ছবি:সংগৃহীত
কুমিল্লার হোমনায় বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়ার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় দলটির এক নেতাসহ ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক জুয়েল রানা
রোববার (২৫ অক্টোবর) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থীর অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে ওই কার্যালয় অবস্থিত।
এ ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। দ্রুত বিচার আইনে করা এ মামলায় মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামি সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি বলেন, মামলাটি পুনরায় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:২৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক শিশুকে (১০) দোকানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার। পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ইয়াসিন মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের স্থানীয় বাজারে তেল কিনতে যায় শিশুটি। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইয়াসিন মিয়া তাকে জোর করে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ সময় শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং ২০ টাকার একটি নোট দিয়ে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, ঘটনার পর সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গত শুক্রবার রাতে বাদৈর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক বসে। সেখানে অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়াকে শুধু ক্ষমা চাইয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে এতে রাজি হননি শিশুটির বাবা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে ইয়াসিন মিয়া ও বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে শনিবার রাতে ইয়াসিন মিয়াকে আসামি করে থানায় মামলা করেন তিনি।
তবে সালিস ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের ঘটনা জানার পর তাঁরা একসঙ্গে বসেছিলেন, তবে কোনো সালিস হয়নি। ধর্ষণের বিচার সালিসে হতে পারে না। শিশুটির পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী বিচার হবে।
এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, রোববার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক শিশুকে (১০) দোকানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার। পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ইয়াসিন মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের স্থানীয় বাজারে তেল কিনতে যায় শিশুটি। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইয়াসিন মিয়া তাকে জোর করে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ সময় শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং ২০ টাকার একটি নোট দিয়ে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, ঘটনার পর সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গত শুক্রবার রাতে বাদৈর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক বসে। সেখানে অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়াকে শুধু ক্ষমা চাইয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে এতে রাজি হননি শিশুটির বাবা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে ইয়াসিন মিয়া ও বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে শনিবার রাতে ইয়াসিন মিয়াকে আসামি করে থানায় মামলা করেন তিনি।
তবে সালিস ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের ঘটনা জানার পর তাঁরা একসঙ্গে বসেছিলেন, তবে কোনো সালিস হয়নি। ধর্ষণের বিচার সালিসে হতে পারে না। শিশুটির পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী বিচার হবে।
এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, রোববার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:১৬
বগুড়ার কাহালুতে ১৫ বছর বয়সি শ্যালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় দুলাভাই মো. আল মোহাইমিনু মেহেদী হাসানকে (২৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মারুফ হোসেন এই রায় দেন।
মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ থাকলেও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. মামুন মন্ডল (৩৮) ও মো. রকি (২৬) নামের অন্য দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আল মোহাইমিনু মেহেদী হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকপাড়ার মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।
মাম্লা সুত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাহালুর শিতলাইগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয় ওই কিশোরী শিক্ষার্থী। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামি মেহেদী, তার ভাই মো. মামুন মন্ডল এবং ভাগনে মো. রকিসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা লাবনী আক্তার বাদী হয়ে গত বছরের ৮ এপ্রিল তিনজনকে আসামি করে কাহালু থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মান্নান বলেন, এই রায়ে বাদীপক্ষের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সমাজে এ ধরনের অপরাধ যেন আর না ঘটে, সে জন্য এই রায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বগুড়ার কাহালুতে ১৫ বছর বয়সি শ্যালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় দুলাভাই মো. আল মোহাইমিনু মেহেদী হাসানকে (২৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মারুফ হোসেন এই রায় দেন।
মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ থাকলেও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. মামুন মন্ডল (৩৮) ও মো. রকি (২৬) নামের অন্য দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আল মোহাইমিনু মেহেদী হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকপাড়ার মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।
মাম্লা সুত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাহালুর শিতলাইগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয় ওই কিশোরী শিক্ষার্থী। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামি মেহেদী, তার ভাই মো. মামুন মন্ডল এবং ভাগনে মো. রকিসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা লাবনী আক্তার বাদী হয়ে গত বছরের ৮ এপ্রিল তিনজনকে আসামি করে কাহালু থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মান্নান বলেন, এই রায়ে বাদীপক্ষের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সমাজে এ ধরনের অপরাধ যেন আর না ঘটে, সে জন্য এই রায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর খেয়াঘাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মিছিল থামাতে গেলে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং এক উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাঠিসোঁটা হাতে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী মিছিল নিয়ে রঘুনাথপুর চরপাড়া সড়ক থেকে খেয়াঘাট এলাকায় আসেন। মিছিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়। ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় এলাকায় টহলরত পুলিশের একটি দল মিছিলটি থামাতে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে কাচ ভাঙচুর করেন। হামলায় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুলমিয়া ও এক কনস্টেবল আহত হন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পাস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও ঘটনার ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তবে ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও ঘটনার প্রতিটি পর্যায় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। হামলার পর এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছিল বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানানো সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, গ্রেপ্তারের সংখ্যা, মামলার অবস্থা, আহত পুলিশ সদস্যদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা এবং গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও সমৃদ্ধ করা যাবে।
প্রতিবেদনের সূত্র: ঢাকা টাইমস, ক্যাম্পাস টাইমস, যায়যায়দিন।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর খেয়াঘাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মিছিল থামাতে গেলে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং এক উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাঠিসোঁটা হাতে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী মিছিল নিয়ে রঘুনাথপুর চরপাড়া সড়ক থেকে খেয়াঘাট এলাকায় আসেন। মিছিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়। ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় এলাকায় টহলরত পুলিশের একটি দল মিছিলটি থামাতে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে কাচ ভাঙচুর করেন। হামলায় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুলমিয়া ও এক কনস্টেবল আহত হন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পাস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও ঘটনার ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তবে ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও ঘটনার প্রতিটি পর্যায় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। হামলার পর এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছিল বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানানো সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, গ্রেপ্তারের সংখ্যা, মামলার অবস্থা, আহত পুলিশ সদস্যদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা এবং গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও সমৃদ্ধ করা যাবে।
প্রতিবেদনের সূত্র: ঢাকা টাইমস, ক্যাম্পাস টাইমস, যায়যায়দিন।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
কুমিল্লার হোমনায় বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়ার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় দলটির এক নেতাসহ ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক জুয়েল রানা
রোববার (২৫ অক্টোবর) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থীর অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে ওই কার্যালয় অবস্থিত।
এ ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। দ্রুত বিচার আইনে করা এ মামলায় মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামি সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি বলেন, মামলাটি পুনরায় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৭
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৪
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭