Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫১
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’