Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচারে পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক, পিভিসি বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অন্য কোনো উপাদানে তৈরি লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন বা ব্যানার করা যাবে না।
এই বিধান রেখে গতকাল সোমবার রাতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
গেজেটে আরো বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনাসমূহে এবং বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা, অটোরিকশা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটাতে পারবে না।
তবে অন্য কোনো স্থানে লিফলেট ও ব্যানার বা হ্যান্ডবিল টাঙাতে পারবে।
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড লাগানো যাবে না এবং ওই লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন তথা বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না; ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃতব্য ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে এবং ব্যানার আয়তনে অনধিক ১০ ফুট বাই চার ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল আয়তনে অনধিক এ৪ সাইজের (৮.২৭ ইঞ্চি বাই ১১.৬৯ ইঞ্চি) এবং ফেস্টুন আয়তনে অনধিক ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি হবে।
ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবে না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে তিনি কেবল তাঁর বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন এবং উল্লিখিত ছবি পোর্ট্রেট আকারের হতে হবে এবং ওই ছবি কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না।
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত সাধারণ ছবি (পোর্ট্রেট) এর আয়তন ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটারের বেশি হবে না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা তিন মিটারের বেশি হবে না।
মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না। আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল করা যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচারে পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক, পিভিসি বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অন্য কোনো উপাদানে তৈরি লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন বা ব্যানার করা যাবে না।
এই বিধান রেখে গতকাল সোমবার রাতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
গেজেটে আরো বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনাসমূহে এবং বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা, অটোরিকশা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটাতে পারবে না।
তবে অন্য কোনো স্থানে লিফলেট ও ব্যানার বা হ্যান্ডবিল টাঙাতে পারবে।
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড লাগানো যাবে না এবং ওই লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন তথা বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না; ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃতব্য ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে এবং ব্যানার আয়তনে অনধিক ১০ ফুট বাই চার ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল আয়তনে অনধিক এ৪ সাইজের (৮.২৭ ইঞ্চি বাই ১১.৬৯ ইঞ্চি) এবং ফেস্টুন আয়তনে অনধিক ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি হবে।
ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবে না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে তিনি কেবল তাঁর বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন এবং উল্লিখিত ছবি পোর্ট্রেট আকারের হতে হবে এবং ওই ছবি কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না।
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত সাধারণ ছবি (পোর্ট্রেট) এর আয়তন ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটারের বেশি হবে না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা তিন মিটারের বেশি হবে না।
মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না। আচরণবিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল করা যাবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) নিয়োগ দেওয়া হয় তাদের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদসমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—
পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ. কে. এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরের মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস. এম. মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস. এম. ওবায়দুল হক এবং শেরপুরে এ. বি. এম. মামুনুর রশিদন।
এছাড়া ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) নিয়োগ দেওয়া হয় তাদের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদসমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—
পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ. কে. এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরের মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস. এম. মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস. এম. ওবায়দুল হক এবং শেরপুরে এ. বি. এম. মামুনুর রশিদন।
এছাড়া ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮