বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪৭
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬