
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিজের কেনা জমিতে প্রবেশের জন্য কাফি ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। নুরুজ্জামান কাফি ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। তিনি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৪ সালে রজপাড়া মৌজার খঞ্জন আলী হাওলাদারের কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৫৯ সালে মোবারক আলীর কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৬৭ সালে এডিএফসি ব্যাংকের নিলাম থেকে ২৯ একর ১৮ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকজন মালিকের কাছ থেকে ৪ একর ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় ভোগদখল করে আসছে।
মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে রজপাড়া মৌজার জেএল নম্বর-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল করা হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহে ওই জমির মধ্যে সিক্স লেন সড়কের উত্তর পাশে প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে নুরুজ্জামান কাফি রাস্তা নির্মাণ করেন। ওই জমির পাশেই কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের পথ না থাকায় তিনি রাস্তা নির্মাণ করেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের জমির প্রায় ৬ শতাংশ অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি সাংবাদিকদের বলেন, সবাই বলে ওই জমি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে আছে। আমার কেনা জমিটি ওই জমির পেছনে, কিন্তু সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম স্যারের কাছে জমিটি কেনার প্রস্তাব দিই। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির এখতিয়ার তার নেই এবং শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, পরে জানতে পারি, মোবারক পঞ্চায়েতের নাতি সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানসহ উত্তরাধিকারীরা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে দখল বুঝে নিই। পরে ওই জমিতে রাস্তা নির্মাণ করি। আমি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি নই যে অন্যের জমি দখল করব। প্রকৃত মালিকের কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান সাংবাদিকদের বলেন, আমার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মালিকানা দাবি করলেও আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে পটুয়াখালী আদালত এবং ২০২৫ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেন।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে নুরুজ্জামান কাফির যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী ওই জমির প্রকৃত মালিক আমরা উত্তরাধিকারীরা। তাই রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাভিশন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিজের কেনা জমিতে প্রবেশের জন্য কাফি ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। নুরুজ্জামান কাফি ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। তিনি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৪ সালে রজপাড়া মৌজার খঞ্জন আলী হাওলাদারের কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৫৯ সালে মোবারক আলীর কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৬৭ সালে এডিএফসি ব্যাংকের নিলাম থেকে ২৯ একর ১৮ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকজন মালিকের কাছ থেকে ৪ একর ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় ভোগদখল করে আসছে।
মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে রজপাড়া মৌজার জেএল নম্বর-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল করা হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহে ওই জমির মধ্যে সিক্স লেন সড়কের উত্তর পাশে প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে নুরুজ্জামান কাফি রাস্তা নির্মাণ করেন। ওই জমির পাশেই কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের পথ না থাকায় তিনি রাস্তা নির্মাণ করেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের জমির প্রায় ৬ শতাংশ অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি সাংবাদিকদের বলেন, সবাই বলে ওই জমি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে আছে। আমার কেনা জমিটি ওই জমির পেছনে, কিন্তু সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম স্যারের কাছে জমিটি কেনার প্রস্তাব দিই। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির এখতিয়ার তার নেই এবং শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, পরে জানতে পারি, মোবারক পঞ্চায়েতের নাতি সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানসহ উত্তরাধিকারীরা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে দখল বুঝে নিই। পরে ওই জমিতে রাস্তা নির্মাণ করি। আমি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি নই যে অন্যের জমি দখল করব। প্রকৃত মালিকের কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান সাংবাদিকদের বলেন, আমার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মালিকানা দাবি করলেও আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে পটুয়াখালী আদালত এবং ২০২৫ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেন।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে নুরুজ্জামান কাফির যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী ওই জমির প্রকৃত মালিক আমরা উত্তরাধিকারীরা। তাই রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাভিশন।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০২
চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে চিঠিপত্র, সরকারি নথি ও বিভিন্ন ডাকসেবা গ্রহণে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় পটুয়াখালী সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনের দাবিগুলো তুলে ধরেন নেতারা।
বক্তারা জানান, পটুয়াখালী জেলায় প্রায় ৮ শতাধিক শাখা ডাকঘর কর্মচারী রয়েছেন। তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা সরকারের কাজ করলেও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান না।
ডাকঘর কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের চাকরিতে দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য করা হচ্ছে। একই ধরনের কাজ করেও ভিন্ন নিয়মে চাকরি করতে হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে আমাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সরকারের কাছে আমাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে চিঠিপত্র, সরকারি নথি ও বিভিন্ন ডাকসেবা গ্রহণে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় পটুয়াখালী সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনের দাবিগুলো তুলে ধরেন নেতারা।
বক্তারা জানান, পটুয়াখালী জেলায় প্রায় ৮ শতাধিক শাখা ডাকঘর কর্মচারী রয়েছেন। তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা সরকারের কাজ করলেও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান না।
ডাকঘর কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের চাকরিতে দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য করা হচ্ছে। একই ধরনের কাজ করেও ভিন্ন নিয়মে চাকরি করতে হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে আমাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সরকারের কাছে আমাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২১
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।