
০৪ জুন, ২০২৫ ১৪:০৩
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ মুজিবনগর সরকারের সব সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ জুন) রাতে সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশের উল্লেখ করে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি বাতিলের কথা বলা হয়। যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে বুধবার (০৪ জুন) সকালে সরকারের পক্ষ থেকে খবরটি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
আজ সচিবালয়ে এই নিয়ে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি জানান বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবরটি সঠিক নয়।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যসহ অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সংবাদধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামানসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের (এমএনএ-এমপিএ) মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক অধ্যাদেশ জারির বরাত দিয়ে তাদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে ফারুক-ই-আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এ নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ফারুক-ই-আজম বলেন, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর কিছু হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ মুজিবনগর সরকারের সব সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ জুন) রাতে সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশের উল্লেখ করে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি বাতিলের কথা বলা হয়। যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে বুধবার (০৪ জুন) সকালে সরকারের পক্ষ থেকে খবরটি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
আজ সচিবালয়ে এই নিয়ে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি জানান বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবরটি সঠিক নয়।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিলের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যসহ অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সংবাদধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামানসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের (এমএনএ-এমপিএ) মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক অধ্যাদেশ জারির বরাত দিয়ে তাদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে ফারুক-ই-আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এ নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ফারুক-ই-আজম বলেন, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর কিছু হয়নি।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৬
স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। একটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সদস্য সংখ্যা পাঁচজনের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই এসব হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। একটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সদস্য সংখ্যা পাঁচজনের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই এসব হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০২
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান বা জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন ও অধিকার। আমরাও এই আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছি। এই ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টার (ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজের সম্পত্তি ভাবছে, তাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মতনির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই।
ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেট দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান বা জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন ও অধিকার। আমরাও এই আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছি। এই ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টার (ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজের সম্পত্তি ভাবছে, তাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মতনির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই।
ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেট দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৮
জ্বালানি তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনার তথ্য জানায়।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়।
ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে, অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানি সূত্রে জানা যায়।
দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।
এর আগে গত শনিবার তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। তার স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক চিঠিতে এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
জ্বালানি তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনার তথ্য জানায়।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়।
ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে, অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানি সূত্রে জানা যায়।
দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।
এর আগে গত শনিবার তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। তার স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক চিঠিতে এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮