প্রেমের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাতভর দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও প্রধান গেটসংলগ্ন এলাকায় কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের দিন ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসা হোসাইন অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। এ সময় ওই ছাত্রীর মুঠোফোন নিয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান মুসা। পরে ওই ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তাকে র্যাগিং ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে মুসার বিরুদ্ধে। বিষয়টি অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়রদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে মুসাকে মারধর করা হয়। এরপর দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতভর ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
অভিযোগ, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে অর্থনীতি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেট এলাকায় তাদের গাড়ি থামিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অর্থনীতি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, বিভাগের এক জুনিয়র ছাত্রীকে র্যাগিং ও উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দেন ইংরেজি বিভাগের মুসা। ওই ছাত্রী রাজি না হওয়ায় তাকে আটকে রাখারও অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীরা ভিসি গেটের বিপরীতে জড়ো হন। একপর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ১৩তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী মারামারির জন্য এগিয়ে এলে হাতাহাতির সূত্রপাত হয়।
এদিকে আহত হওয়ায় অভিযুক্ত মুসা হোসাইনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইংরেজি বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করে মুসার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, মুসা কোনো অপরাধ করে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা যেত।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ সাংবাদিকদের বলেন, দুই পক্ষকে নিবৃত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৫
আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ইং, সোমবার ভাষা সৈনিক মরহুম শেখ এ মালেকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল-এ ৭৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি একাধারে নাট্যকর্মী, সমাজসেবক ও দক্ষ সংগঠক এবং সাংবাদিক ছিলেন। প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক ছিল। এছাড়া বরিশালের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাথে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ট। কর্ম জীবনে তিনি বরিশাল প্রধান ডাকঘরের প্রধান পোস্টমাস্টার (এপিএমজি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি একাধারে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সাপ্তাহিক খাদেম পত্রিকার সহসম্পাদক, শের-ই বাংলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি, সাহিত্য পরিষদ, পাবলিক লাইব্রেরী, ফোকলোল, নাট্য নিকেতন, শিল্পকলা একাডেমি, মুকুল ফৌজসহ নানা সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
ছাত্রজীবনে তিনি একে স্কুল ও বি এম কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৪১-৪৭ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক সম্মুখ সক্রিয় সৈনিক। এবং তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্বে কালো পতাকা উত্তলোনকারী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বরিশাল জেলা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১১ মার্চ ফকিরবাড়ি রোডের জনসভা থেকে আন্দোলরত অবস্থায় তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৭১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি, বিএম কলেজের ভিপি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ আবদুর রব ও ঝালকাঠি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট শেখ আবদুছ শুকুর (অনারারি মেজিস্ট্রেট) তাদেরই বড় ভাই হওয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল ওয়াপদার টর্চার সেলে নিয়ে যায় এবং তার ওপর নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আমানতগঞ্জ রেডক্রসের তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজ গ্রাম শেখেরহাটে বহু প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পোস্ট অফিস, লঞ্চ/স্টিমার ঘাট, টেলিফোন অফিস, পুলিশ ফাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ অন্যতম। রোকেয়া খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রাথমিক কার্যক্রম নিজ কাচারি বাড়িতে শুরু করেন। এককথায় শেখেরহাটের উন্নয়নমূলক কাজে তার সক্রিয় ভূমিকা আজো প্রবাদপ্রতিম। শেখেরহাটের আনজিৎ শাহ (র:) এর মাজারের আধুনিকায়নে তার ভূমিকা অনন্য। সদালাপি, সদাহাস্যোজ্জ্বল শেখ আবদুল মালেক কারও কাছে মালেক ভাই, কারো মালেক দা হিসাবে বিশেষ পরিচিত ছিলেন।
আজকের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল ও শেখের হাটে (রাজপাশা) নিজেদের প্রতিষ্ঠিত আরএসএম মাদ্রাসা, মসজিদে কোরাআন খতম, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর পরিবার সকল শুভাকাঙ্খি ও স্বজনদের কাছে মরহুমের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’
আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ইং, সোমবার ভাষা সৈনিক মরহুম শেখ এ মালেকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল-এ ৭৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি একাধারে নাট্যকর্মী, সমাজসেবক ও দক্ষ সংগঠক এবং সাংবাদিক ছিলেন। প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক ছিল। এছাড়া বরিশালের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাথে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ট। কর্ম জীবনে তিনি বরিশাল প্রধান ডাকঘরের প্রধান পোস্টমাস্টার (এপিএমজি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি একাধারে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সাপ্তাহিক খাদেম পত্রিকার সহসম্পাদক, শের-ই বাংলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি, সাহিত্য পরিষদ, পাবলিক লাইব্রেরী, ফোকলোল, নাট্য নিকেতন, শিল্পকলা একাডেমি, মুকুল ফৌজসহ নানা সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
ছাত্রজীবনে তিনি একে স্কুল ও বি এম কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৪১-৪৭ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক সম্মুখ সক্রিয় সৈনিক। এবং তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্বে কালো পতাকা উত্তলোনকারী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বরিশাল জেলা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১১ মার্চ ফকিরবাড়ি রোডের জনসভা থেকে আন্দোলরত অবস্থায় তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৭১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি, বিএম কলেজের ভিপি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ আবদুর রব ও ঝালকাঠি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট শেখ আবদুছ শুকুর (অনারারি মেজিস্ট্রেট) তাদেরই বড় ভাই হওয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল ওয়াপদার টর্চার সেলে নিয়ে যায় এবং তার ওপর নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আমানতগঞ্জ রেডক্রসের তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজ গ্রাম শেখেরহাটে বহু প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পোস্ট অফিস, লঞ্চ/স্টিমার ঘাট, টেলিফোন অফিস, পুলিশ ফাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ অন্যতম। রোকেয়া খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রাথমিক কার্যক্রম নিজ কাচারি বাড়িতে শুরু করেন। এককথায় শেখেরহাটের উন্নয়নমূলক কাজে তার সক্রিয় ভূমিকা আজো প্রবাদপ্রতিম। শেখেরহাটের আনজিৎ শাহ (র:) এর মাজারের আধুনিকায়নে তার ভূমিকা অনন্য। সদালাপি, সদাহাস্যোজ্জ্বল শেখ আবদুল মালেক কারও কাছে মালেক ভাই, কারো মালেক দা হিসাবে বিশেষ পরিচিত ছিলেন।
আজকের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার পৈতৃক বাড়ি “শেখের হাট লজ” আমানতগঞ্জ, বরিশাল ও শেখের হাটে (রাজপাশা) নিজেদের প্রতিষ্ঠিত আরএসএম মাদ্রাসা, মসজিদে কোরাআন খতম, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর পরিবার সকল শুভাকাঙ্খি ও স্বজনদের কাছে মরহুমের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১২
প্রেমের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাতভর দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও প্রধান গেটসংলগ্ন এলাকায় কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের দিন ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসা হোসাইন অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। এ সময় ওই ছাত্রীর মুঠোফোন নিয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান মুসা। পরে ওই ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তাকে র্যাগিং ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে মুসার বিরুদ্ধে। বিষয়টি অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়রদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে মুসাকে মারধর করা হয়। এরপর দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতভর ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
অভিযোগ, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে অর্থনীতি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেট এলাকায় তাদের গাড়ি থামিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অর্থনীতি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, বিভাগের এক জুনিয়র ছাত্রীকে র্যাগিং ও উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দেন ইংরেজি বিভাগের মুসা। ওই ছাত্রী রাজি না হওয়ায় তাকে আটকে রাখারও অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীরা ভিসি গেটের বিপরীতে জড়ো হন। একপর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ১৩তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী মারামারির জন্য এগিয়ে এলে হাতাহাতির সূত্রপাত হয়।
এদিকে আহত হওয়ায় অভিযুক্ত মুসা হোসাইনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইংরেজি বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করে মুসার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, মুসা কোনো অপরাধ করে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা যেত।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ সাংবাদিকদের বলেন, দুই পক্ষকে নিবৃত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৫