রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৫
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্লোগান ও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকেই। অনেকেই ইউনূসের মতো সম্মানী ব্যক্তিতে হেনস্তার জন্য সংশ্লিষ্টদের শাস্তি দাবিও করেছেন।
তবে উল্টো সুর শোনা গেল আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলমের কন্ঠে। মৎসজীবী দলের এই নেত্রী ইউনূসের শাসনামলে তার সঙ্গে হওয়া একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তার প্রেক্ষিতে ড. ইউনূসের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্বক পোস্ট করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে মেঘনা লেখেন, ‘ইউনূস কি অবস্থা? এক সৌদি বেটাকে খুশি করতে নিজ দেশের ইমেজ, ইজ্জত দুনিয়াতে ছোট করে, নিজ দেশের মহিলাকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ নাটক করে হেনস্থা করেছো। তোমার কপালে হেনস্থা হওয়া আরও লেখা আছে!’
এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আট নম্বর টার্মিনালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’ ও ‘গো ব্যাক’সহ বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়।
পরে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে নেন।
বিমানবন্দরের এই ঘটনার পর ড. ইউনূসকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই মেঘনা আলমের এই পোস্ট সামনে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্লোগান ও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকেই। অনেকেই ইউনূসের মতো সম্মানী ব্যক্তিতে হেনস্তার জন্য সংশ্লিষ্টদের শাস্তি দাবিও করেছেন।
তবে উল্টো সুর শোনা গেল আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলমের কন্ঠে। মৎসজীবী দলের এই নেত্রী ইউনূসের শাসনামলে তার সঙ্গে হওয়া একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তার প্রেক্ষিতে ড. ইউনূসের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্বক পোস্ট করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে মেঘনা লেখেন, ‘ইউনূস কি অবস্থা? এক সৌদি বেটাকে খুশি করতে নিজ দেশের ইমেজ, ইজ্জত দুনিয়াতে ছোট করে, নিজ দেশের মহিলাকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ নাটক করে হেনস্থা করেছো। তোমার কপালে হেনস্থা হওয়া আরও লেখা আছে!’
এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আট নম্বর টার্মিনালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’ ও ‘গো ব্যাক’সহ বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়।
পরে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে নেন।
বিমানবন্দরের এই ঘটনার পর ড. ইউনূসকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই মেঘনা আলমের এই পোস্ট সামনে এসেছে।

১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩৬
ভারতের উত্তর প্রদেশে মাইকে আজান দেওয়ার অভিযোগে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একই ঘটনায় মসজিদের মাইক জব্দ এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত শনিবার উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলার নাজিবাবাদে এ ঘটনা ঘটে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উমেশ প্রতাপ সিং ও পুলিশ সুপার কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই একটি গণশুনানিতে যাওয়ার পথে মহল্লা মাকবারা এলাকায় একটি মসজিদ থেকে আজানের আওয়াজ শুনতে পান। এরপরই পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশের নির্দেশে মসজিদটির মাইক জব্দ করা হয় এবং মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ফাইজানকে আটক করা হয়। পরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়। এলাকায় শব্দসীমা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বিট কনস্টেবল ললিত কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি জেলার প্রতিটি থানাকে নিজ নিজ এলাকার ধর্মীয় উপাসনালয়ের মাইক অনুমোদিত শব্দসীমার মধ্যে চলছে কি না, তা যাচাই করে প্রত্যয়নপত্র বা হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও বিট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে—শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে ধর্মীয় উপাসনার প্রচলিত রীতির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ ও আনুপাতিক হচ্ছে? শব্দসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং আইন সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতের উত্তর প্রদেশে মাইকে আজান দেওয়ার অভিযোগে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একই ঘটনায় মসজিদের মাইক জব্দ এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত শনিবার উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলার নাজিবাবাদে এ ঘটনা ঘটে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উমেশ প্রতাপ সিং ও পুলিশ সুপার কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই একটি গণশুনানিতে যাওয়ার পথে মহল্লা মাকবারা এলাকায় একটি মসজিদ থেকে আজানের আওয়াজ শুনতে পান। এরপরই পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশের নির্দেশে মসজিদটির মাইক জব্দ করা হয় এবং মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ফাইজানকে আটক করা হয়। পরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়। এলাকায় শব্দসীমা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বিট কনস্টেবল ললিত কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি জেলার প্রতিটি থানাকে নিজ নিজ এলাকার ধর্মীয় উপাসনালয়ের মাইক অনুমোদিত শব্দসীমার মধ্যে চলছে কি না, তা যাচাই করে প্রত্যয়নপত্র বা হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও বিট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে—শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে ধর্মীয় উপাসনার প্রচলিত রীতির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ ও আনুপাতিক হচ্ছে? শব্দসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং আইন সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৩২
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানায়, শনিবার গভীর রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি, দুজন বাংলাদেশি, একজন করে মার্কিন, মিসরীয়, জর্ডানি, সিরীয়, ফিলিস্তিনি ও সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলায় সম্পত্তিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
এর আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জিএসিএ জানায়, হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এ সময় কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা নিশ্চিত করার কাজ করেন।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি হামলাটিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এ সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছেন আল-মালকি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব হামলা নিরীহ বেসামরিক মানুষের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রমাণ। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত।
তবে সর্বশেষ হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি হুথিরা। আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাউরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে। মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে তারা।
এদিকে হামলার পর রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানায়, শনিবার গভীর রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি, দুজন বাংলাদেশি, একজন করে মার্কিন, মিসরীয়, জর্ডানি, সিরীয়, ফিলিস্তিনি ও সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলায় সম্পত্তিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
এর আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জিএসিএ জানায়, হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এ সময় কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা নিশ্চিত করার কাজ করেন।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি হামলাটিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এ সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছেন আল-মালকি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব হামলা নিরীহ বেসামরিক মানুষের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রমাণ। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত।
তবে সর্বশেষ হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি হুথিরা। আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাউরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে। মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে তারা।
এদিকে হামলার পর রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪১
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩