Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:০৩
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কর্মীদের সংঘর্ষের জেরে আহত বাকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার কাকরাইলের অররা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে একই ঘটনায় নিহত তার বড় ভাই হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসানের ওপর সুটিয়া গ্রামে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ওই ঘটনার জের ধরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সুটিয়া গ্রামের কামিল মাদ্রাসার সামনে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মাওলানা মফিজুর রহমানসহ কয়েকজন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কর্মীদের সংঘর্ষের জেরে আহত বাকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার কাকরাইলের অররা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে একই ঘটনায় নিহত তার বড় ভাই হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসানের ওপর সুটিয়া গ্রামে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ওই ঘটনার জের ধরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সুটিয়া গ্রামের কামিল মাদ্রাসার সামনে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মাওলানা মফিজুর রহমানসহ কয়েকজন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩১
রাজধানীর বনানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা এই কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পাওয়া পরিবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। ডাবল ডিপিং বা একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়ার পর মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই ভাতার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারীপ্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগ নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তৃতায় নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। সরকার আশা করছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সফল সমাপ্তির পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল যোগ্য পরিবারকে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বরিশাল টাইমস
রাজধানীর বনানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা এই কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পাওয়া পরিবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। ডাবল ডিপিং বা একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়ার পর মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই ভাতার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারীপ্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগ নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তৃতায় নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। সরকার আশা করছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সফল সমাপ্তির পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল যোগ্য পরিবারকে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:১৫
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি আইফোন ও নগদ টাকার লোভে সিয়াম (১৮) নামের এক কলেজছাত্রকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।নিখোঁজের দুদিন পর সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের একটি পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সিয়াম মুকসুদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বাঁশবাড়িয়া গ্রামের লিখন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মূলত মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায়। শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্তরা সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
এরপর তারা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেয় তারা। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং লাশ গুম করতে মরদেহ বাঁশবাড়িয়া হাসপাতালের পেছনে কাশবনসংলগ্ন একটি পুকুরে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখে। ছিনিয়ে নেওয়া আইফোনটি পরে বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় অভিযুক্তরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সিয়াম গত ৭ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে সন্দেহের ভিত্তিতে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নামে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে সিয়ামের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত পারভেজ মুন্সী ও দিদার মুন্সী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে পুলিশ ওই পুকুরে তল্লাশি চালায়।
একই সময়ে দুদিন ধরে পড়ে থাকা লাশটি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে স্থানীয়দেরও সন্দেহ হয়। পরে রাত ১১টার দিকে কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মুকসুদপুর থানার এসআই মোবারক হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি আইফোন ও নগদ টাকার লোভে সিয়াম (১৮) নামের এক কলেজছাত্রকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।নিখোঁজের দুদিন পর সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের একটি পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সিয়াম মুকসুদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বাঁশবাড়িয়া গ্রামের লিখন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মূলত মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায়। শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্তরা সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
এরপর তারা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেয় তারা। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং লাশ গুম করতে মরদেহ বাঁশবাড়িয়া হাসপাতালের পেছনে কাশবনসংলগ্ন একটি পুকুরে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখে। ছিনিয়ে নেওয়া আইফোনটি পরে বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় অভিযুক্তরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সিয়াম গত ৭ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে সন্দেহের ভিত্তিতে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নামে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে সিয়ামের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত পারভেজ মুন্সী ও দিদার মুন্সী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে পুলিশ ওই পুকুরে তল্লাশি চালায়।
একই সময়ে দুদিন ধরে পড়ে থাকা লাশটি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে স্থানীয়দেরও সন্দেহ হয়। পরে রাত ১১টার দিকে কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মুকসুদপুর থানার এসআই মোবারক হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৩
কুমিল্লার লাকসামে একটি মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।সোমবার (৯ মার্চ) রাতে পৌরসভার মিশ্রী এলাকায় অবস্থিত লাকসাম ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা টিনশেডের ওই ভবনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবির নামাজে থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা থাকলেও তা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
মাদ্রাসার মুহতামিম মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে রান্নাঘরের পাশের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরের সিলিং ধরে দ্রুত পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় ছাত্র ও শিক্ষকরা সবাই মসজিদে তারাবির নামাজে ছিলেন।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মো. জাহিদুল মাওলা চৌধুরী হেলাল জানান, প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা নতুন টিনশেড ভবনটিতে ৪৩ জন আবাসিক শিক্ষার্থী থাকতেন। অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানি না হলেও প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
কুমিল্লার লাকসামে একটি মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।সোমবার (৯ মার্চ) রাতে পৌরসভার মিশ্রী এলাকায় অবস্থিত লাকসাম ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা টিনশেডের ওই ভবনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবির নামাজে থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা থাকলেও তা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
মাদ্রাসার মুহতামিম মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে রান্নাঘরের পাশের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরের সিলিং ধরে দ্রুত পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় ছাত্র ও শিক্ষকরা সবাই মসজিদে তারাবির নামাজে ছিলেন।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মো. জাহিদুল মাওলা চৌধুরী হেলাল জানান, প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা নতুন টিনশেড ভবনটিতে ৪৩ জন আবাসিক শিক্ষার্থী থাকতেন। অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানি না হলেও প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২২
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯