বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পর প্রথম বারের মত ছাত্র সংসদ গঠনের খবরে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী আমেজ।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ গঠনের লক্ষ্যে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। এর পরপরই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে।
ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক পেজ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু আলোচনা। তাদের দাবি অতিদ্রূত সময়ের ভিতর রোডম্যাপ ঘোষণা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অপরদিকে ছাত্র সংসদ গঠনের খবরে ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমূখের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ক্যাফেটেরিয়া, ভোলারোড গুলোতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আড্ডা দিতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় কোন গঠনতন্ত্র নেই। গঠনতন্ত্র তৈরি করার জন্য একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ছাত্র সংসদের একটা খসড়া গঠনতন্ত্র তৈরি করবে এবং পরবর্তীতে সেটা একাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট সভার মধ্য দিয়ে পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে পাঠাবে।
সোমবার প্রকাশিত হওয়া কমিটির সদস্য হলেন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাজিজুর রহমান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ উদ্দিন এবং আইন বিভাগের প্রভাষক ছোটন আলী।
কমিটির সদস্য আইন বিভাগের প্রভাষক ছোটন আলী বলেন, আমাদের জন্য এটা বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের কাজ হল কারা ভোট দিতে পারবে, কারা নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবে তা সহ পূর্ণাঙ্গ একটা গঠনতন্ত্র তৈরি করা। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সাথে বসে তাদের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত সময়ের ভিতর গঠনতন্ত্র তৈরি করবে।
প্রকাশিত হওয়া কমিটির কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আরিফ ইসলাম শান্ত বলেন, দেরিতে হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে ছাত্র সংসদ গঠনতন্ত্রের উদ্যোগ নিয়েছে এজন্য ধন্যবাদ। তবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই আগস্টের হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। কারণ ছাত্র সংসদ নির্বাচন শুধু শিক্ষার্থীদের ভিতর সীমাবদ্ধ থাকে না। গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী ফ্যাসিস্টের বিচার না করতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করি না।
ছাত্রদলের আরেক সাবেক সদস্য মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, গঠনতন্ত্র তৈরির কমিটি যেন শুধু খাতা কলমে না থেকে বাস্তবিক অর্থে একটা শিক্ষার্থী বান্ধব গঠনতন্ত্র তৈরি করে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করবো ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে কাগজে কলমে ছাত্র রাজনীতি চালুর ব্যবস্থা করুক।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর একটা গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র প্রনয়নের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও এক্সিকিউশনের পুর্ণ ক্ষমতা নির্বাচিত ছাত্র সংসদের হাতে রাখার ব্যবস্থা করবে এই কমিটি।
অপর দিকে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। শুধু তিন সদস্যের কমিটি দিয়েই কাজ যেনো কাজ শেষ হয়ে না যায়। দ্রুত অধ্যাদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ। সে অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করে কাঙ্খিত নির্বাচন দিতে হবে ।

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পর প্রথম বারের মত ছাত্র সংসদ গঠনের খবরে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী আমেজ।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ গঠনের লক্ষ্যে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। এর পরপরই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে।
ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক পেজ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু আলোচনা। তাদের দাবি অতিদ্রূত সময়ের ভিতর রোডম্যাপ ঘোষণা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অপরদিকে ছাত্র সংসদ গঠনের খবরে ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমূখের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ক্যাফেটেরিয়া, ভোলারোড গুলোতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আড্ডা দিতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় কোন গঠনতন্ত্র নেই। গঠনতন্ত্র তৈরি করার জন্য একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ছাত্র সংসদের একটা খসড়া গঠনতন্ত্র তৈরি করবে এবং পরবর্তীতে সেটা একাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট সভার মধ্য দিয়ে পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে পাঠাবে।
সোমবার প্রকাশিত হওয়া কমিটির সদস্য হলেন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাজিজুর রহমান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ উদ্দিন এবং আইন বিভাগের প্রভাষক ছোটন আলী।
কমিটির সদস্য আইন বিভাগের প্রভাষক ছোটন আলী বলেন, আমাদের জন্য এটা বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের কাজ হল কারা ভোট দিতে পারবে, কারা নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবে তা সহ পূর্ণাঙ্গ একটা গঠনতন্ত্র তৈরি করা। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সাথে বসে তাদের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত সময়ের ভিতর গঠনতন্ত্র তৈরি করবে।
প্রকাশিত হওয়া কমিটির কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আরিফ ইসলাম শান্ত বলেন, দেরিতে হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে ছাত্র সংসদ গঠনতন্ত্রের উদ্যোগ নিয়েছে এজন্য ধন্যবাদ। তবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই আগস্টের হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। কারণ ছাত্র সংসদ নির্বাচন শুধু শিক্ষার্থীদের ভিতর সীমাবদ্ধ থাকে না। গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী ফ্যাসিস্টের বিচার না করতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করি না।
ছাত্রদলের আরেক সাবেক সদস্য মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, গঠনতন্ত্র তৈরির কমিটি যেন শুধু খাতা কলমে না থেকে বাস্তবিক অর্থে একটা শিক্ষার্থী বান্ধব গঠনতন্ত্র তৈরি করে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করবো ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে কাগজে কলমে ছাত্র রাজনীতি চালুর ব্যবস্থা করুক।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর একটা গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র প্রনয়নের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও এক্সিকিউশনের পুর্ণ ক্ষমতা নির্বাচিত ছাত্র সংসদের হাতে রাখার ব্যবস্থা করবে এই কমিটি।
অপর দিকে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। শুধু তিন সদস্যের কমিটি দিয়েই কাজ যেনো কাজ শেষ হয়ে না যায়। দ্রুত অধ্যাদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ। সে অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করে কাঙ্খিত নির্বাচন দিতে হবে ।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬