাওয়ার জন্য ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা এমারত ঘরামী। অসুস্থতার কারণে তিনি বাসের সামনের সিট চাইলে কাউন্টারের সুপারভাইজার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে এমারতের সঙ্গে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওই কাউন্টারে যান এমারত। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
সংঘর্ষে ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অনুসন্ধান ব্লাড ডোনার ক্লাব। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশাল-এ বেদে পল্লীতে ৩৪টি অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।
রমজানের পবিত্রতা ও সংযমের মাসে যখন ধনী-গরিব সবাই মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল, ঠিক তখন সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত গড়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা। চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বেদে পরিবারগুলো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এই বেদে পল্লীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ বসবাস করলেও তারা দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সংশ্লিষ্টরা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলের উচিত সারাদেশের বেদে সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো, বিশেষ করে রমজানের মতো পবিত্র মাসে।
তরুণদের এমন উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষও। ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা এই ছোট উদ্যোগ একদিন বড় আন্দোলনে রূপ নেবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
সংগঠনের সদস্যরা জানান, এটি কেবল শুরু। তারা আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করতে চান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সহায়তার হাত পৌঁছে দিতে চান। তাদের আহ্বান আসুন, আমরা সবাই মানবতার পাশে দাঁড়াই। কারণ মানুষ মানুষের জন্য।
মানবিকতা আর ভালোবাসার এই বার্তাই ছড়িয়ে পড়ুক সারাদেশেএই প্রত্যাশা সবার।
বরিশাল টাইমস