ছবি: সংগৃহীত
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০০
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৪০
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩২
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২২
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৩