
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০২
ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ পশুর ওষুধ নিয়ে ঘুরছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের মতবিনিময় সভায় ওই গাড়িতে চড়েই যোগ দিতে আসেন তিনি।
সভা শেষে ফেরার সময় গাড়িতে এসব ওষুধ নজরে আসে সংবাদকর্মীদের। ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেন তিনি। এরপরে জানানো হয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারকে। পরে তিনি সব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করেন এবং জেলা প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন।
এ সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার উপদেষ্টাকে বলতে শোনা যায়, ‘গাড়িতে এসব ওষুধের বিষয়ে অবগত ছিলেন না। গাড়িচালকও তাকে এ বিষয়ে জানাননি।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোনোভাবেই গাড়িতে বহন করা ঠিক হয়নি। এ সময় জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানাকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ওষুধগুলো জব্দ করবেন।
তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওষুধ জব্দের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। উপদেষ্টার কড়া নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ পশুর ওষুধ নিয়ে ঘুরছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের মতবিনিময় সভায় ওই গাড়িতে চড়েই যোগ দিতে আসেন তিনি।
সভা শেষে ফেরার সময় গাড়িতে এসব ওষুধ নজরে আসে সংবাদকর্মীদের। ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেন তিনি। এরপরে জানানো হয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারকে। পরে তিনি সব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করেন এবং জেলা প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন।
এ সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার উপদেষ্টাকে বলতে শোনা যায়, ‘গাড়িতে এসব ওষুধের বিষয়ে অবগত ছিলেন না। গাড়িচালকও তাকে এ বিষয়ে জানাননি।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোনোভাবেই গাড়িতে বহন করা ঠিক হয়নি। এ সময় জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানাকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ওষুধগুলো জব্দ করবেন।
তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওষুধ জব্দের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। উপদেষ্টার কড়া নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হচ্ছে।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৯
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৩
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনার সঙ্গে জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন বর্তমানে আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন দাবি করেন।
পোস্টে সায়ের বলেন, তারা ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের বর্তমান অবস্থান আসামের গুয়াহাটি শহরে।
জুলকারনাইনের দাবি, ভারতে তাদের সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। বিপ্লবের তত্বাবধানে এই হত্যাকারীরা ভারতে অবস্থান করছে।
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে- অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি হিট টিমের একইরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
সায়ের বলেন, এদিকে মূল শ্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় তিনি কেবল একটি গুলি করতে সক্ষম হন। তার পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।
সায়েরের পোস্ট অনুযায়ী, সূত্র দাবি করেছে ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক্যাডার চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদ, যাকে গত ১৩ মে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায়।
তবে ২৯ জুলাই সাজ্জাদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে কারামুক্ত হন।
সাংবাদিক সায়ের বলেন, অনতিবিলম্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যে সব অস্ত্রধারী ক্যাডারকে বিভিন্ন মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যকের বর্তমান অবস্থান যাচাই ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া জরুরি।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনার সঙ্গে জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন বর্তমানে আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন দাবি করেন।
পোস্টে সায়ের বলেন, তারা ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের বর্তমান অবস্থান আসামের গুয়াহাটি শহরে।
জুলকারনাইনের দাবি, ভারতে তাদের সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। বিপ্লবের তত্বাবধানে এই হত্যাকারীরা ভারতে অবস্থান করছে।
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে- অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি হিট টিমের একইরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
সায়ের বলেন, এদিকে মূল শ্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় তিনি কেবল একটি গুলি করতে সক্ষম হন। তার পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।
সায়েরের পোস্ট অনুযায়ী, সূত্র দাবি করেছে ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক্যাডার চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদ, যাকে গত ১৩ মে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায়।
তবে ২৯ জুলাই সাজ্জাদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে কারামুক্ত হন।
সাংবাদিক সায়ের বলেন, অনতিবিলম্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যে সব অস্ত্রধারী ক্যাডারকে বিভিন্ন মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যকের বর্তমান অবস্থান যাচাই ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া জরুরি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.