পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হয়। এ কর্মসূচি নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
ভারতের বন্যা পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শ্রীলেখা লেখেন, মানুষের জীবন যখন নানা সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তাদের প্রদীপ জ্বালাতে বলা হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষের জীবন কঠিন করে তোলার পর এমন প্রত্যাশা নিঃসন্দেহে এক ধরনের বেদনাদায়ক পরিহাস।
মোদি ও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে শ্রীলেখা তাদের ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও জীবিকার ওপর সংকট তৈরি করার পাশাপাশি সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—এভাবে সমাজ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? কেমন সমাজ তৈরি হচ্ছে, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ‘দিমাগি নকশাল’ তকমা দেওয়া হয়?
শ্রীলেখার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ভয় শাসনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে এবং ভিন্নমতকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখা হয়। পুরো পরিস্থিতিকে তিনি ‘ঘোরতর পরিহাস’ ও ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।
এদিকে অভিনেত্রীর এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টটির মন্তব্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা; অনেকে আবার শ্রীলেখার বক্তব্যের সঙ্গে একমতও পোষণ করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হয়। এ কর্মসূচি নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
ভারতের বন্যা পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শ্রীলেখা লেখেন, মানুষের জীবন যখন নানা সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তাদের প্রদীপ জ্বালাতে বলা হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষের জীবন কঠিন করে তোলার পর এমন প্রত্যাশা নিঃসন্দেহে এক ধরনের বেদনাদায়ক পরিহাস।
মোদি ও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে শ্রীলেখা তাদের ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও জীবিকার ওপর সংকট তৈরি করার পাশাপাশি সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—এভাবে সমাজ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? কেমন সমাজ তৈরি হচ্ছে, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ‘দিমাগি নকশাল’ তকমা দেওয়া হয়?
শ্রীলেখার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ভয় শাসনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে এবং ভিন্নমতকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখা হয়। পুরো পরিস্থিতিকে তিনি ‘ঘোরতর পরিহাস’ ও ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।
এদিকে অভিনেত্রীর এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টটির মন্তব্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা; অনেকে আবার শ্রীলেখার বক্তব্যের সঙ্গে একমতও পোষণ করেছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৮
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৩
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:২৪
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০০