
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:২২
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যারা ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলমানদের সামাজিক ও ধর্মীয় স্বার্থ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের তালিকায় বেগম খালেদা জিয়ার নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। প্রথমত, তিনি দীর্ঘসময় বাংলাদেশী মুসলিম জাতীয়তাবাদের আদর্শ লালন করে দেশ পরিচালনা করেছেন। দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থেকে অন্য অনেক ধর্মীয় রাজনৈতিক নেতার তুলনায় বাস্তবে বেশি সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন। ধর্মীয় রাজনীতিকেরা অনেক পরিকল্পনা করলেও অবস্থানগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেসব বাস্তবায়ন করতে পারেননি।
দ্বিতীয়ত, গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বে ওঠার শুরু থেকেই তিনি আলেম সমাজকে কাছে টেনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। ফলে মুসলিম স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাঁর নীতিনির্ধারণে সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেও পূর্ণ মেয়াদে দুই দফায় দেশ পরিচালনা করেন। প্রথমবার ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং দ্বিতীয়বার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল।
উভয় মেয়াদেই ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার, আলেম সমাজের মূল্যায়ন, ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন, ইসলামী আর্থিক ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার নানা নীতি গ্রহণ করা হয়। আজকের আলোচনায় সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে প্রমাণসহ সংরক্ষিত কিছু নীতি ও উদ্যোগ পর্যালোচনা করা হলো।
১৯৯১ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও সংবিধানের প্রস্তাবনায় যুক্ত বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম অপরিবর্তিত থাকে। বরং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার বারবার সংসদে ও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
২০০৫ সালের সংসদীয় কার্যবিবরণীতেও এ অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
১৯৯২–৯৫ মেয়াদে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী স্টাডিজ অ্যান্ড দাওয়াহ অনুষদ বিস্তারে সরকার কয়েকটি নতুন বিভাগ অনুমোদন দেয়। ১৯৯৩ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গেজেটেও অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ আছে।
২০০১–২০০৬ মেয়াদে ফাজিল সনদকে ডিগ্রি ও কামিল সনদকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়া হয়। এর ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা মূলধারার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
এ সময় মাদরাসা উন্নয়নেও বাজেট বৃদ্ধি করা হয়।
১৯৯২ সাল থেকে কওমি সনদের স্বীকৃতির দাবী ওঠে। ২০০৫ সালে পল্টনে বিশাল সম্মেলন ও পাঁচদিনের অবস্থান কর্মসূচির পর বেগম খালেদা জিয়া উলামাদের সঙ্গে বৈঠক করে দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় গেজেটও প্রকাশ করে। সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাস্তবায়ন অসম্পূর্ণ থাকলেও এটাই ছিল কওমি সনদের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
৫. ইসলামি ব্যাংকিং ও শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থার বিস্তার
২০০১–২০০৬ মেয়াদে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও শাখা সম্প্রসারণ পায়। ইসলামী ব্যাংকিং মধ্যবিত্তের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করে এবং এই সময় দ্রুত দেশজুড়ে বিস্তৃত হয়।
২০০৫–২০০৬ সালে জাতীয় ঈদগাহ উন্নয়ন, বায়তুল মোকাররম সংস্কার এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইমাম–মুয়াজ্জিন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পায়।
১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে বিভিন্ন মাজারের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।
সৌদি আরব, পাকিস্তান, ইউএই, মালয়েশিয়া, ব্রুনাইসহ মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে শ্রমবাজার, শিক্ষা, বাণিজ্য ও কূটনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটে। OIC–এ বাংলাদেশের উপস্থিতিও আরও শক্তিশালী হয়।
১৯৯২–৯৪ সালে বিভিন্ন ইসলামী ধারার ওপর অভিযোগ উঠলে খালেদা জিয়া সংসদে তদন্তের আশ্বাস দেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে হয়রানি না করার নির্দেশ দেন।
২০০৩–২০০৬ সালে হজযাত্রী পরিবহনে বিআইএ–কে শক্তিশালী করা হয় এবং সৌদি সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ভিসা প্রাপ্তি সহজ হয়।
প্রথমবারের মতো কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা হয়। তাঁদের দলীয় মনোনয়ন দিয়ে সংসদে পাঠানো হয় এবং ওয়াকফ সম্পত্তি, মাদরাসার জমি ও কর–সুবিধাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা অনুমোদন করা হয়।
দুই মেয়াদেই রমজানে মূল্যনিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।
২০০৫ সালে ইউরোপে নবীজি সম্পর্কে বিতর্কিত কার্টুন প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কঠোর নিন্দা জানায়।
সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে তিনটি দিক বিশেষভাবে স্পষ্ট ছিল:
এক. রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামের মর্যাদা রক্ষা।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে নীতিগতভাবে শক্তিশালী করা।
তিন. মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করা।
সরকারে না থাকলেও ইসলাম ও মুসলিমদের বিষয় নিয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে অবস্থান জানিয়েছেন। যেমন ২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চের বিতর্কে তিনি স্পষ্ট বক্তব্য দেন। একই বছর শাপলা চত্বরে তাওহিদী জনতার দাবিতে তাঁর সমর্থনও স্মরণীয়।
এমন অসংখ্য দৃষ্টান্তে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ধারাবাহিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আল্লাহ এই মহীয়সী নারীকে তাঁর কর্ম অনুযায়ী উত্তম প্রতিদান দিন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যারা ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলমানদের সামাজিক ও ধর্মীয় স্বার্থ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের তালিকায় বেগম খালেদা জিয়ার নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। প্রথমত, তিনি দীর্ঘসময় বাংলাদেশী মুসলিম জাতীয়তাবাদের আদর্শ লালন করে দেশ পরিচালনা করেছেন। দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থেকে অন্য অনেক ধর্মীয় রাজনৈতিক নেতার তুলনায় বাস্তবে বেশি সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন। ধর্মীয় রাজনীতিকেরা অনেক পরিকল্পনা করলেও অবস্থানগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেসব বাস্তবায়ন করতে পারেননি।
দ্বিতীয়ত, গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বে ওঠার শুরু থেকেই তিনি আলেম সমাজকে কাছে টেনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। ফলে মুসলিম স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাঁর নীতিনির্ধারণে সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেও পূর্ণ মেয়াদে দুই দফায় দেশ পরিচালনা করেন। প্রথমবার ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং দ্বিতীয়বার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল।
উভয় মেয়াদেই ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার, আলেম সমাজের মূল্যায়ন, ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন, ইসলামী আর্থিক ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার নানা নীতি গ্রহণ করা হয়। আজকের আলোচনায় সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে প্রমাণসহ সংরক্ষিত কিছু নীতি ও উদ্যোগ পর্যালোচনা করা হলো।
১৯৯১ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও সংবিধানের প্রস্তাবনায় যুক্ত বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম অপরিবর্তিত থাকে। বরং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার বারবার সংসদে ও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
২০০৫ সালের সংসদীয় কার্যবিবরণীতেও এ অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
১৯৯২–৯৫ মেয়াদে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী স্টাডিজ অ্যান্ড দাওয়াহ অনুষদ বিস্তারে সরকার কয়েকটি নতুন বিভাগ অনুমোদন দেয়। ১৯৯৩ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গেজেটেও অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ আছে।
২০০১–২০০৬ মেয়াদে ফাজিল সনদকে ডিগ্রি ও কামিল সনদকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়া হয়। এর ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা মূলধারার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
এ সময় মাদরাসা উন্নয়নেও বাজেট বৃদ্ধি করা হয়।
১৯৯২ সাল থেকে কওমি সনদের স্বীকৃতির দাবী ওঠে। ২০০৫ সালে পল্টনে বিশাল সম্মেলন ও পাঁচদিনের অবস্থান কর্মসূচির পর বেগম খালেদা জিয়া উলামাদের সঙ্গে বৈঠক করে দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় গেজেটও প্রকাশ করে। সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাস্তবায়ন অসম্পূর্ণ থাকলেও এটাই ছিল কওমি সনদের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
৫. ইসলামি ব্যাংকিং ও শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থার বিস্তার
২০০১–২০০৬ মেয়াদে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও শাখা সম্প্রসারণ পায়। ইসলামী ব্যাংকিং মধ্যবিত্তের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করে এবং এই সময় দ্রুত দেশজুড়ে বিস্তৃত হয়।
২০০৫–২০০৬ সালে জাতীয় ঈদগাহ উন্নয়ন, বায়তুল মোকাররম সংস্কার এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইমাম–মুয়াজ্জিন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পায়।
১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে বিভিন্ন মাজারের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।
সৌদি আরব, পাকিস্তান, ইউএই, মালয়েশিয়া, ব্রুনাইসহ মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে শ্রমবাজার, শিক্ষা, বাণিজ্য ও কূটনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটে। OIC–এ বাংলাদেশের উপস্থিতিও আরও শক্তিশালী হয়।
১৯৯২–৯৪ সালে বিভিন্ন ইসলামী ধারার ওপর অভিযোগ উঠলে খালেদা জিয়া সংসদে তদন্তের আশ্বাস দেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে হয়রানি না করার নির্দেশ দেন।
২০০৩–২০০৬ সালে হজযাত্রী পরিবহনে বিআইএ–কে শক্তিশালী করা হয় এবং সৌদি সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ভিসা প্রাপ্তি সহজ হয়।
প্রথমবারের মতো কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা হয়। তাঁদের দলীয় মনোনয়ন দিয়ে সংসদে পাঠানো হয় এবং ওয়াকফ সম্পত্তি, মাদরাসার জমি ও কর–সুবিধাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা অনুমোদন করা হয়।
দুই মেয়াদেই রমজানে মূল্যনিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।
২০০৫ সালে ইউরোপে নবীজি সম্পর্কে বিতর্কিত কার্টুন প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কঠোর নিন্দা জানায়।
সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে তিনটি দিক বিশেষভাবে স্পষ্ট ছিল:
এক. রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামের মর্যাদা রক্ষা।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে নীতিগতভাবে শক্তিশালী করা।
তিন. মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করা।
সরকারে না থাকলেও ইসলাম ও মুসলিমদের বিষয় নিয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে অবস্থান জানিয়েছেন। যেমন ২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চের বিতর্কে তিনি স্পষ্ট বক্তব্য দেন। একই বছর শাপলা চত্বরে তাওহিদী জনতার দাবিতে তাঁর সমর্থনও স্মরণীয়।
এমন অসংখ্য দৃষ্টান্তে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ধারাবাহিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আল্লাহ এই মহীয়সী নারীকে তাঁর কর্ম অনুযায়ী উত্তম প্রতিদান দিন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১