
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৭

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্বৃত্তের হামলায় ইকবাল হোসেন (৪৫) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের খাগড়াখানা গ্রামের আজহার আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইকবাল হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে কে বা কারা তাকে খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফ আলী জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে কুপিয়ে ফেলে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্বৃত্তের হামলায় ইকবাল হোসেন (৪৫) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের খাগড়াখানা গ্রামের আজহার আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইকবাল হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে কে বা কারা তাকে খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফ আলী জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে কুপিয়ে ফেলে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৭
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৮
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০