ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৩
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাকে খুন করার অভিযোগে সুজন বালা (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সুজন বালাকে আদালতে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে মায়ের মাথায় কাঠের ডাসা দিয়ে আঘাত করেন সুজন বালা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালা (৬৫) নামে ওই নারীর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মৃত সুনীল বালার স্ত্রী কানন বালার সঙ্গে তার ছেলে সুজন বালার ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে দরজায় ব্যবহৃত কাঠের ডাসা দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন।
পরদিন ভোরে কানন বালাকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রী বাদী হয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) কাউখালী থানায় ভাগনে সুজন বালাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউখালী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) এবাদ আলী বরিশালটাইমসকে বলেন, কানন বালার ভাই বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর সোমবার রাতে আসামি সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাকে খুন করার অভিযোগে সুজন বালা (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সুজন বালাকে আদালতে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে মায়ের মাথায় কাঠের ডাসা দিয়ে আঘাত করেন সুজন বালা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালা (৬৫) নামে ওই নারীর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মৃত সুনীল বালার স্ত্রী কানন বালার সঙ্গে তার ছেলে সুজন বালার ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে দরজায় ব্যবহৃত কাঠের ডাসা দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন।
পরদিন ভোরে কানন বালাকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রী বাদী হয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) কাউখালী থানায় ভাগনে সুজন বালাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউখালী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) এবাদ আলী বরিশালটাইমসকে বলেন, কানন বালার ভাই বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর সোমবার রাতে আসামি সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রবাসীর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে নাঈম (২৫) নামে এক যুবক স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন। এ সময় ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী, কন্যা ও এক প্রতিবেশীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। আটক নাঈম ওই এলাকার মো. রফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি নেছারাবাদ উপজেলার নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির পাশে থাকা একটি সুপারি গাছ বেয়ে উঠে নাঈম ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরে থাকা ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার তাকে দেখে ফেলেন। নাজমা মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে নাঈম তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে নাজমাকে আঘাত করা হয়। নাজমার চিৎকার শুনে তার মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নুহিন মিয়া তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা আক্তার বলেন, ‘ঘরে কাজ করার সময় হঠাৎ দেখি নাঈম সুপারি গাছ বেয়ে ঘরে ঢুকেছে। আমি মোবাইলে ফোন করতে গেলে সে বাধা দেয়। পরে চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। আমার মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন এগিয়ে এলে তাদেরও আহত করা হয়।’
প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বড় ভাই মো. মিরাজ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকে। এই সুযোগে নাঈম দিনদুপুরে বাড়িতে চুরি করতে এসেছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় তিনজন ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে।’
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় নাঈম ও তার বাবা রফিককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রবাসীর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে নাঈম (২৫) নামে এক যুবক স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন। এ সময় ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী, কন্যা ও এক প্রতিবেশীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। আটক নাঈম ওই এলাকার মো. রফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি নেছারাবাদ উপজেলার নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির পাশে থাকা একটি সুপারি গাছ বেয়ে উঠে নাঈম ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরে থাকা ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার তাকে দেখে ফেলেন। নাজমা মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে নাঈম তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে নাজমাকে আঘাত করা হয়। নাজমার চিৎকার শুনে তার মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নুহিন মিয়া তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা আক্তার বলেন, ‘ঘরে কাজ করার সময় হঠাৎ দেখি নাঈম সুপারি গাছ বেয়ে ঘরে ঢুকেছে। আমি মোবাইলে ফোন করতে গেলে সে বাধা দেয়। পরে চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। আমার মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন এগিয়ে এলে তাদেরও আহত করা হয়।’
প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বড় ভাই মো. মিরাজ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকে। এই সুযোগে নাঈম দিনদুপুরে বাড়িতে চুরি করতে এসেছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় তিনজন ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে।’
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় নাঈম ও তার বাবা রফিককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬