
০৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:২১
বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা প্রতাপশালী নেতা মো. ওয়াহেদ শেখকে জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত বিএনপির বিজয় মিছিলের অগ্রভাগে দেখা গেছে। শহরের ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ওই মিছিলটি হলেও শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদ সামনের সারিতে থাকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এবং স্বৈরাচারের দোসরকে নিয়ে মিছিল করায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে বরিশাল মহানগরের নেতাকর্মীরা।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহেদ শেখ বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পরিমল চন্দ্র দাস এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের রাজনীতি করতেন। গত ১৬ বছর এই ওয়াহেদের নেতৃত্বে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকা থেকে সবচে বড় মিছিল বের হতো। এবং তিনি কেডিসি ঘাট এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের শাসনামলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছেন, যা দিয়ে শহরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বহুতল ভবন করেছেন। এই শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান।
ওয়ার্ড বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর অভিযোগ, ওয়াহেদ শেখ চিহ্নিত শ্রমিক লীগ নেতা, তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপি এবং শহীদ জিয়ার পরিবার নিয়ে নানা ‘খিস্তিখেউর’ করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে তার শেল্টারদাতা পরিমাল এবং টুটুল আত্মগোপনে গেলেও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। এবং পূর্বের ন্যায় কেডিসিতে রাম-রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা পর্যন্ত হয়নি। বরং তিনি এখন বিএনপির ঘাড়ে উঠে বসেছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান, ওয়াহেদকে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং তাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে বিতর্ক তৈরি করার বিষয়টিও মহানগর বিএনপি নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। এখন বিষয়টি পত্রিকার শিরোনাম হওয়ায় শীর্ষ নেতাদেরও চোখ এড়াতে পারে না।
শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে মিছিল করার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা। এই বিএনপি নেতা জানান, বিষয়টি তারও নজরে এসেছে এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে ওয়ার্ডের তরফ থেকে বিষয়টি মহানগরের শীর্ষ নেতাদেরও অবহিত করা হয়েছে।
তবে স্বৈরাচারের দোসর ওয়াহেদকে নিয়ে মিছিল করা কোনো দোষের নয় বলে দাবি করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান। এবং তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন, মহানগরের নেতারাওতো আওয়ামী লীগের অনেককে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, সেগুলো লেখেন না কেনো?
নিজের অপকর্ম আড়াল করতে খোদ মহানগরের শীর্ষ নেতাদের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ধরনের ধৃষ্টতা বলে মনে করছেন কর্মী-সমর্থকেরা। শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদকে সামনের সারিতে রেখে বিজয় মিছিল করার ঘটনায় বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের ভাষ্য হচ্ছে, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এই ধরনের অভিযোগ আসলে এবং এর প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
# শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদের বিলাসবহুল বাড়িসহ অঢেল সম্পদ নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন আসছে।
বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা প্রতাপশালী নেতা মো. ওয়াহেদ শেখকে জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত বিএনপির বিজয় মিছিলের অগ্রভাগে দেখা গেছে। শহরের ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ওই মিছিলটি হলেও শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদ সামনের সারিতে থাকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এবং স্বৈরাচারের দোসরকে নিয়ে মিছিল করায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে বরিশাল মহানগরের নেতাকর্মীরা।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহেদ শেখ বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পরিমল চন্দ্র দাস এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের রাজনীতি করতেন। গত ১৬ বছর এই ওয়াহেদের নেতৃত্বে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকা থেকে সবচে বড় মিছিল বের হতো। এবং তিনি কেডিসি ঘাট এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের শাসনামলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছেন, যা দিয়ে শহরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বহুতল ভবন করেছেন। এই শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান।
ওয়ার্ড বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর অভিযোগ, ওয়াহেদ শেখ চিহ্নিত শ্রমিক লীগ নেতা, তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপি এবং শহীদ জিয়ার পরিবার নিয়ে নানা ‘খিস্তিখেউর’ করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে তার শেল্টারদাতা পরিমাল এবং টুটুল আত্মগোপনে গেলেও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। এবং পূর্বের ন্যায় কেডিসিতে রাম-রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা পর্যন্ত হয়নি। বরং তিনি এখন বিএনপির ঘাড়ে উঠে বসেছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান, ওয়াহেদকে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং তাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে বিতর্ক তৈরি করার বিষয়টিও মহানগর বিএনপি নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। এখন বিষয়টি পত্রিকার শিরোনাম হওয়ায় শীর্ষ নেতাদেরও চোখ এড়াতে পারে না।
শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে মিছিল করার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা। এই বিএনপি নেতা জানান, বিষয়টি তারও নজরে এসেছে এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে ওয়ার্ডের তরফ থেকে বিষয়টি মহানগরের শীর্ষ নেতাদেরও অবহিত করা হয়েছে।
তবে স্বৈরাচারের দোসর ওয়াহেদকে নিয়ে মিছিল করা কোনো দোষের নয় বলে দাবি করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান। এবং তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন, মহানগরের নেতারাওতো আওয়ামী লীগের অনেককে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, সেগুলো লেখেন না কেনো?
নিজের অপকর্ম আড়াল করতে খোদ মহানগরের শীর্ষ নেতাদের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ধরনের ধৃষ্টতা বলে মনে করছেন কর্মী-সমর্থকেরা। শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদকে সামনের সারিতে রেখে বিজয় মিছিল করার ঘটনায় বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের ভাষ্য হচ্ছে, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এই ধরনের অভিযোগ আসলে এবং এর প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
# শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদের বিলাসবহুল বাড়িসহ অঢেল সম্পদ নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন আসছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.