
২৩ মে, ২০২৬ ১৯:২২
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

২৩ মে, ২০২৬ ১৪:১০
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫২
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টারবিহীন হোক এবং সে লক্ষ্যেই বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যুক্ত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান বাতিল এবং ইভিএম ব্যবহারের নিয়ম তুলে দেওয়া। নির্বাচন পুরোপুরি নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, সেটিও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে ঠিক কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে না। একই সঙ্গে পলাতক আসামিরা প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে এবং জুনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার আশা করছে কমিশন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন অক্টোবর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চায়।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।
প্রথমত, সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান। তার মতে, সরকার কী চায় এবং কীভাবে আচরণ করে, সেটি নির্বাচনের পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলে।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা বা সংঘর্ষ কাম্য নয়।
তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় অবস্থান। তার ভাষায়, কমিশনের নিজস্ব শক্তি সীমিত হলেও নীতিগত কঠোরতা থাকতে হবে।
চতুর্থত, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সততা ও দায়িত্ববোধ। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা সৎভাবে দায়িত্ব পালন করলে অনিয়ম অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।
সহিংসতামুক্ত নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন ছাড়া তা সম্ভব নয়। শুধু আইন প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না; রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে। ফলে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও সংযম না থাকলে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন ঘিরে মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় রাজনৈতিক জোটগুলো আচরণবিধি মেনে চলায় ভোটের দিন বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কেন্দ্র দখলের ঘটনা খুব কম ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতাও কমিশনের হাতে রয়েছে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: বাসস
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টারবিহীন হোক এবং সে লক্ষ্যেই বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যুক্ত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান বাতিল এবং ইভিএম ব্যবহারের নিয়ম তুলে দেওয়া। নির্বাচন পুরোপুরি নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, সেটিও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে ঠিক কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে না। একই সঙ্গে পলাতক আসামিরা প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে এবং জুনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার আশা করছে কমিশন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন অক্টোবর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চায়।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।
প্রথমত, সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান। তার মতে, সরকার কী চায় এবং কীভাবে আচরণ করে, সেটি নির্বাচনের পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলে।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা বা সংঘর্ষ কাম্য নয়।
তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় অবস্থান। তার ভাষায়, কমিশনের নিজস্ব শক্তি সীমিত হলেও নীতিগত কঠোরতা থাকতে হবে।
চতুর্থত, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সততা ও দায়িত্ববোধ। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা সৎভাবে দায়িত্ব পালন করলে অনিয়ম অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।
সহিংসতামুক্ত নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন ছাড়া তা সম্ভব নয়। শুধু আইন প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না; রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে। ফলে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও সংযম না থাকলে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন ঘিরে মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় রাজনৈতিক জোটগুলো আচরণবিধি মেনে চলায় ভোটের দিন বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কেন্দ্র দখলের ঘটনা খুব কম ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতাও কমিশনের হাতে রয়েছে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: বাসস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০