ছবি: বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ঘিরে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। বদলি আদেশ প্রত্যাহার ও বহাল রাখার দাবিতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর। এদিকে কর্মঘণ্টায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণের কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম এনামুল হকের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে চিকিৎসক, নার্স, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠকর্মী, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা অংশ নেন।
তবে মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয়দের অপর একটি অংশ কর্মসূচির বিরোধিতা করে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ বহাল রাখার দাবি জানান। এ সময় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও বাগ্বিতণ্ডায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াসিমের নেতৃত্বে প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে ডা. শাহীনের নেতৃত্বে হাসপাতালকেন্দ্রিক একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, এই সিন্ডিকেট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে বদলি আদেশ ঠেকাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে কর্মঘণ্টায় মানববন্ধন আয়োজন করায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
তাঁদের দাবি, ডা. শাহীনের বদলি ঠেকাতে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এনামুল হকের নেতৃত্বে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ফলে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরও মানববন্ধনে উপস্থিত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিবাদকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, একজন সরকারি কর্মকর্তার বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের এত তৎপরতার কারণ কী? এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তাঁরা।
অন্যদিকে, বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জি এম এনামুল হক, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কাজী ফাবিয়া জাহানসহ স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনকে একজন মানবিক ও জনবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বদলির ফলে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ সময় অবিলম্বে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
এদিকে একই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ বদলি প্রত্যাহারকে জনস্বার্থের দাবি হিসেবে তুলে ধরলেও অপর পক্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখা এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
তবে হাসপাতালকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট গড়ে তোলা এবং কর্মঘণ্টায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে মানববন্ধন আয়োজনের অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পৃথক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বদলি আদেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এ বিরোধের মধ্যে সাধারণ রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩
পটুয়াখালী সদর থানার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং এসআরবি-১ (সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকা)-এর একটি যৌথ অভিযানিক দল কুড়িল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরবর্তীকালে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি এবং মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী)-এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী সদর থানার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং এসআরবি-১ (সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকা)-এর একটি যৌথ অভিযানিক দল কুড়িল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরবর্তীকালে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি এবং মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী)-এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২৮
পটুয়াখালীর বাউফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে স্থানীয় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা সিআইডি (CID) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী মো: মাসুম বিল্লাহ জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন এবং স্থানীয়ভাবে 'Bauphal News 24' পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে থাকেন। সম্প্রতি বাউফলের শৌলা এলাকায় জোরপূর্বক শিবির নেতার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তারই জের ধরে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এই শিরোনামের সংবাদটি খবর বাউফল ও বাউফল টুডের ফেইসবুকেও প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টা ৪৯ মিনিটের দিকে ২নং আসামি মো আমিনুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র নম্বরে ফোন করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এরপর ৩নং আসামি মো: ইমরান খানের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র বিরুদ্ধে ১ ও ২ নং আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য ও হুমকি সহ “পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ করেন ১ নং আসামি তরিকুল ইসলাম ফাহিম” এই ভিডিওটি চাদাঁবাজির শিরোনাম দিয়ে তিনি তার বক্তব্য প্রচার করেন। যাহা মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় বাদীর পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় তিনি প্রথমে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৭০, তাং- ১৯/০৮/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল আলামত সুরক্ষার মাধ্যমে গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা (সাইবার পিটিশন মামলা নং- ২৬২/২০২৬) দায়ের করা হয়।
মামলায় চারজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. তরিকুল ইসলাম ফাহিম (২৬), মো. আমিনুল ইসলাম (৩২), মো. ইমরান খান (৩৫) এবং প্রধান প্ররোচণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মো. আবুল কালাম হাওলাদার (কালু) (৬৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ, ফেসবুক আইডির প্রকৃত ব্যবহারকারী শনাক্তকরণ (IP log, login history ও metadata বিশ্লেষণ) এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার জন্য মামলাটি বর্তমানে সিআইডির নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে স্থানীয় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা সিআইডি (CID) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী মো: মাসুম বিল্লাহ জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন এবং স্থানীয়ভাবে 'Bauphal News 24' পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে থাকেন। সম্প্রতি বাউফলের শৌলা এলাকায় জোরপূর্বক শিবির নেতার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তারই জের ধরে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এই শিরোনামের সংবাদটি খবর বাউফল ও বাউফল টুডের ফেইসবুকেও প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টা ৪৯ মিনিটের দিকে ২নং আসামি মো আমিনুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র নম্বরে ফোন করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এরপর ৩নং আসামি মো: ইমরান খানের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র বিরুদ্ধে ১ ও ২ নং আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য ও হুমকি সহ “পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ করেন ১ নং আসামি তরিকুল ইসলাম ফাহিম” এই ভিডিওটি চাদাঁবাজির শিরোনাম দিয়ে তিনি তার বক্তব্য প্রচার করেন। যাহা মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় বাদীর পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় তিনি প্রথমে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৭০, তাং- ১৯/০৮/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল আলামত সুরক্ষার মাধ্যমে গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা (সাইবার পিটিশন মামলা নং- ২৬২/২০২৬) দায়ের করা হয়।
মামলায় চারজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. তরিকুল ইসলাম ফাহিম (২৬), মো. আমিনুল ইসলাম (৩২), মো. ইমরান খান (৩৫) এবং প্রধান প্ররোচণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মো. আবুল কালাম হাওলাদার (কালু) (৬৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ, ফেসবুক আইডির প্রকৃত ব্যবহারকারী শনাক্তকরণ (IP log, login history ও metadata বিশ্লেষণ) এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার জন্য মামলাটি বর্তমানে সিআইডির নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১১
পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ঘিরে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। বদলি আদেশ প্রত্যাহার ও বহাল রাখার দাবিতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর। এদিকে কর্মঘণ্টায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণের কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম এনামুল হকের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে চিকিৎসক, নার্স, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠকর্মী, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা অংশ নেন।
তবে মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয়দের অপর একটি অংশ কর্মসূচির বিরোধিতা করে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ বহাল রাখার দাবি জানান। এ সময় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও বাগ্বিতণ্ডায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াসিমের নেতৃত্বে প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে ডা. শাহীনের নেতৃত্বে হাসপাতালকেন্দ্রিক একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, এই সিন্ডিকেট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে বদলি আদেশ ঠেকাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে কর্মঘণ্টায় মানববন্ধন আয়োজন করায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
তাঁদের দাবি, ডা. শাহীনের বদলি ঠেকাতে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এনামুল হকের নেতৃত্বে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ফলে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরও মানববন্ধনে উপস্থিত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিবাদকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, একজন সরকারি কর্মকর্তার বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের এত তৎপরতার কারণ কী? এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তাঁরা।
অন্যদিকে, বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জি এম এনামুল হক, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কাজী ফাবিয়া জাহানসহ স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনকে একজন মানবিক ও জনবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বদলির ফলে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ সময় অবিলম্বে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
এদিকে একই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ বদলি প্রত্যাহারকে জনস্বার্থের দাবি হিসেবে তুলে ধরলেও অপর পক্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখা এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
তবে হাসপাতালকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট গড়ে তোলা এবং কর্মঘণ্টায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে মানববন্ধন আয়োজনের অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পৃথক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বদলি আদেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এ বিরোধের মধ্যে সাধারণ রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৭
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৪
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৭
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬