
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের হিজলায় স্কুল ছাত্রকে লাথি মেরে হত্যা করেছে তার প্রতিবেশী এক যুবক। পরে লাশ খালে ফেলে দেয়। হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে থেকে শুক্রবার সকালে লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা হত্যাকারীকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বলে বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানিয়েছেন।
নিহত ১২ বছর বয়সী আরিফ রাঢ়ী উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। তাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
মোশারফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, “বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশারেফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে।
“কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এতে রাগে মোশারফ আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আরিফের মৃত্যু হয়েছে। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়।”
তিনি বলেন, “শুক্রবার সকাল আটটার দিকে আরিফের লাশ খালের পাড়ে দেখতে পায় স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত থাকার সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে।”
এ ঘটনায় মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আরিফের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে বলে এএসপি বান্না জানিয়েছেন।এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মোশারফের মাকে পুলিশে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় তাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
বরিশালের হিজলায় স্কুল ছাত্রকে লাথি মেরে হত্যা করেছে তার প্রতিবেশী এক যুবক। পরে লাশ খালে ফেলে দেয়। হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে থেকে শুক্রবার সকালে লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা হত্যাকারীকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বলে বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানিয়েছেন।
নিহত ১২ বছর বয়সী আরিফ রাঢ়ী উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। তাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
মোশারফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, “বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশারেফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে।
“কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এতে রাগে মোশারফ আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আরিফের মৃত্যু হয়েছে। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়।”
তিনি বলেন, “শুক্রবার সকাল আটটার দিকে আরিফের লাশ খালের পাড়ে দেখতে পায় স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত থাকার সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে।”
এ ঘটনায় মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আরিফের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে বলে এএসপি বান্না জানিয়েছেন।এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মোশারফের মাকে পুলিশে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় তাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৫
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বরিশাল কোতয়ালি থানা শাখার উদ্যোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জুমাবাদ নগরীর একটি কনভেনশন হলে আলোচনা সভা শেষে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দীন মুহাম্মদ বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বরিশাল মহানগররের সভাপতি মাস্টার মিজানুর রহমান।
সভাপতি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোতয়ালি থানা সভাপতি মাহমুদুল হাসান কামাল। এছাড়া কোতয়ালি থানা শাখার সেক্রেটারি সেলিম হাওলাদার, সহ সভাপতি আবু জাফর, শিক্ষাবিদ নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দীন বাবর বলেন, সাহাবাদের অনুসারী মানুষ গড়ার প্রয়াস চালাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ন্যায় ইনসাফের সমাজ গড়তে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। সেজন্য আমাদেরকে আল্লাহর রাসুলের (স:) আদর্শে জীবন পরিচালনায় অভ্যস্থ হতে হবে।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বরিশাল কোতয়ালি থানা শাখার উদ্যোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জুমাবাদ নগরীর একটি কনভেনশন হলে আলোচনা সভা শেষে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দীন মুহাম্মদ বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বরিশাল মহানগররের সভাপতি মাস্টার মিজানুর রহমান।
সভাপতি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোতয়ালি থানা সভাপতি মাহমুদুল হাসান কামাল। এছাড়া কোতয়ালি থানা শাখার সেক্রেটারি সেলিম হাওলাদার, সহ সভাপতি আবু জাফর, শিক্ষাবিদ নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দীন বাবর বলেন, সাহাবাদের অনুসারী মানুষ গড়ার প্রয়াস চালাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ন্যায় ইনসাফের সমাজ গড়তে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। সেজন্য আমাদেরকে আল্লাহর রাসুলের (স:) আদর্শে জীবন পরিচালনায় অভ্যস্থ হতে হবে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস পর বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
এ ঘটনার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, কে বা কারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে যায়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে যায়।
পরবর্তীতে বিকেল থেকে উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছে।
দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস পর বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
এ ঘটনার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, কে বা কারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে যায়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে যায়।
পরবর্তীতে বিকেল থেকে উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩০
বরিশালের বাকেরগঞ্জে সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির আড়ালে চলছে ভয়াবহ সুদের কারবার। তথাকথিত এসব মাল্টিপারপাস সমিতির ‘গলাকাটা’ সুদের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
সচ্ছলতার আশায় চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আসল ও সুদের ঘানি টানতে গিয়ে অনেক পরিবার এখন ভিটেমাটি হারানোর পথে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা সমবায় অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব অবৈধ সমিতি গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ এসব সমিতির দ্বারস্থ হলে তাদের ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে স্বাক্ষর করা খালি ব্যাংক চেক ও সাদা স্ট্যাম্প জমা দিতে হয়।
পরবর্তীতে ঋণের টাকা পরিশোধে সামান্য দেরি হলেই ওই চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে গ্রাহককে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের স্থাবর সম্পত্তি লিখে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সমিতিরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠান মাসে হাজারে ১০০ টাকা (শতকরা ১০ টাকা হারে) পর্যন্ত সুদ আদায় করছে।
লেনদেনের স্বচ্ছতার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রেজিস্টার ব্যবহার না করে ছোট ছোট ‘টালি খাতায়’ সাঙ্কেতিক ভাষায় সুদের হিসাব রাখা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে চরম আর্থিক ও মানসিক যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন।
উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অলিগলিতে গড়ে ওঠা এসব সমিতির পাস বইয়ে ‘মানবসেবা’ ও ‘উন্নয়নের’ স্লোগান লেখা থাকলেও নেপথ্যে রয়েছে কেবলই সুদের ব্যবসা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ সমিতিরই সমবায় অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেই। নিবন্ধন থাকলেও তারা সমবায় আইন তোয়াক্কা না করে ব্যাংকিং স্টাইলে চড়া সুদে লেনদেন করছে।
উপজেলা সমবায় অফিস ও প্রশাসনের যথাযথ নজরদারি না থাকায় এই অশুভ চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, এই অবৈধ সুদি ব্যবসা বন্ধ না হলে গ্রামীণ জনপদে অপরাধ ও আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "অভাবের সময় টাকা নিয়ে এখন আমরা চোখে সর্ষে ফুল দেখছি। সুদের টাকা দিতে গিয়ে খাওয়ার টাকাও থাকছে না। প্রশাসনের উচিত এখনই এসব সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।"
বরিশালের বাকেরগঞ্জে সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির আড়ালে চলছে ভয়াবহ সুদের কারবার। তথাকথিত এসব মাল্টিপারপাস সমিতির ‘গলাকাটা’ সুদের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
সচ্ছলতার আশায় চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আসল ও সুদের ঘানি টানতে গিয়ে অনেক পরিবার এখন ভিটেমাটি হারানোর পথে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা সমবায় অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব অবৈধ সমিতি গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ এসব সমিতির দ্বারস্থ হলে তাদের ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে স্বাক্ষর করা খালি ব্যাংক চেক ও সাদা স্ট্যাম্প জমা দিতে হয়।
পরবর্তীতে ঋণের টাকা পরিশোধে সামান্য দেরি হলেই ওই চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে গ্রাহককে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের স্থাবর সম্পত্তি লিখে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সমিতিরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠান মাসে হাজারে ১০০ টাকা (শতকরা ১০ টাকা হারে) পর্যন্ত সুদ আদায় করছে।
লেনদেনের স্বচ্ছতার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রেজিস্টার ব্যবহার না করে ছোট ছোট ‘টালি খাতায়’ সাঙ্কেতিক ভাষায় সুদের হিসাব রাখা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে চরম আর্থিক ও মানসিক যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন।
উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অলিগলিতে গড়ে ওঠা এসব সমিতির পাস বইয়ে ‘মানবসেবা’ ও ‘উন্নয়নের’ স্লোগান লেখা থাকলেও নেপথ্যে রয়েছে কেবলই সুদের ব্যবসা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ সমিতিরই সমবায় অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেই। নিবন্ধন থাকলেও তারা সমবায় আইন তোয়াক্কা না করে ব্যাংকিং স্টাইলে চড়া সুদে লেনদেন করছে।
উপজেলা সমবায় অফিস ও প্রশাসনের যথাযথ নজরদারি না থাকায় এই অশুভ চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, এই অবৈধ সুদি ব্যবসা বন্ধ না হলে গ্রামীণ জনপদে অপরাধ ও আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "অভাবের সময় টাকা নিয়ে এখন আমরা চোখে সর্ষে ফুল দেখছি। সুদের টাকা দিতে গিয়ে খাওয়ার টাকাও থাকছে না। প্রশাসনের উচিত এখনই এসব সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।"
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.