
০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৩৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে তরমুজ চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। কৃষকদের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে সারের চাহিদা বেড়ে গেছে সরবরাহ কম, এমন দাবী তুলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নে সারের মোট ১৫জন প্রধান ডিলার ও ১০৫জন খুচরা ডিলার রয়েছে। প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে খুচরা ডিলাররা সার কিনে নিয়ে কৃষকদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন। এ ছাড়াও প্রত্যেক প্রধান ডিলাররা নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান বাজারের বিএসপি (বায়ো সুপার ফসফেট) ড্যাপ ও টিএসপি (ত্রিপল সুপার ফসফেট)মরক্কো সারের সংকট বেশি। বিএসপি ড্যাপ সারের প্রতি বস্তা সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১০৫০ টাকা ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১৩৫০টাকা। কিন্তু ডিলাররা এই সার দুটির সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। একাধিক খুচরা ডিলাররা জানিয়েছেন, প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে তারা বর্তমানে ১৫৫০ টাকায় বিএসপি ড্যাপ কিনে বিক্রি করছেন ১৫৮০ টাকায় আর টিএসপি (মরক্কো) ১৭০০ টাকায় কিনে বিক্রি করছেন ১৭২০ টাকায়।
কালাইয়া বন্দরের খুচরা ডিলার মো. হারুন রসিদ বলেন, বিএসপি ড্যাপ ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সংকট বেশি। ডিলাররা আমাদের কাছে প্রতিবস্তা যে দামে রাখেন তার চেয়ে বস্তায় ২০ থেকে ৩০টাকা লাভে আমরা বিক্রি করি। কৃষকরা তাদের চাহিদা মতন সার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। আবার কোন কোন কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনে নিচ্ছেন।
উপজেলার চরকালাইয়া এলাকার কৃষক আলমগীর হোসেন আনোয়ার প্যাদা বলেন, প্রতি বছরই এই মৌসুমে সার নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরকার দাম ঠিক করে দিলেও বাজারে তা মানা হয় না। অতিরিক্ত দামে সার কিনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, লাভ হচ্ছে কম।
কোটন গাজী নামে এ তরমুজ চাষি মমিনপুর চরে তরমুজ চাষ করার জন্য ৫০ একর জমি প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সারের দাম যে ভাবে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে তাতে ৫০ একর জমিতে চাষাবাদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।
স্থানীয় কৃষকেরা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বিকার করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, উপজেলায় যে পরিমান সারের চাহিদা তার চেয়ে বরাদ্ধ কম। এই কারণেই সারের সংকটটা বেশি। তবে আশা করা হচ্ছে খুব শিগ্রই এই সংকট কেটে যাবে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, এই উপজেলায় গত মৌসুমে তরমুজ চাষ হয়েছে ৪২০০ হেক্টর। চলতি মৌসুমে বেড়ে তা দাড়িয়েছে ৪৫০০ হেক্টর। সার বেশি দামে বিক্রি হওয়ার কোন অভিযোগ কৃষকদের কাছ থেকে আমি পাইনি। তবে যে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। সরকারি নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি করলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে তরমুজ চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। কৃষকদের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে সারের চাহিদা বেড়ে গেছে সরবরাহ কম, এমন দাবী তুলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নে সারের মোট ১৫জন প্রধান ডিলার ও ১০৫জন খুচরা ডিলার রয়েছে। প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে খুচরা ডিলাররা সার কিনে নিয়ে কৃষকদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন। এ ছাড়াও প্রত্যেক প্রধান ডিলাররা নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান বাজারের বিএসপি (বায়ো সুপার ফসফেট) ড্যাপ ও টিএসপি (ত্রিপল সুপার ফসফেট)মরক্কো সারের সংকট বেশি। বিএসপি ড্যাপ সারের প্রতি বস্তা সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১০৫০ টাকা ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সরকারী নির্ধারিত মূল্য রয়েছে ১৩৫০টাকা। কিন্তু ডিলাররা এই সার দুটির সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। একাধিক খুচরা ডিলাররা জানিয়েছেন, প্রধান ডিলারদের কাছ থেকে তারা বর্তমানে ১৫৫০ টাকায় বিএসপি ড্যাপ কিনে বিক্রি করছেন ১৫৮০ টাকায় আর টিএসপি (মরক্কো) ১৭০০ টাকায় কিনে বিক্রি করছেন ১৭২০ টাকায়।
কালাইয়া বন্দরের খুচরা ডিলার মো. হারুন রসিদ বলেন, বিএসপি ড্যাপ ও টিএসপি (মরক্কো) সারের সংকট বেশি। ডিলাররা আমাদের কাছে প্রতিবস্তা যে দামে রাখেন তার চেয়ে বস্তায় ২০ থেকে ৩০টাকা লাভে আমরা বিক্রি করি। কৃষকরা তাদের চাহিদা মতন সার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। আবার কোন কোন কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনে নিচ্ছেন।
উপজেলার চরকালাইয়া এলাকার কৃষক আলমগীর হোসেন আনোয়ার প্যাদা বলেন, প্রতি বছরই এই মৌসুমে সার নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরকার দাম ঠিক করে দিলেও বাজারে তা মানা হয় না। অতিরিক্ত দামে সার কিনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, লাভ হচ্ছে কম।
কোটন গাজী নামে এ তরমুজ চাষি মমিনপুর চরে তরমুজ চাষ করার জন্য ৫০ একর জমি প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সারের দাম যে ভাবে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে তাতে ৫০ একর জমিতে চাষাবাদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।
স্থানীয় কৃষকেরা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বিকার করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, উপজেলায় যে পরিমান সারের চাহিদা তার চেয়ে বরাদ্ধ কম। এই কারণেই সারের সংকটটা বেশি। তবে আশা করা হচ্ছে খুব শিগ্রই এই সংকট কেটে যাবে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, এই উপজেলায় গত মৌসুমে তরমুজ চাষ হয়েছে ৪২০০ হেক্টর। চলতি মৌসুমে বেড়ে তা দাড়িয়েছে ৪৫০০ হেক্টর। সার বেশি দামে বিক্রি হওয়ার কোন অভিযোগ কৃষকদের কাছ থেকে আমি পাইনি। তবে যে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। সরকারি নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি করলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড় টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামের সুন্দর আলী খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অগ্নি কান্ডে আব্দুস সালাম খান, জালাল খান ও খলিল খানের বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে জালাল খানের ঘরে আগুনের সূত্র পাত হলে স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলেযায়।
এ সময় পাশা পাশি তিনটি বসত ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল রাত দুই টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আশ পাশের অন্য ঘর বাড়ি রক্ষা পায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাউফল ষ্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো.সাব্বির হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে জালাল খানের ঘরে একটি পুরনো সিলিং ফ্যান শর্ট সার্কিট হয়ে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে। সময় মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড় টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামের সুন্দর আলী খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অগ্নি কান্ডে আব্দুস সালাম খান, জালাল খান ও খলিল খানের বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে জালাল খানের ঘরে আগুনের সূত্র পাত হলে স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলেযায়।
এ সময় পাশা পাশি তিনটি বসত ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল রাত দুই টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আশ পাশের অন্য ঘর বাড়ি রক্ষা পায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাউফল ষ্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো.সাব্বির হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে জালাল খানের ঘরে একটি পুরনো সিলিং ফ্যান শর্ট সার্কিট হয়ে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে। সময় মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.