Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৮
রমজান মাস মানেই আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং ইবাদতের বসন্তকাল। তবে একজন কর্মজীবী মানুষের জন্য এই মাসটি দ্বিগুণ পরীক্ষার। একদিকে অফিসের টাইট ডেডলাইন, মিটিং আর পেশাগত দায়িত্ব; অন্যদিকে রোজা রেখে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থেকে ইবাদতে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া। অনেক সময় কাজের চাপে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি, ফলে ইবাদত ঠিক মতো করা হয় না।
কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, সময়ের ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলে অফিস সামলে ইবাদতে পূর্ণ সওয়াব হাসিল করা সম্ভব। কর্মব্যস্ত জীবনে রমজানের বরকত অর্জনের কিছু কার্যকর কৌশল নিচে আলোচনা করা হলো:
১. সেহরি থেকে অফিসের প্রস্তুতি: দিনের শুরু হোক বরকতময়
রমজানে আপনার দিন শুরু হয় সেহরির মাধ্যমে। অফিসের কাজের এনার্জি এখান থেকেই সঞ্চয় করতে হবে।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: সেহরিতে এমন খাবার বেছে নিন যা ধীরে ধীরে হজম হয় (Complex Carbs), যেমন—লাল চালের ভাত, ওটস, খেজুর বা কলা। এগুলো আপনাকে দীর্ঘ সময় শক্তি দেবে।
ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ: সেহরিতে অতিরিক্ত চা বা কফি পান করা থেকে বিরত থাকুন। এটি শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়, ফলে অফিসে মাথাব্যথা বা ঝিমুনি আসতে পারে।
ভোরবেলার বরকত: সেহরি ও ফজরের পর না ঘুমিয়ে অফিসের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো গুছিয়ে নিন। গবেষণায় দেখা গেছে, ভোরে মানুষের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি কার্যকর থাকে।
২. কর্মক্ষেত্রে 'টাইম ব্লকিং' ও প্রোডাক্টিভিটি
অফিসে গিয়ে কাজ শুরুর আগে আপনার কাজের একটি তালিকা (To-do List) তৈরি করুন।
গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে: অফিসের প্রথম ৩-৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো শেষ করুন। জোহরের পর শরীর কিছুটা ক্লান্ত হয়ে আসে, তখন হালকা বা রুটিনমাফিক কাজগুলো (যেমন: ইমেইল চেক করা বা ফাইল গোছানো) রাখুন।
অপ্রয়োজনীয় মিটিং পরিহার: সম্ভব হলে খুব জরুরি না হলে দীর্ঘ মিটিং এড়িয়ে চলুন বা সংক্ষিপ্ত করার অনুরোধ করুন। এতে আপনার মানসিক শক্তি ও সময় দুই-ই বাঁচবে।
৩. বিরতির সময়টুকু ইবাদতে রূপান্তর
অফিসের লাঞ্চ ব্রেক বা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি এখন আপনার জন্য এক বিশাল সুযোগ।
মসজিদে সময় কাটানো: জোহরের নামাজের পর ১৫-২০ মিনিট মসজিদে বা নিরিবিলি স্থানে বসে কোরআন তেলাওয়াত করুন। এই আধ্যাত্মিক সংযোগ আপনাকে বিকেলের কাজের জন্য মানসিক প্রশান্তি দেবে।
পাওয়ার ন্যাপ (Power Nap): দুপুরের বিরতিতে ১০-১৫ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা চোখ বুজে বিশ্রাম নিন। সুন্নাহসম্মত এই 'কায়লুলা' আপনার মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করবে এবং ইফতারের পর তারাবির জন্য শক্তি জোগাবে।
৪. যাতায়াতের সময়কে কাজে লাগানো
ঢাকা বা বড় শহরগুলোতে যাতায়াতের সময়টা অনেক বড় একটি অংশ কেড়ে নেয়। এই সময়টুকু অপচয় না করে:
স্মার্টফোনে ইসলামিক পডকাস্ট বা কোরআনের তাফসির শুনতে পারেন।
ডিজিটাল তসবীহ ব্যবহার করে জিকির (সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ) করতে পারেন।
স্মার্টফোনে কোরআন অ্যাপ ব্যবহার করে তিলাওয়াত বা অর্থ পড়তে পারেন।
৫. আচরণ ও পেশাদারিত্ব: এটিও একটি ইবাদত
অনেকে রোজা রেখে খিটখিটে মেজাজ দেখান বা কাজে ফাঁকি দেন। মনে রাখবেন, সততার সাথে দায়িত্ব পালন করাও ইসলামের দৃষ্টিতে বড় ইবাদত।
ধৈর্যের পরীক্ষা: সহকর্মীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন এবং রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন।
পরনিন্দা থেকে দূরে থাকা: অফিসের আড্ডায় বসে গীবত বা পরচর্চা করা থেকে বিরত থাকুন। এটি রোজার সওয়াব কমিয়ে দেয়।
৬. ইফতার ও তারাবির সমন্বয়
অফিস থেকে ফিরে তাড়াহুড়ো করে অনেক বেশি ভাজাপোড়া খাবেন না।
হালকা ইফতার: খেজুর, ফল এবং পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ইফতার করুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার শরীরকে ভারী করে দেয়, ফলে এশার নামাজ ও তারাবিতে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
দ্রুত বিশ্রাম: তারাবি শেষ করে অপ্রয়োজনে মোবাইল না টিপে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে পরের দিন অফিসে আপনার প্রোডাক্টিভিটি কমে যাবে।
কর্মজীবীদের জন্য একটি বিশেষ টিপস: আপনার নিয়ত পরিষ্কার রাখুন। আপনি যখন অফিসের কাজ করছেন এই নিয়তে যে—আপনি আপনার পরিবারের জন্য হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করছেন, তখন আপনার প্রতিটি কাজের সেকেন্ড ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে।
রমজান আমাদের শেখায় কীভাবে সুশৃঙ্খল হতে হয়। অফিস এবং ইবাদত একে অপরের প্রতিপক্ষ নয়, বরং পরিপূরক। সঠিক রুটিন আর ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে আপনি একজন সফল পেশাজীবী হওয়ার পাশাপাশি একজন একনিষ্ঠ ইবাদতকারীও হতে পারবেন। এই রমজান হোক আপনার ক্যারিয়ার ও আখেরাত—উভয় দিক থেকেই সফলতার মাস।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
রমজান মাস মানেই আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং ইবাদতের বসন্তকাল। তবে একজন কর্মজীবী মানুষের জন্য এই মাসটি দ্বিগুণ পরীক্ষার। একদিকে অফিসের টাইট ডেডলাইন, মিটিং আর পেশাগত দায়িত্ব; অন্যদিকে রোজা রেখে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থেকে ইবাদতে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া। অনেক সময় কাজের চাপে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি, ফলে ইবাদত ঠিক মতো করা হয় না।
কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, সময়ের ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলে অফিস সামলে ইবাদতে পূর্ণ সওয়াব হাসিল করা সম্ভব। কর্মব্যস্ত জীবনে রমজানের বরকত অর্জনের কিছু কার্যকর কৌশল নিচে আলোচনা করা হলো:
১. সেহরি থেকে অফিসের প্রস্তুতি: দিনের শুরু হোক বরকতময়
রমজানে আপনার দিন শুরু হয় সেহরির মাধ্যমে। অফিসের কাজের এনার্জি এখান থেকেই সঞ্চয় করতে হবে।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: সেহরিতে এমন খাবার বেছে নিন যা ধীরে ধীরে হজম হয় (Complex Carbs), যেমন—লাল চালের ভাত, ওটস, খেজুর বা কলা। এগুলো আপনাকে দীর্ঘ সময় শক্তি দেবে।
ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ: সেহরিতে অতিরিক্ত চা বা কফি পান করা থেকে বিরত থাকুন। এটি শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়, ফলে অফিসে মাথাব্যথা বা ঝিমুনি আসতে পারে।
ভোরবেলার বরকত: সেহরি ও ফজরের পর না ঘুমিয়ে অফিসের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো গুছিয়ে নিন। গবেষণায় দেখা গেছে, ভোরে মানুষের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি কার্যকর থাকে।
২. কর্মক্ষেত্রে 'টাইম ব্লকিং' ও প্রোডাক্টিভিটি
অফিসে গিয়ে কাজ শুরুর আগে আপনার কাজের একটি তালিকা (To-do List) তৈরি করুন।
গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে: অফিসের প্রথম ৩-৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো শেষ করুন। জোহরের পর শরীর কিছুটা ক্লান্ত হয়ে আসে, তখন হালকা বা রুটিনমাফিক কাজগুলো (যেমন: ইমেইল চেক করা বা ফাইল গোছানো) রাখুন।
অপ্রয়োজনীয় মিটিং পরিহার: সম্ভব হলে খুব জরুরি না হলে দীর্ঘ মিটিং এড়িয়ে চলুন বা সংক্ষিপ্ত করার অনুরোধ করুন। এতে আপনার মানসিক শক্তি ও সময় দুই-ই বাঁচবে।
৩. বিরতির সময়টুকু ইবাদতে রূপান্তর
অফিসের লাঞ্চ ব্রেক বা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি এখন আপনার জন্য এক বিশাল সুযোগ।
মসজিদে সময় কাটানো: জোহরের নামাজের পর ১৫-২০ মিনিট মসজিদে বা নিরিবিলি স্থানে বসে কোরআন তেলাওয়াত করুন। এই আধ্যাত্মিক সংযোগ আপনাকে বিকেলের কাজের জন্য মানসিক প্রশান্তি দেবে।
পাওয়ার ন্যাপ (Power Nap): দুপুরের বিরতিতে ১০-১৫ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা চোখ বুজে বিশ্রাম নিন। সুন্নাহসম্মত এই 'কায়লুলা' আপনার মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করবে এবং ইফতারের পর তারাবির জন্য শক্তি জোগাবে।
৪. যাতায়াতের সময়কে কাজে লাগানো
ঢাকা বা বড় শহরগুলোতে যাতায়াতের সময়টা অনেক বড় একটি অংশ কেড়ে নেয়। এই সময়টুকু অপচয় না করে:
স্মার্টফোনে ইসলামিক পডকাস্ট বা কোরআনের তাফসির শুনতে পারেন।
ডিজিটাল তসবীহ ব্যবহার করে জিকির (সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ) করতে পারেন।
স্মার্টফোনে কোরআন অ্যাপ ব্যবহার করে তিলাওয়াত বা অর্থ পড়তে পারেন।
৫. আচরণ ও পেশাদারিত্ব: এটিও একটি ইবাদত
অনেকে রোজা রেখে খিটখিটে মেজাজ দেখান বা কাজে ফাঁকি দেন। মনে রাখবেন, সততার সাথে দায়িত্ব পালন করাও ইসলামের দৃষ্টিতে বড় ইবাদত।
ধৈর্যের পরীক্ষা: সহকর্মীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন এবং রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন।
পরনিন্দা থেকে দূরে থাকা: অফিসের আড্ডায় বসে গীবত বা পরচর্চা করা থেকে বিরত থাকুন। এটি রোজার সওয়াব কমিয়ে দেয়।
৬. ইফতার ও তারাবির সমন্বয়
অফিস থেকে ফিরে তাড়াহুড়ো করে অনেক বেশি ভাজাপোড়া খাবেন না।
হালকা ইফতার: খেজুর, ফল এবং পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ইফতার করুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার শরীরকে ভারী করে দেয়, ফলে এশার নামাজ ও তারাবিতে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
দ্রুত বিশ্রাম: তারাবি শেষ করে অপ্রয়োজনে মোবাইল না টিপে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে পরের দিন অফিসে আপনার প্রোডাক্টিভিটি কমে যাবে।
কর্মজীবীদের জন্য একটি বিশেষ টিপস: আপনার নিয়ত পরিষ্কার রাখুন। আপনি যখন অফিসের কাজ করছেন এই নিয়তে যে—আপনি আপনার পরিবারের জন্য হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করছেন, তখন আপনার প্রতিটি কাজের সেকেন্ড ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে।
রমজান আমাদের শেখায় কীভাবে সুশৃঙ্খল হতে হয়। অফিস এবং ইবাদত একে অপরের প্রতিপক্ষ নয়, বরং পরিপূরক। সঠিক রুটিন আর ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে আপনি একজন সফল পেশাজীবী হওয়ার পাশাপাশি একজন একনিষ্ঠ ইবাদতকারীও হতে পারবেন। এই রমজান হোক আপনার ক্যারিয়ার ও আখেরাত—উভয় দিক থেকেই সফলতার মাস।
বরিশাল টাইমস

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩২
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অটোরিকশা ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর সড়কের বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হজরত আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে চন্ডিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভটভটির সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), একই উপজেলার বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) এবং আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে কোনো কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে একে অপরকে দেখতে না পেয়ে অটোরিকশা ও ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, লালপুর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি বাঘার দিকে আসছিল। পথে ভটভটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় জড়িত যান দুটি উদ্ধার করা হচ্ছে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:১০
সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দরে অবৈধভাবে ভারতীয় রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টার অভিযোগে এক ভারতীয় ট্রাকচালককে আটক এবং ট্রাকটি জব্দ করেছে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
শনিবার (৭ মার্চ) সীমান্তের দুবাগ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ট্রাকচালকের নাম নিখিল দাস (৪৫)। তিনি ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার কালাইন থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, গত শনিবার বিকেলে নিখিল দাসের পাথরবোঝাই একটি ট্রাক শেওলা আইসিপি (স্থলবন্দর) দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পাথর খালাস শেষে ভারতে ফেরার পথে ট্রাকটি জ্বালানি সংকটে পড়ে। এ সময় চালক স্থানীয় ‘নাদিয়া স্টোর’ নামক একটি দোকান থেকে ভারতীয় রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টা করেন। গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং ট্রাকটি জব্দ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার রাতেই মুচলেকা নিয়ে চালক নিখিল দাসকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রোববার (৮ মার্চ) বিজিবির হেফাজতে থাকা ট্রাকটিও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ওপার থেকে আসা ডিজেল ভরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ৫২ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
আমাদের দেশের তুলনায় প্রতিবেশী দেশে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের একটি ঝুঁকি থাকে। প্রতিদিন শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় তিন শতাধিক ট্রাক যাতায়াত করে। নিয়ম অনুযায়ী এসব ট্রাকের বাংলাদেশ থেকে তেল কেনার কথা নয়।
তিনি আরও জানান, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবি কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে। ভারতীয় চালকসহ যারাই অবৈধভাবে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ঢল নেমেছে। চলতি মাসের (মার্চ) প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৪১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। এর মধ্যে গত ৩ দিনেই (৫ থেকে ৭ মার্চ) এসেছে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের মার্চের সাত দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
বরিশাল টাইমস
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অটোরিকশা ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর সড়কের বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হজরত আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে চন্ডিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভটভটির সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), একই উপজেলার বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) এবং আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে কোনো কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে একে অপরকে দেখতে না পেয়ে অটোরিকশা ও ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, লালপুর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি বাঘার দিকে আসছিল। পথে ভটভটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় জড়িত যান দুটি উদ্ধার করা হচ্ছে।
সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দরে অবৈধভাবে ভারতীয় রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টার অভিযোগে এক ভারতীয় ট্রাকচালককে আটক এবং ট্রাকটি জব্দ করেছে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
শনিবার (৭ মার্চ) সীমান্তের দুবাগ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ট্রাকচালকের নাম নিখিল দাস (৪৫)। তিনি ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার কালাইন থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, গত শনিবার বিকেলে নিখিল দাসের পাথরবোঝাই একটি ট্রাক শেওলা আইসিপি (স্থলবন্দর) দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পাথর খালাস শেষে ভারতে ফেরার পথে ট্রাকটি জ্বালানি সংকটে পড়ে। এ সময় চালক স্থানীয় ‘নাদিয়া স্টোর’ নামক একটি দোকান থেকে ভারতীয় রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টা করেন। গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং ট্রাকটি জব্দ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার রাতেই মুচলেকা নিয়ে চালক নিখিল দাসকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রোববার (৮ মার্চ) বিজিবির হেফাজতে থাকা ট্রাকটিও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ওপার থেকে আসা ডিজেল ভরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ৫২ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
আমাদের দেশের তুলনায় প্রতিবেশী দেশে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের একটি ঝুঁকি থাকে। প্রতিদিন শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় তিন শতাধিক ট্রাক যাতায়াত করে। নিয়ম অনুযায়ী এসব ট্রাকের বাংলাদেশ থেকে তেল কেনার কথা নয়।
তিনি আরও জানান, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবি কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে। ভারতীয় চালকসহ যারাই অবৈধভাবে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ঢল নেমেছে। চলতি মাসের (মার্চ) প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৪১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। এর মধ্যে গত ৩ দিনেই (৫ থেকে ৭ মার্চ) এসেছে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের মার্চের সাত দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
বরিশাল টাইমস