
০৪ জুন, ২০২৫ ১৪:০৩
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ মুজিবনগর সরকারের সব সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ জুন) রাতে সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশের উল্লেখ করে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি বাতিলের কথা বলা হয়। যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে বুধবার (০৪ জুন) সকালে সরকারের পক্ষ থেকে খবরটি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
আজ সচিবালয়ে এই নিয়ে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি জানান বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবরটি সঠিক নয়।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যসহ অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সংবাদধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামানসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের (এমএনএ-এমপিএ) মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক অধ্যাদেশ জারির বরাত দিয়ে তাদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে ফারুক-ই-আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এ নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ফারুক-ই-আজম বলেন, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর কিছু হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ মুজিবনগর সরকারের সব সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ জুন) রাতে সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশের উল্লেখ করে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি বাতিলের কথা বলা হয়। যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে বুধবার (০৪ জুন) সকালে সরকারের পক্ষ থেকে খবরটি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
আজ সচিবালয়ে এই নিয়ে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি জানান বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবরটি সঠিক নয়।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যসহ অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সংবাদধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামানসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের (এমএনএ-এমপিএ) মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক অধ্যাদেশ জারির বরাত দিয়ে তাদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে ফারুক-ই-আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এ নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ফারুক-ই-আজম বলেন, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর কিছু হয়নি।

২৩ মে, ২০২৬ ১৯:২২
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

২৩ মে, ২০২৬ ১৪:১০
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০