
১৬ জুন, ২০২৫ ১৫:২৮
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) সকাল পর্যন্ত গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী বিথি দেবনাথ (১৬) গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বড় চৌদ্দআনী গ্রামের অবনি অশোক দেবনাথের কন্যা। সে উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছিল।
বিথির চাচা অবনি দেবনাথ জানান, "শুক্রবার বিথির পেটে ব্যথা ও বমি হলে প্রথমে তাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা বরিশাল রেফার করলে আমরা আরিফ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই রবিবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথির মৃত্যু হয়।"
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে রয়েছেন- গলাচিপা পৌরসভার লিহা (১০) ও হনুফা বেগম (৪৫), কালিকাপুর গ্রামের তাসফিহা (১৩), রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেন (২০) ও শারমিন আক্তার (১৯), ডাকুয়া গ্রামের তহমিনা বেগম (৩৫), উলানিয়ার ফরহাত হোসেন (২২), গজালিয়ার সুজন (১৪) ও দশমিনা উপজেলার রনগোপালদির লাইলি বেগম (৩৮) ভর্তি হয়েছে জ্বর নিয়ে। পরে পরীক্ষায় ধরা পরে ডেঙ্গু আক্রান্ত।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে। এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় কেউ মারা যায়নি।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গলাচিপা ইউনিটের টিম লিডার ফিরোজ মাহামুদ বলেন,আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন করেছি। এছাড়াও প্রস্তুতি নিয়েছি স্কুল-কলেজ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশন পরিচালনা করব। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই এখন মূল লক্ষ্য।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহামুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মশকনিধনের ওষুধ ও ওষুধ ছিটানোর যন্ত্র (স্প্রে/ফগারসহ যাবতীয় যন্ত্রাংশ ক্রয় করা হয়েছে।
পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদকে মশক নিধন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে বলা হয়েছে একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ কার্যক্রম চলবে। আর ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় গলাচিপা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গলাচিপাবাসীর মাঝে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) সকাল পর্যন্ত গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী বিথি দেবনাথ (১৬) গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বড় চৌদ্দআনী গ্রামের অবনি অশোক দেবনাথের কন্যা। সে উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছিল।
বিথির চাচা অবনি দেবনাথ জানান, "শুক্রবার বিথির পেটে ব্যথা ও বমি হলে প্রথমে তাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা বরিশাল রেফার করলে আমরা আরিফ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই রবিবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথির মৃত্যু হয়।"
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে রয়েছেন- গলাচিপা পৌরসভার লিহা (১০) ও হনুফা বেগম (৪৫), কালিকাপুর গ্রামের তাসফিহা (১৩), রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেন (২০) ও শারমিন আক্তার (১৯), ডাকুয়া গ্রামের তহমিনা বেগম (৩৫), উলানিয়ার ফরহাত হোসেন (২২), গজালিয়ার সুজন (১৪) ও দশমিনা উপজেলার রনগোপালদির লাইলি বেগম (৩৮) ভর্তি হয়েছে জ্বর নিয়ে। পরে পরীক্ষায় ধরা পরে ডেঙ্গু আক্রান্ত।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে। এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় কেউ মারা যায়নি।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গলাচিপা ইউনিটের টিম লিডার ফিরোজ মাহামুদ বলেন,আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন করেছি। এছাড়াও প্রস্তুতি নিয়েছি স্কুল-কলেজ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশন পরিচালনা করব। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই এখন মূল লক্ষ্য।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহামুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মশকনিধনের ওষুধ ও ওষুধ ছিটানোর যন্ত্র (স্প্রে/ফগারসহ যাবতীয় যন্ত্রাংশ ক্রয় করা হয়েছে।
পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদকে মশক নিধন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে বলা হয়েছে একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ কার্যক্রম চলবে। আর ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় গলাচিপা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গলাচিপাবাসীর মাঝে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.